Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থ তছরুপের ঘটনায় ধরা পড়বে বহু রাঘব বোয়াল

বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থ তছরুপের ঘটনায় ধরা পড়বে বহু রাঘব বোয়াল
  • ১ মার্চ, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
নিজস্ব প্রতিনিধি, বর্ধমান: বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাউন্ট  থেকে  দু’ কোটি নাকি, আরও বেশি টাকা তছরূপ হয়ছে তা তদন্ত করে দেখছে আধিকারিকরা।  ঘটনায় মূল অভিযুক্ত এখনও অধরা থাকায় বিষয়টি তদন্তকারীদের কাছেও স্পষ্ট নয়। আধিকারিকদের একাংশের দাবি, অর্থ তছরূপের ঘটনায় এখনও পর্যন্ত শুধু হিমশৈলের চূড়া দেখা গিয়েছে। মূল অভিযুক্তকে পাকড়াও করা গেলে দুর্নীতির শিকড়ে পৌঁছনো সম্ভব হবে। কিন্তু তাঁকেই এখনও খুঁজে বের করা সম্ভব হয়নি। অর্থ তছরূপের ঘটনায় কলকাতা হাইকোর্ট কেস ডায়েরি তলব করেছে। এছাড়া অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে সেটাও আদালতে জানাতে বলা হয়েছে।
Advertisement
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, মূল অভিযুক্ত প্রায় দেড় বছর ধরে ফেরার। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের আধিকারিক ছিলেন। তাঁকে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সাসপেন্ড করেছে। তাঁর এক আত্মীয়ও গ্রেপ্তার হয়েছে। কিন্তু তিনি দীর্ঘদিন ধরেই অধরা। তদন্তকারীরা জানতে পারেন, ওই প্রাক্তন আধিকারিক বিশ্ববিদ্যালয়ের টাকা কলকাতার এক ব্যক্তির অ্যাকাউন্টে পাঠিয়েছিলেন। সেখান থেকে আবার তা অন্যান্য কয়েকটি অ্যাকাউন্টে পাঠানো হয়। কিছু টাকা তদন্তকারী সংস্থা বাজেয়াপ্ত করেছে। এক আধিকারিক বলেন, বিপুল পরিমাণ টাকা দফায় দফায় তোলা হয়েছিল। সেটা প্রথম দিকে কেন দায়িত্বে থাকা আধিকারিকরা টের পাননি তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। শুধু দু’কোটি, নাকি অতীতে তাঁরা আরও টাকা তছরূপ করেছেন তা স্পষ্ট নয়। ভালো ভাবে তদন্ত করলে জল অনেক দূর গড়াবে। আরও অনেক রাঘব বোয়ালের নাম উঠে আসতে পারে। আশা করা যায় ধাপে ধাপে পুরো বিষয়টি পরিষ্কার হয়ে যাবে। 
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, কয়েক দিন আগে ইসির বৈঠকে বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। ঘটনা তদন্ত করে দেখার জন্য অনেক আগেই একটি কমিটি গঠন করা হয়েছিল। তারা কয়েক মাস আগেই রিপোর্ট জমা দেয়। কিন্তু স্থায়ী ভিসি না থাকার জন্য সেই রিপোর্ট দীর্ঘদিন ফাইল বন্দি হয়ে পড়েছিল। নতুন ভিসি আসার পর রিপোর্ট খোলা হয়। সেটি ইসির বৈঠকে পাশ করার পর মূল অভিযুক্তকে সাসপেন্ড করার পাশাপাশি এক প্রাক্তন আধিকারিকের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হয়। বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃণমূল কর্মচারী সংগঠনের নেতা শ্যামাপ্রসাদ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ঘটনা নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। আশা করি সব অভিযুক্তই শাস্তি পাবে।
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ