নয়াদিল্লি (পিটিআই): শেষবার জনগণনা হয়েছিল ২০১১ সালে। নিয়ম অনুযায়ী, এক দশক পর তা ফের হওয়ার কথা ছিল ২০২১ সালে। তবে কোভিড-১৯ মহামারীর আবহে তা স্থগিত হয়ে গিয়েছিল। মহামারী কাটলেও জনগণনার কাজে এখনও উদাসীন কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদি সরকার। এই অবস্থায় ২০২৫ সালেও জনগণনা হবে কি না, তা নিয়ে সংশয় তৈরি হল। কারণ, শনিবার পেশ হওয়া সাধারণ বাজেটে এই খাতে মাত্র ৫৭৪.৮০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। সরকারি সূত্রে খবর, জনগণনা ও ন্যাশনাল পপুলেশন রেজিস্টার (এনপিআর) আপডেট করার কাজ চালাতে ১২ হাজার কোটি টাকারও বেশি অর্থ প্রয়োজন। বাজেটে নামমাত্র বরাদ্দের অর্থ চলতি বছরেও জনগণনার কাজ বিশ বাঁও জলে চলে গেল।
Advertisement
২০১৯ সালের ২৪ ডিসেম্বর কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার একটি বৈঠকে ২০২১ সালের জনগণনার প্রস্তাবে অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। সেই সময় জনগণনার জন্য ৮ হাজার ৭৫৪.২৩ কোটি টাকা এবং এনপিআর আপডেটের জন্য ৩ হাজার ৯৪১.৩৫ কোটি টাকা আনুমানিক খরচ ধরা হয়েছিল। ২০২১ সালের জনগণনার অঙ্গ হিসেবে বাড়ির তালিকা তৈরি ও এনপিআর আপডেটের কাজ হওয়ার কথা ছিল ২০২০ সালের ১ এপ্রিল থেকে ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে। তবে বিশ্বব্যাপী করোনা মহামারীর কারণে সেই সময় তা স্থগিত হয়ে যায়। মহামারী মিটলেও তারপর থেকে এখনও পর্যন্ত সরকার নতুন করে আর কোনও নির্ঘণ্ট ঘোষণা করেনি। নতুন অর্থবর্ষের জন্য বাজেটে নির্মলা সীতারামন জনগণনার কাজে মাত্র ৫৭৪.৮০ কোটি টাকা বরাদ্দ করলেন, তাতে ২০২৫ সালেও এই কাজ শুরু হচ্ছে না বলেও মত তথ্যাভিজ্ঞ মহলের।



