নিজস্ব প্রতিনিধি, ওন্দা: দীর্ঘদিন পর মিড ডে মিলে যৎসামান্য বরাদ্দ বৃদ্ধি করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। এই দুর্মূল্যের বাজারে পড়ুয়াদের মুখে সামান্য ডাল-ভাত তুলে দিতে নাভিশ্বাস উঠছে স্কুলগুলির। এই পরিস্থিতিতে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত বরাদ্দ টাকায় অনায়াসে দ্বাদশের ছাত্রছাত্রীদেরও মিড ডে মিল খাওয়াচ্ছে ওন্দার ভোলা হীরাপুর উচ্চ বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। অগ্নিমূল্যের বাজারে কীভাবে হল অসাধ্য সাধন! বিদ্যালয়ের জায়গায় সব্জি বাগান করেই মিলছে সুফল। তবে কাজটা ততটা সহজ ছিল না। কারণ, ওন্দা ব্লকের ভোলা হীরাপুর এলাকার মাটি অনুর্বর। মোরাম সরিয়ে সেই জায়গায় মাটি ফেলে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ উষর ভূমিকে শস্য-শ্যামলা করে তুলেছে।
Advertisement
বুধবার বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা গেল, মিড ডে মিল রান্নার জন্য বাগান থেকে তাজা সব্জি তোলা হচ্ছে। সেই কাজ তদারকি করছেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক তরুণকুমার চক্রবর্তী ও স্কুল পরিচালন সমিতির সভাপতি মণিশঙ্কর মুখোপাধ্যায়। বাগান থেকে সটান ঝুড়ি ভর্তি সব্জি চলে যাচ্ছে মিড ডে মিলের রান্না ঘরে। লাউ, কুমড়ো, বিনস্, বেগুন থেকে টোম্যাটো, পুঁই শাক, ফুল ও বাঁধা কপি, কী নেই সেই তালিকায়! ওন্দা ব্লকের ভোলা ও হীরাপুর গ্রামের মাঝে ওই উচ্চ বিদ্যালয় অবস্থিত। সেখানে ওই ব্লকের রতনপুর, কল্যাণী ও পুনিশোল গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার ৩০টি গ্রামের ছাত্রছাত্রীরা পড়ে। বিদ্যালয়ে বর্তমানে প্রায় ১৪০০ ছাত্রছাত্রী রয়েছে। শিক্ষক-অশিক্ষক কর্মী মিলিয়ে রয়েছেন ৩৫ জন। বিদ্যালয় বড় হলেও এলাকার গায়ে পিছিয়ে পড়ার তকমা রয়েছে। ফলে সেখানকার বেশিরভাগ ছাত্রছাত্রীই গরিব বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। সেই কারণে সিংহভাগ পড়ুয়া বিদ্যালয়ে নিয়মিত মিড ডে মিল খেয়ে থাকে।
বর্তমানে সরকারের তরফে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পড়ুয়াদের মাথাপিছু মিড ডে মিলের জন্য ৬ টাকা ১৯ পয়সা এবং পঞ্চম-অষ্টম পর্যন্ত ৯ টাকা ২৯ পয়সা বরাদ্দ করা হয়। সরকার অবশ্য চাল আলাদা করে স্কুলে পাঠায়। তবে ডিম, সব্জি ও জ্বালানি সহ অন্যান্য খরচ ওই টাকায় হয় না বলে শিক্ষকরা জানিয়েছেন। বিষয়টি উপলব্ধি করেই ভোলা হীরাপুর উচ্চ বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ স্কুলের ফাঁকা জমিতে সব্জি চাষের উদ্যোগ নেন।
প্রধান শিক্ষক বলেন, স্কুলের পূর্বদিকে এক বিঘারও বেশি জায়গাজুড়ে সব্জির বাগান তৈরি করা হয়েছে। সেখানে শীতকালীন বিভিন্ন রকম শাক ও সব্জি চাষ করা হচ্ছে। দুর্গাপুজোর পর থেকে আমরা আর বাজারমুখো হইনি। বাগানের শাক-সব্জিতেই মিড ডে মিলের তরি-তরকারির জোগাড় হয়ে যাচ্ছে। বাগানেই জীববিদ্যার শিক্ষকরা ছাত্রছাত্রীদের হাতেকলমে পরাগ মিলনের পাঠ দিচ্ছেন। সব্জি বাগানের চারপাশে ফল ও বিলুপ্তপ্রায় গাছগাছালি লাগানো হয়েছে। নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত পড়ুয়ারাও ইচ্ছা করলে মিড ডে মিল খেতে পারে। তবে বিদ্যালয়ে পৌঁছে তা আমাদের জানিয়ে দিতে হয়। তাদের জন্য আমরা আলাদা করে থালার ব্যবস্থা রেখেছি।
পরিচালন সমিতির সভাপতি বলেন, স্কুলের ফাঁকা জায়গা পড়ে ছিল। বিষয়টি লক্ষ্য করে সব্জি বাগান তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়। মোরাম সরিয়ে মাটি ফেলা হয়। তাতে গোবর সার মিশিয়ে ফসল ফলানো হচ্ছে। ফলছে হরেক সব্জি।
বর্তমানে সরকারের তরফে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পড়ুয়াদের মাথাপিছু মিড ডে মিলের জন্য ৬ টাকা ১৯ পয়সা এবং পঞ্চম-অষ্টম পর্যন্ত ৯ টাকা ২৯ পয়সা বরাদ্দ করা হয়। সরকার অবশ্য চাল আলাদা করে স্কুলে পাঠায়। তবে ডিম, সব্জি ও জ্বালানি সহ অন্যান্য খরচ ওই টাকায় হয় না বলে শিক্ষকরা জানিয়েছেন। বিষয়টি উপলব্ধি করেই ভোলা হীরাপুর উচ্চ বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ স্কুলের ফাঁকা জমিতে সব্জি চাষের উদ্যোগ নেন।
প্রধান শিক্ষক বলেন, স্কুলের পূর্বদিকে এক বিঘারও বেশি জায়গাজুড়ে সব্জির বাগান তৈরি করা হয়েছে। সেখানে শীতকালীন বিভিন্ন রকম শাক ও সব্জি চাষ করা হচ্ছে। দুর্গাপুজোর পর থেকে আমরা আর বাজারমুখো হইনি। বাগানের শাক-সব্জিতেই মিড ডে মিলের তরি-তরকারির জোগাড় হয়ে যাচ্ছে। বাগানেই জীববিদ্যার শিক্ষকরা ছাত্রছাত্রীদের হাতেকলমে পরাগ মিলনের পাঠ দিচ্ছেন। সব্জি বাগানের চারপাশে ফল ও বিলুপ্তপ্রায় গাছগাছালি লাগানো হয়েছে। নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত পড়ুয়ারাও ইচ্ছা করলে মিড ডে মিল খেতে পারে। তবে বিদ্যালয়ে পৌঁছে তা আমাদের জানিয়ে দিতে হয়। তাদের জন্য আমরা আলাদা করে থালার ব্যবস্থা রেখেছি।
পরিচালন সমিতির সভাপতি বলেন, স্কুলের ফাঁকা জায়গা পড়ে ছিল। বিষয়টি লক্ষ্য করে সব্জি বাগান তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়। মোরাম সরিয়ে মাটি ফেলা হয়। তাতে গোবর সার মিশিয়ে ফসল ফলানো হচ্ছে। ফলছে হরেক সব্জি।



