নিজস্ব প্রতিনিধি, বহরমপুর: এ যেন অন্য আর এক ‘ঠগিনী’র গল্প। বারবার বিয়ে করে টাকা পয়সা হাতিয়ে প্রতারণা করাকে রীতিমতো অভ্যাসে পরিণত করে ফেলেছিল আয়েশা সুলতানা ওরফে পাপিয়া খাতুন। একাধিক নামে তাকে চেনে সোশ্যাল মিডিয়ার যুবকরা। পরিচয় আত্মগোপন করে নানা যুবকের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে সে তাঁদের বিয়ের পিঁড়িতে টেনে নিয়ে যেত। এ ব্যাপারে সে বিশেষ পারদর্শী। গত মাসে প্রেমের ফাঁদে ফেলে সিঙ্গাপুর থেকে এক যুবককে বহরমপুরে ডেকে এনে বিয়ে করে সে। বিয়ের পর বহরমপুরের রাধারঘাট এলাকার উত্তরপাড়ায় থাকতে শুরু করে তারা। দিন কুড়ি সংসার করার পর যুবকের সর্বস্ব কেড়ে নিয়ে চম্পট দেয় যুবতী। প্রতারিত হয়ে বর্ধমানের ওই মেধাবী যুবক বহরমপুর থানার দ্বারস্থ হন। এরপর ওই ‘লাপাতা লেডিজ’এর খোঁজে তল্লাশি শুরু করে পুলিস।
Advertisement
গত ২১ ফেব্রুয়ারি মামলা দায়ের হয় থানায়। পুলিস বৃহস্পতিবার রাতে বীরভূমের লভপুর থেকে তাকে তুলে আনে। তদন্তে নেমে পুলিস জানতে পারে, ছয়টি বিভিন্ন নাম রয়েছে ওই যুবতীর। নাম বদলিয়ে সে একের পর এক বিয়ে করেছে বলেই দাবি পুলিসের। এখনও পর্যন্ত ছয়টি বিয়ে করে ফেলেছে সে। প্রতিটি ক্ষেত্রেই প্রতারণা করে সে গা ঢাকা দিত। তবে বারবার ঠকিয়ে গেলেও তার নামে কেউ অভিযোগ দায়ের করেননি। উল্টে বিয়ে করার পর স্বামীদের নামে মিথ্যে মামলার ভয় দেখাত ওই যুবতী। এক্ষেত্রেও তাই করেছিল। তবে শেষ পর্যন্ত সামাল দিতে পারেনি। পুলিস তার নাগাল পেয়ে যায়। ধৃতকে শুক্রবার বহরমপুর আদালতে তোলা হলে বিচারক দু’দিনের পুলিসি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন।
জানা গিয়েছে, দিল্লি আইআইটি থেকে এমটেক করার পর সিঙ্গাপুরে গবেষণা করছিলেন ওই যুবক। তাঁর বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের মঙ্গলকোট এলাকায়। সোশ্যাল মিডিয়ায় পরিচয় হয় বীরভূমের লাভপুরের ওই যুবতীর সঙ্গে। তারপর তার কথা শুনে সিঙ্গাপুর থেকে চলে আসেন ওই যুবক। কলকাতা এয়ারপোর্টে নেমে সোজা গাড়ি নিয়ে বীরভূমের ফুটিশাকো চলে আসেন তিনি। সেখান থেকে যুবকের গাড়িতে ওঠে ওই যুবতী। ওইদিনই যুবকের সঙ্গে রেজিস্ট্রি বিয়ের পর তারা বহরমপুর এসে থাকা শুরু করে। মিথ্যে ডকুমেন্ট পেশ করে বীরভূম থেকে ওই যুবতীর সঙ্গে বিয়ের রেজিস্ট্রি করা হয় বলে জানতে পেরেছে পুলিস। একসঙ্গে থাকা শুরু করতেই ওই যুবকের খাবারের সঙ্গে রাসায়নিক মিশিয়ে প্রায়ই যুবককে অচৈতন্য করে দেওয়া হতো। তারপর একদিন যুবকের সমস্ত নথিপত্র নিয়ে যুবতী চম্পট দেয় বলেই অভিযোগ। ওই যুবকের কাছে থেকে তিন লক্ষ টাকা, ল্যাপটপ, মোবাইল, আধারকার্ড, ভোটার কার্ড, প্যাণকার্ড, পাসপোর্টসহ টাকা দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ নতি হাতিয়ে নেয় ওই যুবতী।
বহরমপুর থানার আইসি উদয়শঙ্কর ঘোষ বলেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় পরিচয় হওয়ার পর ওই যুবক বিয়ে করেন। তারপর তার বেশ কিছু জিনিসপত্র খোয়া গিয়েছে বলে অভিযোগ হয়েছে। ওই যুবতী এমন মিথ্যে পরিচয় দিয়ে এর আগেও একাধিকবার বিয়ে করেছে বলেই জানতে পেরেছি। অভিযুক্তকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।
জানা গিয়েছে, দিল্লি আইআইটি থেকে এমটেক করার পর সিঙ্গাপুরে গবেষণা করছিলেন ওই যুবক। তাঁর বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের মঙ্গলকোট এলাকায়। সোশ্যাল মিডিয়ায় পরিচয় হয় বীরভূমের লাভপুরের ওই যুবতীর সঙ্গে। তারপর তার কথা শুনে সিঙ্গাপুর থেকে চলে আসেন ওই যুবক। কলকাতা এয়ারপোর্টে নেমে সোজা গাড়ি নিয়ে বীরভূমের ফুটিশাকো চলে আসেন তিনি। সেখান থেকে যুবকের গাড়িতে ওঠে ওই যুবতী। ওইদিনই যুবকের সঙ্গে রেজিস্ট্রি বিয়ের পর তারা বহরমপুর এসে থাকা শুরু করে। মিথ্যে ডকুমেন্ট পেশ করে বীরভূম থেকে ওই যুবতীর সঙ্গে বিয়ের রেজিস্ট্রি করা হয় বলে জানতে পেরেছে পুলিস। একসঙ্গে থাকা শুরু করতেই ওই যুবকের খাবারের সঙ্গে রাসায়নিক মিশিয়ে প্রায়ই যুবককে অচৈতন্য করে দেওয়া হতো। তারপর একদিন যুবকের সমস্ত নথিপত্র নিয়ে যুবতী চম্পট দেয় বলেই অভিযোগ। ওই যুবকের কাছে থেকে তিন লক্ষ টাকা, ল্যাপটপ, মোবাইল, আধারকার্ড, ভোটার কার্ড, প্যাণকার্ড, পাসপোর্টসহ টাকা দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ নতি হাতিয়ে নেয় ওই যুবতী।
বহরমপুর থানার আইসি উদয়শঙ্কর ঘোষ বলেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় পরিচয় হওয়ার পর ওই যুবক বিয়ে করেন। তারপর তার বেশ কিছু জিনিসপত্র খোয়া গিয়েছে বলে অভিযোগ হয়েছে। ওই যুবতী এমন মিথ্যে পরিচয় দিয়ে এর আগেও একাধিকবার বিয়ে করেছে বলেই জানতে পেরেছি। অভিযুক্তকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।



