সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার: রাজ্যে যে ছ’টি বিধানসভা কেন্দ্রে উপ নির্বাচন হচ্ছে তারমধ্যে শুধু মাদারিহাট জিতেছিল বিজেপি। গেরুয়া শিবিরের সেই গড় মাদারিহাট রক্ষার্থে কি চাপে পড়েছে বিজেপি? তার জন্যই কি খোদ দলীয় রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বা বিধানসভায় দলের বিরোধী দলনেতাকে বারবার ছুটে আসতে হচ্ছে মাদারিহাটে? যদিও বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, মাদারিহাটে দল কোনও চাপে নেই। মাদারিহাটে উপ নির্বাচনে তাদের দল জিতবে।
Advertisement
দলীয় প্রার্থী রাহুল লোহারের মনোয়নপত্র জমা দেওয়ার দিন আলিপুরদুয়ারে এসেছিলেন বঙ্গ বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।
সুকান্তবাবু শুক্রবারও দলীয় প্রার্থীকে নিয়ে মাদারিহাটের গয়েরকাটায় প্রচার করেছেন। বিধানসভায় দলের বিরোধী দলনেতাও ইতিমধ্যেই প্রচার করে গিয়েছেন। আজ রবিবার, তিনি ফের প্রচারে আসছেন। আর দলের দার্জিলিং সাংসদ রাজু বিস্তা তো মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার দিন থেকেই ঘাঁটি গেড়ে বসে আছেন মাদারিহাটে। প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষও প্রচারে এসেছিলেন।
এমনিতে মাদারিহাটে প্রচারে একের পর এক সভা ফ্লপ হচ্ছে বিজেপির। তার উপর মনোজ টিগ্গা দু’বার বিধায়ক থাকার পরেও এলাকায় সেভাবে কোনও উন্নয়নমূলক কাজ হয়নি। ফলে উপ নির্বাচনের মুখে সর্বত্র ক্ষোভ ছড়িয়েছে। প্রচারে গিয়ে বিজেপি নেতারাও বাসিন্দাদের ক্ষোভের মুখে পড়ছেন। শুক্রবার গয়েরকাটায় তার জন্যই ব্যবসায়ীদের ক্ষোভের মুখে পড়তে হয়েছিল বিজেপির রাজ্য সভাপতিকে। সারা বছর খোঁজখবর নেন না। শুধু ভোটের মুখে কয়েকদিন আগে সিংহানিয়া চা বাগানে প্রচারে গিয়ে শ্রমিকদের প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়েছিল বর্তমান সাংসদ মনোজ টিগ্গাকেও।
রাজনৈতিক মহলের ধারণা, সেই কারণেই মাদারিহাটের উপ নির্বাচনে প্রবল চাপে পড়েছে গেরুয়া শিবির। উত্তরবঙ্গে পরপর দু’বারের এই জেতা আসন উপ নির্বাচনে আদৌ ধরে রাখা যাবে কি না তা নিয়ে দলের মধ্যেও সংশয় তৈরি হয়েছে। রাজনৈতিক মহল মনে করছে, সেজন্যই মাদারিহাটে ঘন ঘন প্রচারে ছুটে আসতে হচ্ছে খোদ দলের রাজ্য নেতৃত্বকে।
তৃণমূলের আলিপুরদুয়ার জেলা সভাপতি রাজ্যসভার সাংসদ প্রকাশচিক বরাইক বলেন, উপ নির্বাচনের প্রচারে খোদ বিজেপির রাজ্য নেতৃত্বকেই মাদারিহাটে বারবার ছুটে আসতে হচ্ছে।
এথেকেই তো পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে মাদারিহাটে বিজেপি চাপে পড়ে গিয়েছে। বিজেপির দু’বারের বিধায়কের উন্নয়ন কাজের ব্যর্থতার কারণে জিততে চলেছে আমাদের দল। যদিও বিজেপির জেলা সভাপতি সাংসদ মনোজ টিগ্গা বলেন, এসব মিডিয়ার অপপ্রচার। মাদারিহাটে আমাদের দল কোনওরকম চাপে নেই। মাদারিহাট আমাদের ট্রেডিশনাল নিরাপদ আসন। এখানে আমাদের দলই জিতবে।
সুকান্তবাবু শুক্রবারও দলীয় প্রার্থীকে নিয়ে মাদারিহাটের গয়েরকাটায় প্রচার করেছেন। বিধানসভায় দলের বিরোধী দলনেতাও ইতিমধ্যেই প্রচার করে গিয়েছেন। আজ রবিবার, তিনি ফের প্রচারে আসছেন। আর দলের দার্জিলিং সাংসদ রাজু বিস্তা তো মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার দিন থেকেই ঘাঁটি গেড়ে বসে আছেন মাদারিহাটে। প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষও প্রচারে এসেছিলেন।
এমনিতে মাদারিহাটে প্রচারে একের পর এক সভা ফ্লপ হচ্ছে বিজেপির। তার উপর মনোজ টিগ্গা দু’বার বিধায়ক থাকার পরেও এলাকায় সেভাবে কোনও উন্নয়নমূলক কাজ হয়নি। ফলে উপ নির্বাচনের মুখে সর্বত্র ক্ষোভ ছড়িয়েছে। প্রচারে গিয়ে বিজেপি নেতারাও বাসিন্দাদের ক্ষোভের মুখে পড়ছেন। শুক্রবার গয়েরকাটায় তার জন্যই ব্যবসায়ীদের ক্ষোভের মুখে পড়তে হয়েছিল বিজেপির রাজ্য সভাপতিকে। সারা বছর খোঁজখবর নেন না। শুধু ভোটের মুখে কয়েকদিন আগে সিংহানিয়া চা বাগানে প্রচারে গিয়ে শ্রমিকদের প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়েছিল বর্তমান সাংসদ মনোজ টিগ্গাকেও।
রাজনৈতিক মহলের ধারণা, সেই কারণেই মাদারিহাটের উপ নির্বাচনে প্রবল চাপে পড়েছে গেরুয়া শিবির। উত্তরবঙ্গে পরপর দু’বারের এই জেতা আসন উপ নির্বাচনে আদৌ ধরে রাখা যাবে কি না তা নিয়ে দলের মধ্যেও সংশয় তৈরি হয়েছে। রাজনৈতিক মহল মনে করছে, সেজন্যই মাদারিহাটে ঘন ঘন প্রচারে ছুটে আসতে হচ্ছে খোদ দলের রাজ্য নেতৃত্বকে।
তৃণমূলের আলিপুরদুয়ার জেলা সভাপতি রাজ্যসভার সাংসদ প্রকাশচিক বরাইক বলেন, উপ নির্বাচনের প্রচারে খোদ বিজেপির রাজ্য নেতৃত্বকেই মাদারিহাটে বারবার ছুটে আসতে হচ্ছে।
এথেকেই তো পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে মাদারিহাটে বিজেপি চাপে পড়ে গিয়েছে। বিজেপির দু’বারের বিধায়কের উন্নয়ন কাজের ব্যর্থতার কারণে জিততে চলেছে আমাদের দল। যদিও বিজেপির জেলা সভাপতি সাংসদ মনোজ টিগ্গা বলেন, এসব মিডিয়ার অপপ্রচার। মাদারিহাটে আমাদের দল কোনওরকম চাপে নেই। মাদারিহাট আমাদের ট্রেডিশনাল নিরাপদ আসন। এখানে আমাদের দলই জিতবে।



