সংবাদদাতা, পুরুলিয়া: বরাবাজারের রায়ডি-বেড়াদা থেকে বলরামপুর যাওয়ার রাস্তা বেহাল দশায় রয়েছে। প্রায় এক দশকের বেশি সময় ধরে রাস্তাটি সংস্কার হয়নি। যে কোনও সময় দুর্ঘটনার আশঙ্কা নিয়েই স্থানীয়রা ওই রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করতে বাধ্য হন। এলাকার মানুষ রাস্তাটি সংস্কারের দাবিতে সরব হয়েছেন।
Advertisement
প্রায় ১০ কিলোমিটার রাস্তার খানিকটা বরাবাজার ব্লকের আওতায় পড়ে। বাকিটা বলরামপুর ব্লকের অংশ। এলাকার বাসিন্দাদের পাশাপাশি ওই রাস্তা দিয়ে সব্জি নিয়ে যেতে ব্যবসায়ীরাও সমস্যায় পড়েন। স্থানীয় বাসিন্দা বনমালী সিংহবাবু বলেন, বহুবছর ধরে রাস্তাটি এই দশায় রয়েছে। প্রায় ১০ কিলোমিটার রাস্তা এমনই বেহাল যে, এই রাস্তায় বাসে উঠতেও ভয় লাগে। ঝাড়খণ্ড লাগোয়া এই এলাকার রাস্তাঘাটের সমস্যা কোনওদিন প্রশাসনের নজরেই পড়ে না। এলাকার অপর বাসিন্দা ধর্মেন্দ্র সিংহবাবু বলেন, আমরা বহুদিন ধরে রাস্তাটি সংস্কারের দাবি জানিয়ে আসছি। কিন্তু কে কার কথা শোনে! রাস্তাটা ঠিক হলে এলাকার মানুষের উপকার হবে। ঠিক কী কারণে এই রাস্তা সংস্কার করা হচ্ছে না, আমরা বুঝতে পারছি না।
ওই রাস্তাটি দু’জন জেলা পরিষদ সদস্যের এলাকার মধ্যে পড়ে। বলরামপুরের জেলা পরিষদ সদস্য গৌতম মাহাত বলেন, অনেকদিন ধরেই রাস্তাটি সংস্কার হয়নি। রাস্তায় বেশ কিছু খানাখন্দ হয়েছে। সংস্কারের জন্য জেলা পরিষদে আবেদন জানানো হয়েছে। রাস্তাটি সংস্কার করে দেওয়া হবে বলেই শুনেছি। তাড়াতাড়ি কাজ শুরু করার জন্য ফের জেলা পরিষদে যোগাযোগ করব। তবে ওই রাস্তাটি যাতে পূর্তদপ্তর অধিগ্রহণ করতে পারে, সেবিষয়ে উদ্যোগ নেওয়া হবে। দু’টি ব্লকের সংযোগকারী রাস্তা পূর্তদপ্তরের অধীনে থাকলে রক্ষণাবেক্ষণও ভালো হবে। এবিষয়ে ওই দপ্তরের আধিকারিকদের সঙ্গে আলোচনা করা হবে।
ওই রাস্তাটি দু’জন জেলা পরিষদ সদস্যের এলাকার মধ্যে পড়ে। বলরামপুরের জেলা পরিষদ সদস্য গৌতম মাহাত বলেন, অনেকদিন ধরেই রাস্তাটি সংস্কার হয়নি। রাস্তায় বেশ কিছু খানাখন্দ হয়েছে। সংস্কারের জন্য জেলা পরিষদে আবেদন জানানো হয়েছে। রাস্তাটি সংস্কার করে দেওয়া হবে বলেই শুনেছি। তাড়াতাড়ি কাজ শুরু করার জন্য ফের জেলা পরিষদে যোগাযোগ করব। তবে ওই রাস্তাটি যাতে পূর্তদপ্তর অধিগ্রহণ করতে পারে, সেবিষয়ে উদ্যোগ নেওয়া হবে। দু’টি ব্লকের সংযোগকারী রাস্তা পূর্তদপ্তরের অধীনে থাকলে রক্ষণাবেক্ষণও ভালো হবে। এবিষয়ে ওই দপ্তরের আধিকারিকদের সঙ্গে আলোচনা করা হবে।



