সংবাদদাতা, রামপুরহাট: বীরভূমের অধিকাংশ পশু হাসপাতালে মিলছে না কুকুর, বিড়ালের চিকিৎসা। মেলে না ওষুধও। ফলে পোষ্যদের চিকিৎসা করাতে গিয়ে সমস্যায় পড়ছেন বহু বাসিন্দা। কার্যত চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে বহু অবলা জীব। জেলা প্রাণিসম্পদ বিকাশ আধিকারিক তুহিন চক্রবর্তীর দাবি, কুকুর বিড়ালদের জন্য নির্দিষ্ট ওষুধ সরবরাহ নেই। তবে সাধারণ ওষুধ সাপ্লাই আছে। বিষয়টি দেখছি।
Advertisement
প্রায় সমস্ত ব্লক ও শহরে রয়েছে সরকারি পশু হাসপাতাল। যেখানে সাধারণ মানুষ তাঁদের পোষ্যদের কম খরচে কিংবা বিনা পয়সায় চিকিৎসা করাতে পারেন। তবে বর্তমানে বীরভূমের পশু হাসপাতালগুলির চিত্রটা একটু অন্যরকম। পোষ্যের মালিকদের অভিযোগ, অসুস্থ বা দুর্ঘটনায় জখম কুকুর, বিড়ালদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে ওষুধ তো মেলেই না। অধিকাংশ ক্ষেত্রে চিকিৎসকেরও দেখা পাওয়া যায় না। ফার্মাসিস্ট বলেন ওষুধ নেই। তবে প্রেসক্রাইব করে দিচ্ছেন। মোটা টাকা খরচ করে সেই ওষুধ বাইরে থেকে কিনতে হচ্ছে।
রামপুরহাট শহরের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা সুদীপকুমার সরকারের অভিযোগ, দু’দিন আগে তাঁর দোকানের সামনে একটি পথ কুকুরকে অটো ধাক্কা মারে। তার একটি পা গুরুতর জখম হয়। পশু হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে সাফ জানিয়ে দেন ওষুধ নেই। চিকিৎসা করতেও গড়িমসি করেন। পরে রামপুরহাট-১ ব্লক হাসপাতালে এসেও একই অবস্থার সম্মুখীন হতে হয়। অবশেষে বিডিওর হস্তক্ষেপে শহরের হাসপাতালে কুকুরটির একটি পা কেটে বাদ দিলেও প্রায় আড়াই হাজার টাকার ওষুধ কিনে দিতে হয়েছে। সুদীপবাবু বলেন, এমন অবস্থা চললে কেউ তো আর অসুস্থ বা জখম পথুকুকুরদের বাঁচাতে এগিয়ে আসবে না। স্থানীয় বাসিন্দাদের আরও অভিযোগ, সামান্য ভ্যাকসিনও মেলে না। পথুকুকুরদের চিকিৎসা পাওয়ার অধিকারও নিশ্চিত করা উচিত।
আরেক ব্যক্তি বলেন, এদিন রামপুরহাট শহরের পশু হাসপাতালে গিয়ে দেখি চিকিৎসক নেই। ফার্মাসিস্ট কাউন্টারে বসে গোরু, ছাগলের মালিকদের ওষুধ দিচ্ছেন। চিকিৎসক কোথায়, প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন ডাক্তারবাবুর বাবা অসুস্থ। তাই দিন তিনেক ধরে ছুটিতে রয়েছেন। কুকুর, বিড়ালদের ওষুধ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ২০২০ সালের জুলাই মাস থেকে এই হাসপাতালে রয়েছি। এতদিন কুকুর, বিড়ালদের ওষুধ আসতে দেখিনি। অন্যদিকে মুরারই-১ ব্লকের প্রাণিসম্পদ বিকাশ আধিকারিক অচিন্ত্য মহান্তি বলেন, আমাদের এখানে অন্য প্রাণীদের জন্য ওষুধ মেলে। এখানে কুকুরের চিকিৎসা তেমন হয় না। কিছু কৃমির ওষুধ কেনা হয়েছে। ছাগলের কিছু ওষুধ কুকুরের জন্য ব্যবহার করা হয়। কুকুরের জন্য নির্দিষ্ট ওষুধ নেই।
রামপুরহাট শহরের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা সুদীপকুমার সরকারের অভিযোগ, দু’দিন আগে তাঁর দোকানের সামনে একটি পথ কুকুরকে অটো ধাক্কা মারে। তার একটি পা গুরুতর জখম হয়। পশু হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে সাফ জানিয়ে দেন ওষুধ নেই। চিকিৎসা করতেও গড়িমসি করেন। পরে রামপুরহাট-১ ব্লক হাসপাতালে এসেও একই অবস্থার সম্মুখীন হতে হয়। অবশেষে বিডিওর হস্তক্ষেপে শহরের হাসপাতালে কুকুরটির একটি পা কেটে বাদ দিলেও প্রায় আড়াই হাজার টাকার ওষুধ কিনে দিতে হয়েছে। সুদীপবাবু বলেন, এমন অবস্থা চললে কেউ তো আর অসুস্থ বা জখম পথুকুকুরদের বাঁচাতে এগিয়ে আসবে না। স্থানীয় বাসিন্দাদের আরও অভিযোগ, সামান্য ভ্যাকসিনও মেলে না। পথুকুকুরদের চিকিৎসা পাওয়ার অধিকারও নিশ্চিত করা উচিত।
আরেক ব্যক্তি বলেন, এদিন রামপুরহাট শহরের পশু হাসপাতালে গিয়ে দেখি চিকিৎসক নেই। ফার্মাসিস্ট কাউন্টারে বসে গোরু, ছাগলের মালিকদের ওষুধ দিচ্ছেন। চিকিৎসক কোথায়, প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন ডাক্তারবাবুর বাবা অসুস্থ। তাই দিন তিনেক ধরে ছুটিতে রয়েছেন। কুকুর, বিড়ালদের ওষুধ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ২০২০ সালের জুলাই মাস থেকে এই হাসপাতালে রয়েছি। এতদিন কুকুর, বিড়ালদের ওষুধ আসতে দেখিনি। অন্যদিকে মুরারই-১ ব্লকের প্রাণিসম্পদ বিকাশ আধিকারিক অচিন্ত্য মহান্তি বলেন, আমাদের এখানে অন্য প্রাণীদের জন্য ওষুধ মেলে। এখানে কুকুরের চিকিৎসা তেমন হয় না। কিছু কৃমির ওষুধ কেনা হয়েছে। ছাগলের কিছু ওষুধ কুকুরের জন্য ব্যবহার করা হয়। কুকুরের জন্য নির্দিষ্ট ওষুধ নেই।



