সংবাদদাতা, সিউড়ি: দেশের মহাকাশ গবেষণায় এবার যুক্ত হতে চলছে বীরভূমের নাম। শুধু রকেট নয়, আকাশে বেলুন পাঠিয়েও মহাকাশ গবেষণার কাজ হয়। কিন্তু বেলুন উৎক্ষেপণের জন্য অনুকূল পরিবেশ চট করে পাওয়া যায় না। এবার বীরভূম জেলায় তৈরি হতে চলেছে বেলুন উৎক্ষেপণ কেন্দ্র। জেলা সদর সিউড়ি থেকে মাত্র কিলোমিটার দূরে ইন্ডিয়ান সেন্টার ফর স্পেস ফিজিক্সের উদ্যোগে তৈরি হতে চলছে এই কেন্দ্রটি। জেলার রাজনগর ব্লকের চন্দ্রপুরে ছয় বিঘা জমির ওপর এই মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্রটি তৈরি হচ্ছে। মঙ্গলবার একটি অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই গবেষণা কেন্দ্রের সূচনা হয়। সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সংস্থার ডিরেক্টর বিজ্ঞানী সন্দীপ চক্রবর্তী, বীরভূমের জেলাশাসক বিধান রায় সহ গবেষণার কাজে যুক্ত একাধিক আধিকারিক।
Advertisement
১৭৮৩ সাল থেকে গবেষণার জন্য আকাশে বেলুন পাঠানো শুরু হয়েছিল। মহাকাশ থেকে পৃথিবীতে আগত কসমিক রশ্মি, ব্ল্যাক হোল, রঞ্জন রশ্মি ইত্যাদি একাধিক জিনিস বেলুনের সাহায্যেই আবিষ্কার করা হয়েছিল। দেশ বিদেশের বহু বিজ্ঞানী বেলুনের সাহায্য নিয়ে মহাকাশ গবেষণা করে নোবেল পুরস্কারও পেয়েছেন। বিজ্ঞানীদের মতে, এই বেলুনের উচ্চতা হয় সর্বোচ্চ ১০০ ফুট এবং এতে সর্বোচ্চ ৬ কেজি ওজনের যন্ত্রপাতি আকাশে পাঠানো যায়। এর সাহায্যে আদিত্য এল-১ রকেট পাঠানো যন্ত্রপাতির মতো উচ্চক্ষমতা সম্পন্ন যন্ত্রপাতিও কম খরচে আকাশে পাঠাতে পারেন বিজ্ঞানীরা। আকাশে নির্দিষ্ট উচ্চতায় পৌঁছনোর পর বেলুনটি ফেটে যায় এবং বেলুনে পাঠানো যন্ত্রপাতি প্যারাসুটে করে ভূপৃষ্ঠে নেমে আসে। এই পাঁচ-ছ’ ঘণ্টার মধ্যেই বেলুন মহাকাশের যাবতীয় তথ্য সংগ্রহ করতে পারে। তারপর সেই তথ্য নিয়ে শুরু হবে গবেষণা। বেলুন উৎক্ষেপণের জন্য প্রয়োজন একটি বড় ময়দান, যার আশপাশে বড় নদী থাকবে না। সেদিক থেকে বেলুন উৎক্ষেপণের আদর্শ পরিবেশ রয়েছে বীরভূমের চন্দ্রপুরে।
এদিন সংস্থার ডিরেক্টর বলেন, মহাকাশে বেলুন পাঠিয়ে বহু গবেষণা ও আবিষ্কার হয়েছে। খুব কম খরচে মহাকাশ গবেষণার জন্য বেলুন অত্যন্ত ভালো উপায়। আমাদের স্থায়ী উৎক্ষেপণ কেন্দ্র আগে ছিল হায়দরাবাদে। এবার আমরা বীরভূমে চন্দ্রপুরে ছ’ বিঘা জায়গার ওপর এই গবেষণা কেন্দ্র তৈরি করা হচ্ছে। কয়েকদিনের মধ্যেই এখানে কাজ শুরু হবে। আগামী নভেম্বর মাসের মধ্যে কাজ শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে।
এদিন সংস্থার ডিরেক্টর বলেন, মহাকাশে বেলুন পাঠিয়ে বহু গবেষণা ও আবিষ্কার হয়েছে। খুব কম খরচে মহাকাশ গবেষণার জন্য বেলুন অত্যন্ত ভালো উপায়। আমাদের স্থায়ী উৎক্ষেপণ কেন্দ্র আগে ছিল হায়দরাবাদে। এবার আমরা বীরভূমে চন্দ্রপুরে ছ’ বিঘা জায়গার ওপর এই গবেষণা কেন্দ্র তৈরি করা হচ্ছে। কয়েকদিনের মধ্যেই এখানে কাজ শুরু হবে। আগামী নভেম্বর মাসের মধ্যে কাজ শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে।



