সংবাদদাতা, সিউড়ি: বীরভূমে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পে আরও প্রায় ২৪ হাজার নতুন আবেদন মঞ্জুর করল জেলা প্রশাসন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কয়েকদিন আগেই ঘোষণা করেছিলেন এই প্রকল্পের আওতায় আরও মহিলাকে আনা হবে। সেই মতোই প্রশাসন ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।
Advertisement
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই প্রকল্প রাজ্যে নজির সৃষ্টি করেছে। লক্ষ লক্ষ মহিলা এই প্রকল্পে মাসে মাসে আর্থিক সুবিধা পাচ্ছেন। মহিলাদের সম্মান বৃদ্ধি ও আর্থিকভাবে স্বনির্ভর করার জন্য মুখ্যমন্ত্রীর এই প্রকল্প দারুণ জনপ্রিয়। বর্তমানে অন্যান্য রাজ্যের সরকারও এই প্রকল্পের ধাঁচে মহিলাদের সুবিধা দেওয়ার চেষ্টা করছেন। রাজনৈতিক মহলের মতে, এই প্রকল্পের সুবিধা মহিলারা সরাসরি লাভ করছেন। তার ফলে মহিলারাও দু’হাত ভরে তৃণমূল সরকারকে আশীর্বাদ করছে। গত বিধানসভা ও লোকসভা নির্বাচনে রাজ্যের শাসকদলের জয়ের ক্ষেত্রে এই প্রকল্পের ভূমিকা অনেকখানি বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, বীরভূম জেলায় এই প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন ৪লক্ষ ৮৭ হাজার ৫৪৭ জন উপভোক্তা। অর্থাৎ, গড়ে ৯০ কোটি টাকা অনুদান এই জেলার মহিলাদের দিচ্ছে রাজ্য সরকার। তারপর আরও নতুন নাম নথিভুক্ত করার ঘোষণায় খুশির হাওয়া বীরভূম জেলায়। চলতি আর্থিক বছরে জেলায় নতুন করে ২৩ হাজার ৮৬৬ জন উপভোক্তাকে এই প্রকল্পে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে পঞ্চায়েত ও ব্লকস্তরে নতুন উপভোক্তাদের আবেদন জমা পড়ছে। সেই আবেদন ব্লকস্তরে খতিয়ে দেখার পর চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য জেলাস্তরে পাঠানো হচ্ছে। তারপর জেলাস্তরে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের মাধ্যমে সেই অনুমোদনে চূড়ান্ত সিলমোহর দেওয়া হচ্ছে। বীরভূমের জেলাশাসক বিধান রায় বলেন, রাজ্যের নির্দেশ মতো নতুন আবেদনকারীদের অনুমোদন দেওয়া হচ্ছে।
শাসকদলের নেতৃত্বের দাবি, বিধানসভা ভোটের আগে মুখ্যমন্ত্রী এই প্রকল্পের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। ভোট পেরিয়ে যেতেই তিনি প্রকল্পের সূচনা করেছিলেন। প্রথমে এই প্রকল্পে সাধারণ জাতিভুক্ত মহিলাদের ৫০০ টাকা এবং তফসিলি জাতি-উপজাতি মহিলাদের হাজার টাকা অনুদান দেওয়া হতো। পরে লোকসভা নির্বাচনের আগে সেই অনুদান বাড়িয়ে যথাক্রমে হাজার ও ১২০০ টাকা করা হয়েছে। এখন এই প্রকল্পে আরও উপভোক্তার সংখ্যা বাড়ানো হচ্ছে। অর্থাৎ, সাধারণ মানুষের কাছে প্রকল্পের চাহিদা বাড়ছে। মুখ্যমন্ত্রী কোনও রাজনৈতিক রং ছাড়াই সার্বিকভাবে রাজ্যের মহিলাদের জন্য এই প্রকল্পে সুবিধা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেছেন। এই প্রকল্পের সুবিধা পেয়ে খুশি এই জেলার মহিলারাও।
রাজনগরের বাসিন্দা সোনালি মুর্মু, তন্দ্রা দাস, সিউড়ির বাসিন্দা শতাব্দী কাহার, বন্দনা মাল বলেন, আমরা গৃহবধূ। সেই সঙ্গে বিভিন্ন টুকটাক কাজ করে সংসারে সাহায্য করি। এই প্রকল্পের আর্থিক সাহায্য আমাদের খুব উপকার করেছে। এই টাকায় সন্তানদের বা নিজেদের প্রয়োজন মেটানো যায়। অনেকের সংসার চালাতেও এই টাকা খুব সাহায্য করে।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, বীরভূম জেলায় এই প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন ৪লক্ষ ৮৭ হাজার ৫৪৭ জন উপভোক্তা। অর্থাৎ, গড়ে ৯০ কোটি টাকা অনুদান এই জেলার মহিলাদের দিচ্ছে রাজ্য সরকার। তারপর আরও নতুন নাম নথিভুক্ত করার ঘোষণায় খুশির হাওয়া বীরভূম জেলায়। চলতি আর্থিক বছরে জেলায় নতুন করে ২৩ হাজার ৮৬৬ জন উপভোক্তাকে এই প্রকল্পে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে পঞ্চায়েত ও ব্লকস্তরে নতুন উপভোক্তাদের আবেদন জমা পড়ছে। সেই আবেদন ব্লকস্তরে খতিয়ে দেখার পর চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য জেলাস্তরে পাঠানো হচ্ছে। তারপর জেলাস্তরে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের মাধ্যমে সেই অনুমোদনে চূড়ান্ত সিলমোহর দেওয়া হচ্ছে। বীরভূমের জেলাশাসক বিধান রায় বলেন, রাজ্যের নির্দেশ মতো নতুন আবেদনকারীদের অনুমোদন দেওয়া হচ্ছে।
শাসকদলের নেতৃত্বের দাবি, বিধানসভা ভোটের আগে মুখ্যমন্ত্রী এই প্রকল্পের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। ভোট পেরিয়ে যেতেই তিনি প্রকল্পের সূচনা করেছিলেন। প্রথমে এই প্রকল্পে সাধারণ জাতিভুক্ত মহিলাদের ৫০০ টাকা এবং তফসিলি জাতি-উপজাতি মহিলাদের হাজার টাকা অনুদান দেওয়া হতো। পরে লোকসভা নির্বাচনের আগে সেই অনুদান বাড়িয়ে যথাক্রমে হাজার ও ১২০০ টাকা করা হয়েছে। এখন এই প্রকল্পে আরও উপভোক্তার সংখ্যা বাড়ানো হচ্ছে। অর্থাৎ, সাধারণ মানুষের কাছে প্রকল্পের চাহিদা বাড়ছে। মুখ্যমন্ত্রী কোনও রাজনৈতিক রং ছাড়াই সার্বিকভাবে রাজ্যের মহিলাদের জন্য এই প্রকল্পে সুবিধা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেছেন। এই প্রকল্পের সুবিধা পেয়ে খুশি এই জেলার মহিলারাও।
রাজনগরের বাসিন্দা সোনালি মুর্মু, তন্দ্রা দাস, সিউড়ির বাসিন্দা শতাব্দী কাহার, বন্দনা মাল বলেন, আমরা গৃহবধূ। সেই সঙ্গে বিভিন্ন টুকটাক কাজ করে সংসারে সাহায্য করি। এই প্রকল্পের আর্থিক সাহায্য আমাদের খুব উপকার করেছে। এই টাকায় সন্তানদের বা নিজেদের প্রয়োজন মেটানো যায়। অনেকের সংসার চালাতেও এই টাকা খুব সাহায্য করে।



