নিজস্ব প্রতিনিধি, সিউড়ি: ঢাল নেই তরোয়াল নেই, নিধিরাম সর্দার। পর্যাপ্ত কর্মীর অভাবে বীরভূম জেলার জনশিক্ষা প্রসার ও গ্রন্থাগার পরিষেবা বিভাগের অবস্থা এমনই। অধিকাংশ পদই দীর্ঘদিন ধরে ফাঁকা। নিত্যনৈমিত্তিক কাজ সামাল দিতে গিয়ে হিমশিম একমাত্র আধিকারিক। গুরুত্বপূর্ণ কাজ দ্রুত শেষ করতে অনেক সময়ে ব্লক অফিস থেকে কর্মী চেয়ে পাঠাতে হয়। কিন্তু এভাবে আর কতদিন? খোদআধিকারিকের মুখেই এই প্রশ্ন। কাজকর্ম স্বাভাবিকভাবে পরিচালনার জন্য দ্রুত কর্মী নিয়োগের দাবি উঠছে।
Advertisement
তথ্য অনুসারে, জনশিক্ষা প্রসার বিভাগে মোট ১২টি পদ রয়েছে। তারমধ্যে ৮টি পদই ফাঁকা। এর মধ্যে হেড ক্লার্ক, টাইপিস্ট, আপার-লোয়ার ডিভিশন ক্লার্ক, নিরাপত্তা রক্ষী সহ একাধিক পদ রয়েছে। অন্যদিকে গ্রন্থাগার পরিষেবা বিভাগের মোট পদের সংখ্যা ৬টি। সেখানেও বেশিরভাগ পদ শূন্য রয়েছে। আপার-লোয়ার ডিভিশন ক্লার্ক সহ একাধিক পদ ফাঁকা। এই দুই বিভাগের গুরুদায়িত্ব একজন আধিকারিকের কাঁধেই। জনশিক্ষা প্রসার আধিকারিকই জেলা গ্রন্থাগার আধিকারিকের দায়িত্ব পালন করে চলেছেন। একজন পিয়ন সহ একজন করে আপার-লোয়ার ডিভিশন ক্লার্ক নিয়ে জনশিক্ষা প্রসার বিভাগ চলছে। অন্যদিকে, গ্রন্থাগার পরিষেবা বিভাগে ক্লার্ক কাম টাইপিস্ট ও পিয়নের সাহায্যে কাজ চলছে। এই পরিস্থিতিতে দুই বিভাগের কাজ সামালাতে গিয়ে একমাত্র আধিকারিকের কালঘাম ছুটছে। জরুরি পরিস্থিতিতে ব্লক অফিস থেকে কর্মী এনে কাজ সামাল দেওয়া হচ্ছে।
জনশিক্ষা প্রসার বিভাগের অধীনে জেলাজুড়ে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন পড়ুয়াদের তিনটি স্কুল রয়েছে। এছাড়াও একটি হোম রয়েছে। এক্ষেত্রেও কর্মী সঙ্কট ক্রমশ প্রকট হচ্ছে। বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন পড়ুয়াদের স্কুলগুলিতে সমস্যা দেখা দিয়েছে। স্কুলগুলিতে প্রতি ১০ জন ছাত্রের হিসেবে একজন শিক্ষক থাকার কথা। কিন্তু সেই অনুপাতে শিক্ষক নেই। একমাত্র হোমেও কর্মী সঙ্কট রয়েছে। এখানেই শেষনয়। গ্রন্থাগার পরিষেবা বিভাগের অধীনে থাকা লাইব্রেরি গুলিও কর্মী সঙ্কটে ধুঁকছে। জেলাজুড়ে মোট ১২৩টি লাইব্রেরি রয়েছে। তারমধ্য একটি জেলা লাইব্রেরি, ১০টি টাউন লাইব্রেরি ও ১১২টি গ্রামীণ লাইব্রেরি। প্রতি ক্ষেত্রেই কর্মীসঙ্কট প্রবল। এছাড়াও পরিকাঠামো ক্রমশ ভেঙে পড়ছে। সমস্যা সমাধানে উভয় বিভাগ সহ স্কুল, হোম ও লাইব্রেরি গুলিতে কর্মী নিয়োগ প্রয়োজন।
জনশিক্ষা প্রসার বিভাগের আধিকারিক গৌবিন্দ ভৌমিক গ্রন্থাগার পরিষেবা বিভাগের অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বলেন, কর্মী সঙ্কটের জেরে কাজ সামাল দেওয়া সম্ভব হয়ে উঠছে না। দ্রুত কর্মী নিয়োগ প্রয়োজন। বিষয়টি একাধিক বার দপ্তরে জানানো হয়েছে। কিন্তু আজও কোনও সুরাহা হল না।
জনশিক্ষা প্রসার বিভাগের অধীনে জেলাজুড়ে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন পড়ুয়াদের তিনটি স্কুল রয়েছে। এছাড়াও একটি হোম রয়েছে। এক্ষেত্রেও কর্মী সঙ্কট ক্রমশ প্রকট হচ্ছে। বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন পড়ুয়াদের স্কুলগুলিতে সমস্যা দেখা দিয়েছে। স্কুলগুলিতে প্রতি ১০ জন ছাত্রের হিসেবে একজন শিক্ষক থাকার কথা। কিন্তু সেই অনুপাতে শিক্ষক নেই। একমাত্র হোমেও কর্মী সঙ্কট রয়েছে। এখানেই শেষনয়। গ্রন্থাগার পরিষেবা বিভাগের অধীনে থাকা লাইব্রেরি গুলিও কর্মী সঙ্কটে ধুঁকছে। জেলাজুড়ে মোট ১২৩টি লাইব্রেরি রয়েছে। তারমধ্য একটি জেলা লাইব্রেরি, ১০টি টাউন লাইব্রেরি ও ১১২টি গ্রামীণ লাইব্রেরি। প্রতি ক্ষেত্রেই কর্মীসঙ্কট প্রবল। এছাড়াও পরিকাঠামো ক্রমশ ভেঙে পড়ছে। সমস্যা সমাধানে উভয় বিভাগ সহ স্কুল, হোম ও লাইব্রেরি গুলিতে কর্মী নিয়োগ প্রয়োজন।
জনশিক্ষা প্রসার বিভাগের আধিকারিক গৌবিন্দ ভৌমিক গ্রন্থাগার পরিষেবা বিভাগের অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বলেন, কর্মী সঙ্কটের জেরে কাজ সামাল দেওয়া সম্ভব হয়ে উঠছে না। দ্রুত কর্মী নিয়োগ প্রয়োজন। বিষয়টি একাধিক বার দপ্তরে জানানো হয়েছে। কিন্তু আজও কোনও সুরাহা হল না।



