সংবাদদাতা, বহরমপুর: যৌতুকের লক্ষাধিক টাকার বাইক দেওয়ার একদিন পরই তা কেড়ে নিয়ে স্ত্রীকে শ্বশুরবাড়িতে আটকে রাখায় অভিমানে আত্মঘাতী হলেন এক যুবক। পাশাপাশি বিয়ের আগে স্ত্রীর মামার কাছে নেওয়া ধারের টাকা শোধ না করলে প্রাণে মেরে ফেলারও হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। ওই যুবক শ্বশুরবাড়ি থেকে ফিরেই গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। বাবা দেখে ফেলায় দড়ি কেটে নামান। পরদিন সকালে আবার কীটনাশক খান। মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ১৩ দিন চিকিৎসার পর মঙ্গলবার মৃত্যু হয় ওই যুবকের। মৃতের নাম জুয়েল শেখ(২২)। বাড়ি রানিতলা থানা এলাকার শিবনগরে। মৃত যুবকের শ্বশুরবাড়িও ওই গ্রামেই। ঘটনাকে কেন্দ্র করে গ্রামে উত্তেজনা ছড়ায়। মামাশ্বশুরের বাড়িও শিবনগরেই। ঘটনার পর থেকেই এলাকা ছাড়া মৃতের মামাশ্বশুর। রানিতলা থানার পুলিস জানিয়েছে, লিখিত অভিযোগ এখনও হয়নি। পুলিস অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে।
Advertisement
মাস সাতেক আগে পেশায় পরিযায়ী শ্রমিক জুয়েল শেখের সঙ্গে গ্রামেরই ছন্দা বিবির বিয়ে হয়। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, ছন্দা বিবির আগে দুবার বিয়ে হয়েছিল। কিন্তু দু’টি বিয়েই টেকেনি। বিয়ের বছরখানের আগে জুয়েল শেখ ছন্দা বিবির মামার কাছ থেকে ৭০ হাজার টাকা ধার নিয়েছিলেন। তিনি জুয়েল শেখকে প্রস্তাব দেন ভাগ্নিকে বিয়ে করলে ধারের টাকা আর ফেরত দিতে হবে না। সেই প্রস্তাবে রাজি হয়েই ছন্দা বিবিকে বিয়ে করেন জুয়েল।
গত ২০ নভেম্বর জামাইকে তাঁর শ্বশুর একটি মোটরবাইক কিনে দেন। পরদিন সন্ধ্যায় সেই বাইকে স্ত্রীকে বসিয়ে শ্বশুরবাড়ি যান জুয়েল। সেখানে গিয়েই ঝামেলায় জড়ান। মৃতের কাকা সাইদুল শেখ বলেন, ভাইপোর মামাশ্বশুর ওই বাইকটি কেড়ে নেয়। ছন্দাকেও বাপের বাড়িতে আটকে রাখে। আর ধার নেওয়া টাকা সুদে আসলে দেড় লক্ষ দাবি করা হয়। এক মাসের মধ্যে টাকা দিতে না পারলে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকিও দেওয়া হয়। অভিমান ও ভয়ে ভাইপো আত্মঘাতী হয়েছে।
সেদিন রাতেই শ্বশুরবাড়ি থেকে ফিরে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। কিন্তু ঘর থেকে গোঙানির শব্দ শুনে মৃতের বাবা মইদুল শেখ দড়ি কেটে ছেলেকে বাঁচান। পরদিন সকালে বাজার থেকে কীটনাশক কিনে এনে খান জুয়েল। তাঁকে প্রথমে লালবাগ মহকুমা হাসপাতালে আনা হয়। ওখানকার চিকিৎসক তাঁকে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন। এরপর পরিবারের লোকজন তাঁকে বহরমপুরের একটি নার্সিংহোমে ভর্তি করেন। কিন্তু, নার্সিংহোমের খরচ চালাতে না পারায় গত রবিবার জুয়েলকে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালেই ভর্তি করে পরিবারের লোকজন। সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়। মৃতের অপর এক কাকা জইদুল শেখ বলেন, ভাইপো প্রাণনাশের হুমকিতে ভয়ে আত্মঘাতী হয়েছে। অভিযুক্তের কঠোরতম সাজা চাই।
গত ২০ নভেম্বর জামাইকে তাঁর শ্বশুর একটি মোটরবাইক কিনে দেন। পরদিন সন্ধ্যায় সেই বাইকে স্ত্রীকে বসিয়ে শ্বশুরবাড়ি যান জুয়েল। সেখানে গিয়েই ঝামেলায় জড়ান। মৃতের কাকা সাইদুল শেখ বলেন, ভাইপোর মামাশ্বশুর ওই বাইকটি কেড়ে নেয়। ছন্দাকেও বাপের বাড়িতে আটকে রাখে। আর ধার নেওয়া টাকা সুদে আসলে দেড় লক্ষ দাবি করা হয়। এক মাসের মধ্যে টাকা দিতে না পারলে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকিও দেওয়া হয়। অভিমান ও ভয়ে ভাইপো আত্মঘাতী হয়েছে।
সেদিন রাতেই শ্বশুরবাড়ি থেকে ফিরে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। কিন্তু ঘর থেকে গোঙানির শব্দ শুনে মৃতের বাবা মইদুল শেখ দড়ি কেটে ছেলেকে বাঁচান। পরদিন সকালে বাজার থেকে কীটনাশক কিনে এনে খান জুয়েল। তাঁকে প্রথমে লালবাগ মহকুমা হাসপাতালে আনা হয়। ওখানকার চিকিৎসক তাঁকে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন। এরপর পরিবারের লোকজন তাঁকে বহরমপুরের একটি নার্সিংহোমে ভর্তি করেন। কিন্তু, নার্সিংহোমের খরচ চালাতে না পারায় গত রবিবার জুয়েলকে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালেই ভর্তি করে পরিবারের লোকজন। সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়। মৃতের অপর এক কাকা জইদুল শেখ বলেন, ভাইপো প্রাণনাশের হুমকিতে ভয়ে আত্মঘাতী হয়েছে। অভিযুক্তের কঠোরতম সাজা চাই।



