নিজস্ব প্রতিনিধি, বহরমপুর: আগামী বৈশাখে দু’জনের বিয়ের কথা ছিল। প্রস্তুতিও শুরু করেছিল পরিবার। কিন্তু তার তিনমাস আগেই বাড়িতে ঢুকে প্রেমিকাকে শ্বাসরোধ করে খুনের অভিযোগ উঠল এক যুবকের বিরুদ্ধে। বুধবার দুপুরে ঘটনাটি ঘটেছে বেলডাঙার হরেকনগরের আন্ডিরন বাবুপাড়ায়। মৃতার নাম টুস্কি মণ্ডল (২১)। তিনি একটি কলেজের তৃতীয় বর্ষের ছাত্রী ছিলেন। দেহটি উদ্ধার করে পুলিস ময়নাতদন্তের জন্য মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছে।
Advertisement
পুলিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন দুপুরে টুস্কি বাড়িতে একাই ছিলেন। সেসময় তাঁর প্রেমিক বাড়িতে ঢোকে। তাদের মধ্যে কোনও বিষয় নিয়ে অশান্তি হয়। কিছুক্ষণ পর ওই যুবক বাইক নিয়ে বেরিয়ে যায়। স্টার্ট না হওয়ায় বাইকটি দ্রুত ঠেলে নিয়ে যায়। ঘটনার পর থেকে পলাতক ওই যুবক। পুলিসের অনুমান, যুবতীকে শ্বাসরোধ করে খুন করে অভিযুক্ত চম্পট দিয়েছে। বেলডাঙা থানার পুলিস ওই যুবকের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে।
জেলা পুলিসের এক আধিকারিক বলেন, ঘটনার তদন্ত চলছে। দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। পরিবারের তরফে বিকেল পর্যন্ত কোনও লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়নি। তবে ওই যুবকের খোঁজে তল্লাশি চলছে।
মৃত যুবতীর মা মিনতী মণ্ডল বলেন, বাড়িতে আমরা কেউ ছিলাম না। মেয়ে একাই ছিল। সেই সময় ওর প্রেমিক বাড়িতে ঢুকে মেয়েকে মেরে দিয়ে মোবাইল নিয়ে পালিয়েছে। বৈশাখ মাসে ওদের বিয়ে দেব বলেছিলাম। তারপরে এমন কেন করল, জানি না। ওদের মধ্যে কোনও ঝামেলা হয়েছিল মনে হয়। ঘটনার পর ওই ছেলেকে পালিয়ে যেতে দেখেছে পাড়ার লোক।
মৃতার দাদা দীপ মণ্ডল বলেন, আমি ক্যাটারিংয়ের কাজ করতে গিয়েছিলাম। বাড়িতে কেউ ছিল না। মা এসে দেখে, ঘরের চৌকিতে বোন পড়েছিল। পুলিসকে জানানো হলে ওকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসক জানিয়ে দেন, বোন মারা গিয়েছে। ওর সঙ্গে হালদারপাড়ার ওই ছেলেটির ভালোবাসার সম্পর্ক ছিল। বাড়িতে আমরা সকলেই বিষয়টি মেনে নিয়েছিলাম। ওদের বিয়ে ঠিক হয়েছিল। আমরা যখন বাড়িতে ছিলাম না, ওই ছেলেটি এসেছিল। পাড়ার লোক দেখেছে, ওই ছেলেটা আমার বাড়ি থেকে বেরিয়েছে।
প্রতিবেশী মিন্টু হাজরা বলেন, মেয়েটির গলায় নখের দাগ রয়েছে। আমাদের মনে হচ্ছে, ওর প্রেমিকই খুন করেছে। ছেলেটি বাড়িতে আসা যাওয়া করত। পাড়ার লোক আমরা সবাই দেখেছি।
জেলা পুলিসের এক আধিকারিক বলেন, ঘটনার তদন্ত চলছে। দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। পরিবারের তরফে বিকেল পর্যন্ত কোনও লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়নি। তবে ওই যুবকের খোঁজে তল্লাশি চলছে।
মৃত যুবতীর মা মিনতী মণ্ডল বলেন, বাড়িতে আমরা কেউ ছিলাম না। মেয়ে একাই ছিল। সেই সময় ওর প্রেমিক বাড়িতে ঢুকে মেয়েকে মেরে দিয়ে মোবাইল নিয়ে পালিয়েছে। বৈশাখ মাসে ওদের বিয়ে দেব বলেছিলাম। তারপরে এমন কেন করল, জানি না। ওদের মধ্যে কোনও ঝামেলা হয়েছিল মনে হয়। ঘটনার পর ওই ছেলেকে পালিয়ে যেতে দেখেছে পাড়ার লোক।
মৃতার দাদা দীপ মণ্ডল বলেন, আমি ক্যাটারিংয়ের কাজ করতে গিয়েছিলাম। বাড়িতে কেউ ছিল না। মা এসে দেখে, ঘরের চৌকিতে বোন পড়েছিল। পুলিসকে জানানো হলে ওকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসক জানিয়ে দেন, বোন মারা গিয়েছে। ওর সঙ্গে হালদারপাড়ার ওই ছেলেটির ভালোবাসার সম্পর্ক ছিল। বাড়িতে আমরা সকলেই বিষয়টি মেনে নিয়েছিলাম। ওদের বিয়ে ঠিক হয়েছিল। আমরা যখন বাড়িতে ছিলাম না, ওই ছেলেটি এসেছিল। পাড়ার লোক দেখেছে, ওই ছেলেটা আমার বাড়ি থেকে বেরিয়েছে।
প্রতিবেশী মিন্টু হাজরা বলেন, মেয়েটির গলায় নখের দাগ রয়েছে। আমাদের মনে হচ্ছে, ওর প্রেমিকই খুন করেছে। ছেলেটি বাড়িতে আসা যাওয়া করত। পাড়ার লোক আমরা সবাই দেখেছি।



