সংবাদদাতা, বহরমপুর: বিয়ের সাত দিনের মাথায় ঘাসমারা বিষ খেয়ে আত্মঘাতী হলেন এক যুবক। গত বৃহস্পতিবার বাড়িতে বিষ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন ওই যুবক। শনিবার সকালে বহরমপুরের এক নার্সিংহোমে যুবকের মৃত্যু হয়। মৃতের নাম আলামিন শেখ(২২)। বাড়ি নবগ্রাম থানার সিঙ্গার গ্রামে। পরিবারের দাবি, দাম্পত্য কলহের জেরেই আত্মহত্যা। কোনও অভিযোগ হয়নি বলেই জানিয়েছে পুলিস।
Advertisement
পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ১০ জানুয়ারি কান্দি থানার মহালন্দি গ্রামে এক যুবতীর সঙ্গে আলামিনের বিয়ে হয়। দুজনের মধ্যে ভালোবাসার সম্পর্ক ছিল। দুই পরিবার সেই সম্পর্কে মান্যতা দিয়েই বিয়েতে রাজি হয়েছিল। পরিবারের দাবি বিয়ের পাঁচ দিনের মাথায় ১৫ জানুয়ারি রাতে দুজনের মধ্যে মনোমালিন্য ও কথা কাটাকাটি হয়। পরদিন সকাল ১০টা নাগাদ ঘাসমারা বিষ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন ওই যুবক। তাঁকে প্রথমে নবগ্রাম ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ও পরে বহরমপুরের একটি নার্সিংহোমে ভর্তি করা হয়। সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়।
অন্য একটি ঘটনায় প্রেমিকা বিয়ে করতে রাজি না হওয়ায় কীটনাশক খেয়ে আত্মঘাতী হলেন এক যুবক। মৃত যুবকের নাম সাগির হোসেন(২১)। বাড়ি ইসলামপুর থানার টেঁকা রায়পুর। শুক্রবার সন্ধ্যায় মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যু হয় ওই যুবকের। ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে পরিবারে। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, পেশায় পরিযায়ী শ্রমিক ওই যুবক প্রতিবেশী এক যুবতীকে ভালোবাসতেন। দুই পরিবার বিয়েতে রাজিও হয়েছিল। আগামী সোমবার পাকা দেখার কথা ছিল। সেইমতো গত ১৫ জানুয়ারি ম্যাঙ্গালোর থেকে ফিরে আসেন সাগির। প্রেমিকার সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি বিয়েতে আপত্তি তোলেন। সেদিনই বাড়িতে কীটনাশক খান সাগির। উদ্ধার করে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে আনা হলে সেখানেই মৃত্যু হয়। ছেলের আত্মহত্যার চেষ্টার খবর পেয়ে বাবা হাফিজুল শেখ কেরল থেকে ফিরে এসেছেন। হাফিজুল সাহেব বলেন, আমরা বিয়েতে রাজি ছিলাম। ওরাও প্রথমে আপত্তি করেনি। পরে কেন আপত্তি তুলল জানি না।
অন্য একটি ঘটনায় প্রেমিকা বিয়ে করতে রাজি না হওয়ায় কীটনাশক খেয়ে আত্মঘাতী হলেন এক যুবক। মৃত যুবকের নাম সাগির হোসেন(২১)। বাড়ি ইসলামপুর থানার টেঁকা রায়পুর। শুক্রবার সন্ধ্যায় মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যু হয় ওই যুবকের। ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে পরিবারে। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, পেশায় পরিযায়ী শ্রমিক ওই যুবক প্রতিবেশী এক যুবতীকে ভালোবাসতেন। দুই পরিবার বিয়েতে রাজিও হয়েছিল। আগামী সোমবার পাকা দেখার কথা ছিল। সেইমতো গত ১৫ জানুয়ারি ম্যাঙ্গালোর থেকে ফিরে আসেন সাগির। প্রেমিকার সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি বিয়েতে আপত্তি তোলেন। সেদিনই বাড়িতে কীটনাশক খান সাগির। উদ্ধার করে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে আনা হলে সেখানেই মৃত্যু হয়। ছেলের আত্মহত্যার চেষ্টার খবর পেয়ে বাবা হাফিজুল শেখ কেরল থেকে ফিরে এসেছেন। হাফিজুল সাহেব বলেন, আমরা বিয়েতে রাজি ছিলাম। ওরাও প্রথমে আপত্তি করেনি। পরে কেন আপত্তি তুলল জানি না।



