সংবাদদাতা, ইটাহার: বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে নাবালিকার সঙ্গে প্রায় তিন বছর সহবাসের অভিযোগে গ্রেপ্তার হল যুবক। নাবালিকার পরিবার ইটাহার থানায় অভিযোগ দায়ের করার পর পকসো আইনে মামলা করেছে পুলিস।
Advertisement
স্থানীয় ও পুলিস সূত্রে খবর,ইটাহারের নাবালিকার সঙ্গে পাশের গ্রামের যুবকের প্রায় তিন বছর প্রেমের সম্পর্ক। মাঝেমধ্যেই নাবালিকাকে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরতে নিয়ে যেত যুবক। বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সে একাধিকবার সহবাস করে বলে অভিযোগ। প্রেমের কথা এলাকায় জানাজানি হওয়ার পর যুবককে কয়েকমাস ধরে বিয়ের জন্য চাপ দিচ্ছিল নাবালিকা। কিন্তু অভিযুক্ত নানা কারণ দেখিয়ে টালবাহানা শুরু করে এবং দূরত্ব বাড়াতে থাকে। গত ৫ নভেম্বর সন্ধ্যায় বিয়ে করবে বলে ওই যুবক ফোন করে নাবালিকাকে বাড়িতে ডাকে। নাবালিকা গেলে যুবক তাকে বাড়িতে রেখে পালিয়ে যায়। অভিযুক্তের এলাকার বাসিন্দাদের কাছ থেকে বিষয়টি জানতে পেরে রাতেই ওই গ্রামে যান নাবালিকার পরিজনরা। যুবকের বাবা, মা তাঁদের প্রতিশ্রুতি দেন ছেলের সঙ্গে বিয়ে দেবেন। এরপর নাবালিকাকে নিয়ে বাড়ি ফেরেন অভিভাবকরা। কিন্তু সকাল হতেই বেঁকে বসেন অভিযুক্তের বাবা, মা। ৬ নভেম্বর নাবালিকার পরিবার জানতে পারে মোটা পণের জন্য অভিযুক্তের অন্য জায়গায় বিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করছে। তারপরেই ইটাহার থানায় অভিযোগ জানান নাবালিকার পরিজনরা।
নাবালিকার বাবা বলেন, মেয়ের জীবন নষ্ট করেছে। বিচারের দাবিতে থানায় অভিযোগ করেছি। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে রায়গঞ্জ জেলা আদালতে পেশ করা হলে বিচারক ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন।
নাবালিকার বাবা বলেন, মেয়ের জীবন নষ্ট করেছে। বিচারের দাবিতে থানায় অভিযোগ করেছি। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে রায়গঞ্জ জেলা আদালতে পেশ করা হলে বিচারক ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন।



