নিজস্ব প্রতিনিধি, বর্ধমান: এবার সাইবার প্রতারকদের হাতিয়ার বিয়ের কার্ড! আমন্ত্রণপত্র পাঠানোর জন্য সোশ্যাল মিডিয়ায় বিশেষ ফাইলে কার্ড পাঠানোর চল চালু হয়েছে। সেটাকেই প্রতারকরা কাজে লাগাচ্ছে। তারা আমজনতার মোবাইলে পাত্র-পাত্রীর ছবি দেওয়া বিশেষ কার্ড পাঠাচ্ছে। তবে তা বিয়ের আমন্ত্রণপত্র নয়। তাতে ক্লিক করলেই বিপদে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। অজানা নম্বর থেকে আসা এধরনের লিঙ্ক না খোলার জন্য প্রচারে নামছে পুলিস। এক পুলিস আধিকারিক বলেন, সাইবার প্রতারকরা বিভিন্ন সময় নানা কৌশল অবলম্বন করে। বিয়ের মরশুম চলছে। এই সময়ে অনেকেই আমন্ত্রণ পান। প্রতারকরা আকর্ষণীয়ভাবে ফাইল তৈরি করেছে। সেখানে পাত্র-পাত্রীর নাম পরিচয় স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে। এক ঝলক দেখলে মনে হবে সেটা বিয়ের কার্ডই। অনেকেই আগ্রহী হয়ে তা খোলার চেষ্টার করবেন। কোনওভাবে সেই ফাইল ডাউনলোড হয়ে গেলে প্রতারকরা অ্যাকাউন্ট খোলার চাবিকাঠি পেয়ে যাবে। অতিরিক্ত পুলিস সুপার অর্ক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, অপরিচিত নম্বর থেকে আসা কোনও ফাইল বা লিঙ্ক ডাউনলোড করা উচিত নয়। এনিয়ে আমরা সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচার করেই থাকি। আগামী দিনেও তা করা হবে।
Advertisement
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, ভিনরাজ্যে এই কায়দায় প্রতারণা বেড়েছে। সেই কারণেই সচেতনতামূলক প্রচার করা হচ্ছে। প্রতারকরা বিভিন্ন কৌশলে লিঙ্ক পাঠায়। অনেক সময় চাকরি দেওয়ার আশ্বাসে তারা লিঙ্ক পাঠায়। আবার কখনও লটারিতে টাকা জেতার প্রলোভন দেখিয়েও তারা এধরনের লিঙ্ক পাঠিয়ে থাকে। লাগাতার প্রচারের ফলে অনেকে সচেতন হয়েছেন। বিয়ের কার্ডের আদলে লিঙ্ক পেলে অনেকেই ধন্দে পড়ে যাবেন। এই কৌশলে তারা ফায়দা তোলার চেষ্টা করছে।
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, সম্প্রতি সাইবার অপরাধীরা বেশ কয়েকজনকে ‘ডিজিটাল অ্যারেস্ট’ করতে চেয়ে ফোন করেছিল। তাদের মধ্যে একজন সরকারি আধিকারিক রয়েছেন। প্রতারকরা তাকে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা এজেন্সির আধিকারিক পরিচয় দিয়ে ফোন করেছিল। ধন্দে পড়ে তিনি এক পুলিস আধিকারিককে ফোন করেন। ওই আধিকারিক তাঁকে ফোন না ধরার পরামর্শ দেন। তারপরই তিনি রক্ষা পান। কিন্তু অনেকেই তাদের ফাঁদে পা দিয়েছে। আর এক পুলিস আধিকারিক বলেন, ডিজিটাল অ্যারেস্ট বলে কিছু হয় না। প্রতারকরা ভুয়ো পরিচয় দিয়ে প্রতারণার চেষ্টা করছে। এরকম ফোন কেউ পেলে সঙ্গে সঙ্গে থানায় যোগাযোগ করতে হবে। প্রতারকদের পুরনো কৌশল ভোঁতা হয়ে গিয়েছে। সেই কারণেই তারা নতুন নতুন পন্থা নিচ্ছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় আসা বিয়ের কার্ড খোলার আগে তা ভালোভাবে পরখ করা দরকার। তা না হলেই বিপদ নেমে আসতে পারে। এমনটাই জানিয়েছেন তদন্তকারীরা।
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, সম্প্রতি সাইবার অপরাধীরা বেশ কয়েকজনকে ‘ডিজিটাল অ্যারেস্ট’ করতে চেয়ে ফোন করেছিল। তাদের মধ্যে একজন সরকারি আধিকারিক রয়েছেন। প্রতারকরা তাকে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা এজেন্সির আধিকারিক পরিচয় দিয়ে ফোন করেছিল। ধন্দে পড়ে তিনি এক পুলিস আধিকারিককে ফোন করেন। ওই আধিকারিক তাঁকে ফোন না ধরার পরামর্শ দেন। তারপরই তিনি রক্ষা পান। কিন্তু অনেকেই তাদের ফাঁদে পা দিয়েছে। আর এক পুলিস আধিকারিক বলেন, ডিজিটাল অ্যারেস্ট বলে কিছু হয় না। প্রতারকরা ভুয়ো পরিচয় দিয়ে প্রতারণার চেষ্টা করছে। এরকম ফোন কেউ পেলে সঙ্গে সঙ্গে থানায় যোগাযোগ করতে হবে। প্রতারকদের পুরনো কৌশল ভোঁতা হয়ে গিয়েছে। সেই কারণেই তারা নতুন নতুন পন্থা নিচ্ছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় আসা বিয়ের কার্ড খোলার আগে তা ভালোভাবে পরখ করা দরকার। তা না হলেই বিপদ নেমে আসতে পারে। এমনটাই জানিয়েছেন তদন্তকারীরা।



