নিজস্ব প্রতিনিধি, আসানসোল: রাজ্য সরকার ও ডিভিসির সম্পর্ক তলানিতে। এই পরিস্থিতিতে বোরো চাষে পর্যাপ্ত জল মিলবে কি না, তা নিয়ে কৃষিদপ্তরের উদ্বেগ বাড়ছে। গত বছর নভেম্বর মাসেই বোরো চাষে কত জল ছাড়া হবে, তা নিয়ে বৈঠক হয়েছিল। এবছর রাজ্যের সঙ্গে ডিভিসির বৈঠক হয়নি। ডিভিসি’র ডাকা বৈঠকেও রাজ্যের প্রতিনিধি ছিলেন না। ফলে চাষের জল পাওয়া নিয়ে কৃষকদের চিন্তা বাড়ছে।
Advertisement
অভিযোগ, আসানসোলে পানীয় জলের সঙ্কট থাকলেও ডিভিসি পর্যাপ্ত জল ছাড়েনি। কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনস্থ ওই সংস্থা যেখানে পান করার জন্যই পর্যাপ্ত জল দিচ্ছে না, সেখানে চাষের জল পাওয়া নিয়ে বহু কৃষকের মনেই আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। দামোদর ভ্যালি রিজার্ভার রেগুলেটরি কমিটির মেম্বার সেক্রেটারির দাবি, রাজ্য সরকারের প্রতিনিধিরা তাঁদের ডাকা বৈঠকে হাজির হচ্ছেন না।
দক্ষিণবঙ্গে বোরো চাষের ক্ষেত্রে কৃষকদের ডিভিসির জলাধার থেকে ছাড়া জলের উপর অনেকটাই নির্ভর করতে হয়। পশ্চিম বর্ধমান জেলার ১২০০ একর জমিতে সেচনালার মাধ্যমে এই জল এসে পৌঁছয়। পূর্ব বর্ধমান, বাঁকুড়া জেলায় অনেক বেশি জমিতে সেচের জল পৌঁছয়। প্রতিবছর নভেম্বর মাসের শেষদিকে বৈঠক করে এনিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বর্ধমানের ডিভিশনাল কমিশনারের ডাকে বৈঠকে বিভিন্ন জেলার জেলাশাসকের পাশাপাশি ডিভিসির প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকেন।
কিন্তু এবার পরিস্থিতি যথেষ্ট জটিল। পুজোর আগে বন্যায় দক্ষিণবঙ্গের বিস্তীর্ণ এলাকা ভেসে গিয়েছিল। ডিভিসির মাইথন ও পাঞ্চেত বাঁধ থেকে লক্ষ লক্ষ কিউসেক হারে জল ছাড়া হয়েছিল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বন্যাকবলিত এলাকা পরিদর্শন করে ডিভিসির প্রতি ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন। তিনি ডিভিসির সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার কথাও বলেন। রাজ্যের দুই শীর্ষ আমলা ডিভিসির কমিটি থেকে পদত্যাগ করেন। তারপরই ডিভিসির সঙ্গে রাজ্যের শীতল সম্পর্ক অব্যাহত।
উৎসবের মরশুম পেরতেই আসানসোল শিল্পাঞ্চলজুড়ে পানীয় জলের সঙ্কট দেখা দেয়। অভিযোগ, ডিভিসি পর্যাপ্ত পানীয় জল না ছাড়ায় এই সঙ্কট দেখা দিয়েছে। যদিও ডিভিসি তা অস্বীকার করেছে। এই চাপানউতোরে সিঁদুরে মেঘ দেখছেন চাষিরা।
দমোদর ভ্যালি রিজার্ভার রেগুলেটরি কমিটির মেম্বার সেক্রেটারি শশী রাকেশ বলেন, নভেম্বর ও ডিসেম্বর মাসে বোরো চাষে কত জল ছাড়া হবে, হাইড্রেল চালাতে কত জল ছাড়া হবে-তা নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে বৈঠক হয়েছে। সেই বৈঠকে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের প্রতিনিধিদের অংশ নিতে অনুরোধ করা হলেও তাঁরা হাজির হননি। তা সত্ত্বেও আমরা পশ্চিমবঙ্গের বোরো চাষের জন্য দু’লক্ষ একর ফিট জল বরাদ্দ রেখেছি।
পশ্চিম বর্ধমানের কৃষিদপ্তরের ডেপুটি ডিরেক্টর(অ্যাডমিন) জাহিরুদ্দিন খান বলেন, অন্য সময়ে জল ছাড়া নিয়ে বৈঠক হয়ে যায়। আমাদের এলাকায় কাঁকসা ব্লকে ডিভিসির ছাড়া জলে বোরো ধান চাষ হয়। জেলাশাসক পোন্নমবলম এস বলেন, ডিভিশনাল কমিশনার বৈঠক ডাকেন। পুরো বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখব।
দক্ষিণবঙ্গে বোরো চাষের ক্ষেত্রে কৃষকদের ডিভিসির জলাধার থেকে ছাড়া জলের উপর অনেকটাই নির্ভর করতে হয়। পশ্চিম বর্ধমান জেলার ১২০০ একর জমিতে সেচনালার মাধ্যমে এই জল এসে পৌঁছয়। পূর্ব বর্ধমান, বাঁকুড়া জেলায় অনেক বেশি জমিতে সেচের জল পৌঁছয়। প্রতিবছর নভেম্বর মাসের শেষদিকে বৈঠক করে এনিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বর্ধমানের ডিভিশনাল কমিশনারের ডাকে বৈঠকে বিভিন্ন জেলার জেলাশাসকের পাশাপাশি ডিভিসির প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকেন।
কিন্তু এবার পরিস্থিতি যথেষ্ট জটিল। পুজোর আগে বন্যায় দক্ষিণবঙ্গের বিস্তীর্ণ এলাকা ভেসে গিয়েছিল। ডিভিসির মাইথন ও পাঞ্চেত বাঁধ থেকে লক্ষ লক্ষ কিউসেক হারে জল ছাড়া হয়েছিল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বন্যাকবলিত এলাকা পরিদর্শন করে ডিভিসির প্রতি ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন। তিনি ডিভিসির সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার কথাও বলেন। রাজ্যের দুই শীর্ষ আমলা ডিভিসির কমিটি থেকে পদত্যাগ করেন। তারপরই ডিভিসির সঙ্গে রাজ্যের শীতল সম্পর্ক অব্যাহত।
উৎসবের মরশুম পেরতেই আসানসোল শিল্পাঞ্চলজুড়ে পানীয় জলের সঙ্কট দেখা দেয়। অভিযোগ, ডিভিসি পর্যাপ্ত পানীয় জল না ছাড়ায় এই সঙ্কট দেখা দিয়েছে। যদিও ডিভিসি তা অস্বীকার করেছে। এই চাপানউতোরে সিঁদুরে মেঘ দেখছেন চাষিরা।
দমোদর ভ্যালি রিজার্ভার রেগুলেটরি কমিটির মেম্বার সেক্রেটারি শশী রাকেশ বলেন, নভেম্বর ও ডিসেম্বর মাসে বোরো চাষে কত জল ছাড়া হবে, হাইড্রেল চালাতে কত জল ছাড়া হবে-তা নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে বৈঠক হয়েছে। সেই বৈঠকে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের প্রতিনিধিদের অংশ নিতে অনুরোধ করা হলেও তাঁরা হাজির হননি। তা সত্ত্বেও আমরা পশ্চিমবঙ্গের বোরো চাষের জন্য দু’লক্ষ একর ফিট জল বরাদ্দ রেখেছি।
পশ্চিম বর্ধমানের কৃষিদপ্তরের ডেপুটি ডিরেক্টর(অ্যাডমিন) জাহিরুদ্দিন খান বলেন, অন্য সময়ে জল ছাড়া নিয়ে বৈঠক হয়ে যায়। আমাদের এলাকায় কাঁকসা ব্লকে ডিভিসির ছাড়া জলে বোরো ধান চাষ হয়। জেলাশাসক পোন্নমবলম এস বলেন, ডিভিশনাল কমিশনার বৈঠক ডাকেন। পুরো বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখব।



