সংবাদদাতা, গঙ্গারামপুর: হরিরামপুর ইটাখোর এলাকায় বাড়ির ভিতরে তৈরি হচ্ছে পঞ্চায়েত সমিতির সরকারি জল প্রকল্প। এতে ক্ষুব্ধ গ্রামবাসী। রাজ্য সরকার গ্রামীণ এলাকায় জনসাধারণের জন্য পানীয়জল ও শৌচালয়ের প্রকল্প নিয়েছে। হরিরামপুর ব্লকে তার ঠিক উল্টো চিত্র ধরা পড়ল। ব্যক্তিগতভাবে ব্যবহারের জন্য শৌচালয় ও পানীয় জলের প্রকল্পের কাজ প্রায় শেষের মুখে। বিষয়টি চাউর হতেই আলোড়ন পড়েছে এলাকায়। কী করে সরকারি প্রকল্প কারও বাড়ির ভিতরে বসতে পারে, প্রশ্ন অনেকেরই।
Advertisement
হরিরামপুর পঞ্চায়েত সমিতির দেওয়া ইটাখোর এলাকায় পানীয় জল প্রকল্পে দুটি মাত্র পরিবার উপকৃত হবে বলে অভিযোগ বাসিন্দাদের। এদিকে খারুয়া, ইটাখোর এলাকায় পঞ্চায়েত সমিতির পানীয়জল ও শৌচালয়ের সুবিধা থেকে বঞ্চিত বাসিন্দারা। পঞ্চায়েত সমিতি সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রায় ৪ লক্ষ টাকা বরাদ্দে পানীয়জল ও শৌচালয়ের কাজ হচ্ছে এলাকায়।
হরিরামপুর ব্লক তথা পঞ্চায়েত সমিতির এই কাজে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী। স্থানীয় বাসিন্দা ফেলেশ দেবশর্মা বলেন, আমাদের গ্রামে অনেক জায়গা রয়েছে। কারও সঙ্গে আলোচনা না করেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে পঞ্চায়েত সমিতি। রাজ্য সরকারের প্রকল্পের সুবিধে থেকে আমাদের বঞ্চিত করার চেষ্টা চলছে। হরিরামপুর পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য পঞ্চানন বর্মন বলেন, পানীয় জল প্রকল্পের জন্য জায়গা পাওয়া যাচ্ছিল না। সমিতি কাজটি ঠিকাদারদের দিয়ে এক ব্যক্তির বাড়িতে বসিয়ে দিয়েছে। বিষয়টি সভাপতিকে জানাব। এবিষয়ে সভাপতি প্রেমচাঁদ নুনিয়া বলেন, কোনও অভিযোগ পাইনি। কারও বাড়িতে জলপ্রকল্পের কাজ হচ্ছে বলে আমার জানা নেই।
হরিরামপুর ব্লক তথা পঞ্চায়েত সমিতির এই কাজে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী। স্থানীয় বাসিন্দা ফেলেশ দেবশর্মা বলেন, আমাদের গ্রামে অনেক জায়গা রয়েছে। কারও সঙ্গে আলোচনা না করেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে পঞ্চায়েত সমিতি। রাজ্য সরকারের প্রকল্পের সুবিধে থেকে আমাদের বঞ্চিত করার চেষ্টা চলছে। হরিরামপুর পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য পঞ্চানন বর্মন বলেন, পানীয় জল প্রকল্পের জন্য জায়গা পাওয়া যাচ্ছিল না। সমিতি কাজটি ঠিকাদারদের দিয়ে এক ব্যক্তির বাড়িতে বসিয়ে দিয়েছে। বিষয়টি সভাপতিকে জানাব। এবিষয়ে সভাপতি প্রেমচাঁদ নুনিয়া বলেন, কোনও অভিযোগ পাইনি। কারও বাড়িতে জলপ্রকল্পের কাজ হচ্ছে বলে আমার জানা নেই।



