Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

বারো বছরেও পুনর্বাসন পাননি উচ্ছেদ হওয়া ১৭০ জন ব্যবসায়ী

বারো বছরেও পুনর্বাসন পাননি উচ্ছেদ হওয়া ১৭০ জন ব্যবসায়ী
  • ৩ মার্চ, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
সংবাদদাতা, বহরমপুর: বারো বছরেও পুনর্বাসন পেলেন না বহরমপুরের ১৭০ জন ব্যবসায়ী। বহরমপুর পুরসভার কাছে পুনর্বাসনের আশ্বাস পেয়ে ওই ব্যবসায়ীরা ২০১৩ সালে রেলওয়ে ওভার ব্রিজের নির্মাণের জন্য দখলদারি ছেড়েছিলেন। পুনর্বাসনের জন্য পুর কর্তৃপক্ষ টিভি টাওয়ার সংলগ্ন রাস্তার পাশে দ্বিতল মার্কেট কমপ্লেক্সও করেছে। কিন্তু আজও ঘরের চাবি হস্তান্তর করা হয়নি। কোন অজ্ঞাত কারণে চাবি দেওয়া হচ্ছে না, তা নিয়ে এবার প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন ব্যবসায়ীরা। তাঁদের দাবি, আমরা পুরসভার তৈরি মার্কেট কমপ্লেক্সের দিকে তাকিয়ে চরম অসুবিধার মধ্যে দিন কাটাচ্ছি। বার বার পুর কর্তৃপক্ষের কাছে অনুনয় বিনয় করেছি। প্রতিবারই আমাদের কাছে তিন মাস,  ছ’ মাস সময় চেয়ে ঘোরানো হয়েছে। 
Advertisement
বহরমপুর পুরসভার চেয়ারম্যান নাড়ুগোপাল মুখোপাধ্যায় বলেন, বারো বছর এই তথ্য ভুল। অধীর চৌধুরী উচ্ছেদের পর ব্যবসায়ীরা আবার জায়গা দখল করে বসেছিলেন। ২০১৮ সালে মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে আমরা পুনর্বাসনের আশ্বাস দিয়ে মার্কেট কমপ্লেক্সের কাজ শুরু করি।  আশা করছি এপ্রিল মাসের মধ্যেই ব্যবসায়ীরা ঘর পেয়ে যাবেন। 
লালগোলা-শিয়ালদহ শাখার উপর বহরমপুরে রেলওয়ে ওভার ব্রিজ তৈরি ও অ্যাপ্রোচ রোডের জন্য ১৭০ জন জবর দখলকারীকে উচ্ছেদ করা হয়। ২০১৩ সালে তাঁদের পুনর্বাসন দেওয়া হবে বলে আরওবির দু’ পাশের দোকানদারদের সরানো হয়। ব্যবসায়ীদের দাবি, সেই সময়ে অধীর চৌধুরী আমাদের পুনর্বাসনের আশ্বাস দিয়েছিলেন। সেই আশ্বাসে ভরসা করেই জনস্বার্থে দোকান তুলে নিয়েছিলাম। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মিষ্টান্ন ব্যবসায়ী বলেন, সেদিন থেকেই জায়গা বদল করে করে ব্যবসা টিকিয়ে রেখেছি। আজও ঘর পেলাম না। তৃণমূল কংগ্রেস নির্বাচনে জিতে বহরমপুর পুরসভার দায়িত্ব পাওয়ার পর টিভি টাওয়ার রাস্তার পাশে মার্কেট কমপ্লেক্স শুরু করে। ওই এলাকায় বিল্ডিং তৈরির কাজ আইনি জটিলতায় কিছুদিন বন্ধ ছিল। সে জটিলতাও কেটেছে। তারপর উপর নীচে ১০৫টি করে ২১০টি ঘরের কাজও প্রায় সম্পূর্ণ হয়েছে। ব্যবসায়ীরা লটারির মাধ্যমে নির্দিষ্ট ঘরের মালিকানাও পেয়েছেন। কিন্তু দীর্ঘ সময় কেটে গেলেও ঘরের চাবি হাতে পাননি তাঁরা। ঘর না মেলায় ব্যবসায়ীদের মধ্যে অসন্তোষ জমতে শুরু করেছে। প্রশ্নও তুলতে শুরু করেছেন। হোটেল ব্যবসায়ী তাপস বিশ্বাস বলেন, কেন ঘরের চাপি পুরসভা হ্যান্ডওভার করছে না জানি না। ঘর কবে পাব জানতে বার বার পুরসভায় গিয়েছি। প্রতিবারই কিছু না কিছু বাহানা দেখিয়ে আমাদের ফেরানো হয়েছে। সুভাষ পান্ডে বলেন, এখন সেভাবে ব্যবসা করছি না। পুরসভার ঘরের দিকেই তাকিয়ে রয়েছি। আশাকরি পুরসভা ঘর দেবে।
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ