সংবাদদাতা, তেহট্ট: রবিবার রাতে করিমপুর থানার কানাইখালি এলাকায় কৃষ্ণনগর–করিমপুর রাজ্য সড়কে বাইক দুর্ঘটনায় চারজন মারা যায়। সেই ঘটনার সিসি ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, বাইকের গতিবেগ ছিল স্বাভাবিকের থেকে বেশি। সঙ্গে এক বাইকে থাকা চারজনের মাথায় ছিল না হেলমেট। এই ঘটনার পর সোমবার থেকে পুলিস দ্রুত গতির বাইক ও হেলমেট বিহীন এবং মদ্যপ চালকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে শুরু করেছে।
Advertisement
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার ছিল সরস্বতী পুজো। এদিন অনেক ছেলেই দ্রুত গতিতে বাইক চালিয়ে যাচ্ছিল। একইভাবে অনেকেই মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালাচ্ছিলেন। এমনকী বিভিন্ন দামি বাইকের সাইলেন্সার পাইপ কেটে বা পাল্টিয়ে শব্দ দূষণ ছড়ানোর অভিযোগ আছে বেশ কিছু চালকের বিরুদ্ধে। এই রকম বিভিন্ন কারণে তেহট্ট মহকুমার ছ’টি থানা এলাকায় ৬৫ জন বাইক চালকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করল পুলিস। প্রত্যেক চালকের কাছ থেকে দুই থেকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেছে পুলিস। এমনকী বেশ কয়েকটি ক্ষেত্রে মুচলেকা লিখিয়ে নিয়েছে পুলিস। অন্যদিকে রবিবারের ঘটনার পরে সাধারণ মানুষকে সচেতন করতে মঙ্গলবার দুর্ঘটনাস্থল করিমপুরের কানাইখালিতে পুলিসের পক্ষ থেকে ‘সেফ ড্রাইভ, সেভ লাইফ’ নিয়ে সচেতনতার প্রচার চালানো হয়। এদিনের প্রচারে উপস্থিত ছিলেন কৃষ্ণনগর পুলিস জেলার অতিরিক্ত পুলিস সুপার উত্তম ঘোষ, তেহট্টের এসডিপিও শুভতোষ সরকার সহ ট্রাফিক পুলিসের আধিকারিকরা। পুলিস জানিয়েছে, এদিন হেলমেট বিহীন প্রায় পঞ্চাশজন বাইক আরোহীকে সচেতন করা হয় এবং পুলিস তাদের একটি করে হেলমেট প্রদান করে। বিনা হেলমেটে বা মদ্যপ অবস্থায় বাইক সহ কোনও গাড়ি চালানো যাবে না বলে প্রচারে জানানো হয়। অভিভাবকদের উদ্দেশ্যে পুলিস জানায় যে, নাবালক ছেলে মেয়েদের হাতে যেন কখনও বাইকের চাবি না দেওয়া হয়। যদিও এলাকার মানুষের অভিযোগ, এমন দুর্ঘটনা যখনই হয়, তখনই পুলিস একটু নড়েচড়ে বসে। কয়েকদিন পর আবার সব বন্ধ হয়ে যায়। তাই সচেতনতার প্রচারের পাশাপাশি পুলিসের উচিত, বিভিন্ন রাস্তায় নাকা চেকিং করা এবং হেলমেট বা বৈধ কাগজপত্র বিহীন বাইক আরোহীকে আটক করে জরিমানা করা। তবেই রাস্তায় দুর্ঘটনা কমবে।
এ বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিস সুপার উত্তম ঘোষ বলেন, প্রত্যেক থানা এলাকায় পুলিস রাস্তায় নাকা চেকিং চালাবে। হেলমেট ছাড়া বা মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালালে পুলিস তাদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেবে। গাড়ি চালানোর সময় কানে মোবাইল বা হেডফোন থাকলেও জরিমানা করা হবে। প্রত্যেক পুলিস অফিসারকে নাকা চেকিং বাড়ানো এবং আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বলা হয়েছে।
এ বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিস সুপার উত্তম ঘোষ বলেন, প্রত্যেক থানা এলাকায় পুলিস রাস্তায় নাকা চেকিং চালাবে। হেলমেট ছাড়া বা মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালালে পুলিস তাদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেবে। গাড়ি চালানোর সময় কানে মোবাইল বা হেডফোন থাকলেও জরিমানা করা হবে। প্রত্যেক পুলিস অফিসারকে নাকা চেকিং বাড়ানো এবং আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বলা হয়েছে।



