সংবাদদাতা, তেহট্ট: জগদ্ধাত্রী পুজোর আগে বেপরোয়া বাইকচালকদের দৌরাত্ম্যে অতিষ্ঠ তেহট্ট ও পলাশীপাড়ার বাসিন্দারা। অভিযোগ, পুলিস তাদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নিচ্ছে না। জগদ্ধাত্রীপুজোর আগে বেপরোয়া বাইকচালকদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থার দাবি তুলেছেন সাধারণ মানুষ। তেহট্টের আইসি(ট্রাফিক) রঙ্গন সরকার বলেন, সরকারের ঘোষণামতো নানাভাবে মানুষকে বোঝানো হয়েছে। আইন মেনে জরিমানা ও কেস দেওয়াও হচ্ছে।
Advertisement
তেহট্ট ও পলাশীপাড়া থানা এলাকায় কয়েকমাসের মধ্যে বেশ কিছু বাইক দুর্ঘটনা ঘটেছে। সেই দুর্ঘটনায় বেশ কয়েকজনের মৃত্যু হয়েছে। অনেকে জখম হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে বাইক আরোহীদের পাশাপাশি পথচারীরাও রয়েছেন। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যাচ্ছে, বাইকচালকদের মাথায় হেলমেট ছিল না। কিছু তরুণ ও যুবক বিনা হেলমেটে প্রচণ্ড জোরে বাইক চালাচ্ছে। মাঝেমধ্যে দুর্ঘটনা ঘটলেও তারা সচেতন হচ্ছে না। রাস্তায় বাইক রেসের কারণে পথচারীদের আতঙ্কে থাকতে হয়। এমনকী, অনেক নাবালকও হেলমেট ছাড়া বেপরোয়াভাবে বাইক চালাচ্ছে। প্রশাসন অনেক প্রচার করলেও বেপরোয়া বাইকচালকরা কেউ তা গায়ে মাখছে না। তেহট্টের বাসিন্দা চন্দন বিশ্বাস বলেন, মাথায় হেলমেট ছাড়া বাইক চালানো কখনোই উচিত নয়। তেমনি স্পিড লিমিটের মধ্যে বাইক চালানো দরকার। কিন্তু সরকার বহু চেষ্টা করেও একশ্রেণির মানুষকে হেলমেট পরাতে পারল না।
অপর বাসিন্দা কাজল চট্টোপাধ্যায় বলেন, পথসভা, মিছিলের পাশাপাশি ফুল, বাতাসা, মিষ্টি, হেলমেট বিলি করে পুলিস ও প্রশাসন গান্ধীগিরিও করেছে। তাতেও বিশেষ লাভ হয়নি। এবার কড়া ব্যবস্থা দরকার।
এক পুলিসকর্মী বলেন, আমরা গাড়ি ধরলে কোনও নেতা ফোন করে জরিমানা না করে ছেড়ে দিতে বলেন। আগে বাইকচালক ও অভিভাবকদের সচেতন হওয়া দরকার।
অপর বাসিন্দা কাজল চট্টোপাধ্যায় বলেন, পথসভা, মিছিলের পাশাপাশি ফুল, বাতাসা, মিষ্টি, হেলমেট বিলি করে পুলিস ও প্রশাসন গান্ধীগিরিও করেছে। তাতেও বিশেষ লাভ হয়নি। এবার কড়া ব্যবস্থা দরকার।
এক পুলিসকর্মী বলেন, আমরা গাড়ি ধরলে কোনও নেতা ফোন করে জরিমানা না করে ছেড়ে দিতে বলেন। আগে বাইকচালক ও অভিভাবকদের সচেতন হওয়া দরকার।



