Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

বিপজ্জনক গাছ কাটা নিয়ে সেচ ও বনদপ্তরের মধ্যে দড়ি টানাটানি

বিপজ্জনক গাছ কাটা নিয়ে সেচ ও বনদপ্তরের মধ্যে দড়ি টানাটানি
  • ২৭ নভেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
সংবাদদাতা, হরিশ্চন্দ্রপুর: হরিশ্চন্দ্রপুর-২ ব্লকের মালিওর বাঁধরোডের দু’ধারে বিপজ্জনকভাবে দাঁড়িয়ে রয়েছে বড় বড় শুকনো মরা গাছ। সেগুলি ভেঙে পড়ে যখন তখন দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। এনিয়ে প্রশাসনকে জানিয়েও কোনও কাজ হয়নি বলে ক্ষুব্ধ স্থানীয় বাসিন্দারা। গাছগুলি কাটার কোনও উদ্যোগই নিচ্ছে না প্রশাসন। পাশাপাশি এনিয়ে সেচদপ্তর ও বনদপ্তরের মধ্যে দড়ি টানাটানি শুরু হয়েছে।
Advertisement
মালদহ জেলা পরিষদের কৃষি সেচ ও সমবায় কর্মাধ্যক্ষ রবিউল ইসলাম বলেন, আমি সেচদপ্তরকে বিষয়টি জানিয়েছি। বাসিন্দারা বলেন, মালিওর বাঁধ রোডের দু’ধারে ২০-২৫টি শুকনো গাছ দাঁড়িয়ে আছে। এই রাস্তা দিয়ে মালিওর ১, দৌলতনগর ও‌‌ ইসলামপুর পঞ্চায়েতের বাসিন্দারা যাতায়াত করেন। হরিশ্চন্দ্রপুর রেলস্টেশন, পোস্ট অফিস, থানা, হাসপাতাল ও ব্লক অফিসে এই রাস্তা দিয়ে যাওয়া আসা করতে হয়। পাশাপাশি স্থানীয় স্কুল-কলেজের ছাত্রছাত্রীরাও ওই রাস্তা ধরে যাতায়াত করে। গাছ ভেঙে পড়ে যে কোনও সময় বিপদ ঘটতে পারে। ভয়ে পথ চলতে হচ্ছে স্থানীয় বাসিন্দা থেকে শুরু করে নিত্যযাত্রীদের।
স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল মান্নান বলেন, পাঁচ বছর ধরে গাছগুলি শুকনো অবস্থায় দাঁড়িয়ে রয়েছে। বাঁধ রোডের ধারে আমাদের বাড়ি। বাড়ির উপর গাছ ভেঙে পড়লে প্রাণহানি হতে পারে। মালদহ জেলা সেচদপ্তরের এগজিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার সুবোধ গুড়িয়া বলেন, গাছ কাটার বিষয়টি বনদপ্তর দেখে থাকে। তবে বনদপ্তর স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করে সেচ দপ্তরের এনওসি নিয়ে গাছ কাটলে কোনও বাধা হবে না। বনদপ্তরের ভালুকা রেঞ্জের রেঞ্জার দিলীপ কুমার দাস বলেন, সেচদপ্তরের জমিতে গাছগুলি রয়েছে। সেচদপ্তর লিখিতভাবে বনদপ্তরকে জানালে তবেই গাছ কাটার বিষয়টি দেখা যাবে। সেচদপ্তরের পক্ষ থেকে এনিয়ে লিখিতভাবে জানানো হয়নি।
সম্পর্কিত সংবাদ