Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

বাপ-বেটা মিলে কাশির সিরাপের কারবার, ধৃত ১

বাপ-বেটা মিলে কাশির সিরাপের কারবার, ধৃত ১
  • ২৬ ডিসেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
সংবাদদাতা, লালবাগ: গত কয়েক মাস ধরে বাড়ি থেকেই চলছিল নিষিদ্ধ কাশির সিরাপের কারবার। পুলিসের পাশাপাশি প্রতিবেশীরাও ঘুণাক্ষরে তা জানতে পারেনি। সম্প্রতি ওই বাড়িতে দিনভর স্থানীয় ও পার্শ্ববর্তী এলাকার মানুষজনের যাতাযাতের বিষয়টি রানিতলা পুলিসের নজরে আসে। এরপরেই ওই বাড়ির যুবক আমজাদ শেখের গতিবিধির উপর নজরদারি শুরু হয়। অবশেষে মঙ্গলবার রাতে বেগুনডিহি এলাকা থেকে কাশির নিষিদ্ধ সিরাপ সহ আমজাদ শেখকে পুলিস গ্রেপ্তার করে। ধৃতকে বুধবার বহরমপুরে মাদক সংক্রান্ত বিশেষ আদালতে তোলা হলে বিচারক পাঁচদিনের পুলিস হেফাজতের নির্দেশ দেন। ভগবানগোলা এসডিপিও উত্তম গড়াই বলেন, ধৃত যুবক ও তার বাবা বাড়িতেই নিষিদ্ধ কাশির সিরাপের কারবার চালাচ্ছিল। সোর্স মারফত খবর পেয়ে ওইদিন বেগুনডিহি এলাকা থেকে ওই যুবককে পাকড়াও করা হয়। তার কাছ থেকে ১৭৪ বোতল কাশির নিষিদ্ধ সিরাপ বাজেয়াপ্ত করা হয়। তবে ওই যুবকের বাবা পলাতক। মাদক কারবারের আরও তথ্য জানতে ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। 
Advertisement
রানিতলা থানার পুলিস জানিয়েছে, সোর্স মারফত খবর ছিল মঙ্গলবার রাতে সরলপুর অঞ্চলের বেগুনডিহি দিয়ে মাদক পাচার হবে। সেইমতো ওইদিন সন্ধ্যার পর থেকে বেগুনডিহি এলাকায় নাকা তল্লাশি শুরু হয়। রাত সাড়ে ন'টা নাগাদ আমজাদ শেখ মাথায় বস্তা নিয়ে বাড়ির দিকে আসছিল। দূর থেকে রাস্তায় পুলিস দেখে সে উল্টো দিকে হাঁটতে শুরু করে। বিষয়টি কর্তব্যরত পুলিসের নজরে আসতেই তাকে দাঁড় করিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতেই কথাবার্তায় অসঙ্গতি লক্ষ্য করা যায়। এরপরেই বস্তা খুলতে বেরিয়ে আসে নিষিদ্ধ কাশির সিরাপ। পরে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। ধৃত যুবক জানিয়েছে, সীমান্ত এলাকার কারবারিদের থেকে নিষিদ্ধ কাশির সিরাপ নিয়ে এসে বাড়ি থেকে বিক্রি করত। জেলা পুলিসের এক আধিকারিক বলেন, বাংলাদেশে মাদক দ্রব্য হিসেবে বিশেষ ধরনের ওই কাশির সিরাপের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। কাঁটাতার পেরলেই ওপারে এই সিরাপের দাম বেড়ে চার থেকে পাঁচগুণ হয়। সেই কারণে মাদক কারবারিরা নিষিদ্ধ কাশির সিরাপের দিকে ঝুঁকছে।
সম্পর্কিত সংবাদ