সংবাদদাতা, কান্দি: সাপের কামড়ে অচৈতন্য যুবককে উদ্ধার করল বছর দশেকের এক নাবালক। বৃহস্পতিবারের ওই ঘটনা সালার থানার তালিবপুর মাঠের। সেখানকার সমস্তিপুর গ্রামের যুবক সঞ্জু খান এদিন ছাগলের জন্য ঘাস কাটতে গিয়ে সাপের কামড় খান। তারপর দীর্ঘক্ষণ অচৈতন্য অবস্থায় জমির আলে পড়ে ছিলেন। মোটরভ্যান চালক এক নাবালকের বিষয়টি নজরে আসতেই সে সঞ্জুকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসে।
যুবকের পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন সকাল ১১টা নাগাদ ওই যুবক মাঠে ছাগলের ঘাস কাটতে গিয়েছিলেন। সেখানেই তাঁকে সাপে কামড়ায়। পাটের জমির আলে অচৈতন্য অবস্থায় পড়ে থাকেন তিনি। দুপুর পৌনে ১টা নাগাদ ওই নাবালক একটি মোটরভ্যান চালিয়ে সালারের দিকে আসছিল। নাবালকের বাড়ি স্থানীয় বড়খড়ি গ্রামে। নাবালক জানায়, ভ্যান চালানোর সময় দেখতে পাই কে যেন আলের পাশে পড়ে আছে। আমি ভ্যান থামিয়ে ওঁর কাছে গিয়ে ডাকাডাকি করি। কিন্তু সাড়া পাইনি। এরপর মাঠে ‘কে আছ গো’ বলে চিৎকার করি। ওকে টানতে টানতে ভ্যানের কাছে নিয়ে আসার চেষ্টা করি। এই সময়ে একজন চাষি এসে সাহায্য করলে ওকে সালার গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এদিকে ওই যুবকের অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে। যুবকের বাবা রবিউল খান বলেন, ঘটনার কথা জানতে পেরে আমি হাসপাতালে ছুটে আসি। ধন্যবাদ জানাই ওই নাবালককে। সময়মতো ও না পৌঁছলে খারাপ খবরও শুনতে পেতাম। ওই নাবালকের সঙ্গে আসা চাষি আলিম শেখ বলেন, নাবালকের সাহস আছে বটে। ছোট ছেলে হয়েও বড় কাজ করেছে। তবে পুলিসের ভয় ওকে তাড়া করেছিল। নিজের নাম পরিচয়ও দিতে চায়নি। ভ্যান চালানোর সময় আমাকে বলছিল, চাচা তুমি শুধু ওর বাড়িতে একবার খবর দাও।