Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

এক বছরের মধ্যে বাড়ি চায় বউবাজার, ‘ক্ষতি’ নিয়ে মেট্রোকে জানাল পুরসভা

আগামী এক বছরের মধ্যে বউবাজারে মেট্রো বিপর্যয়ে ক্ষতিগ্রস্তদের বাড়ি তৈরি করে দিতে বলল কলকাতা পুরসভা। সোমবার কলকাতা মেট্রো রেল কর্পোরেশন লিমিটেডের (কেএমআরসিএল) সঙ্গে বৈঠকে এ কথা বলেন কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম।

এক বছরের মধ্যে বাড়ি চায় বউবাজার, ‘ক্ষতি’ নিয়ে মেট্রোকে জানাল পুরসভা
  • ২৬ আগস্ট, ২০২৫ ১৫:০৮
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: আগামী এক বছরের মধ্যে বউবাজারে মেট্রো বিপর্যয়ে ক্ষতিগ্রস্তদের বাড়ি তৈরি করে দিতে বলল কলকাতা পুরসভা। সোমবার কলকাতা মেট্রো রেল কর্পোরেশন লিমিটেডের (কেএমআরসিএল) সঙ্গে বৈঠকে এ কথা বলেন কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম। পাশাপাশি তৈরি হওয়া বাড়িগুলির উপর আগামী ১০ বছর নজরদারি চালাবে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়। তাদের এ দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে, বৈঠক শেষে জানান মেয়র। 

Advertisement

গত সপ্তাহে ইস্ট ওয়েস্ট করিডরের এসপ্ল্যানেড থেকে শিয়ালদহ রুটে মেট্রো চলাচল শুরু হয়েছে। অন্যদিকে গত ছ’বছর ধরে বউবাজারে মেট্রো বিপর্যয়ের জেরে বাস্তুহারা বাসিন্দারা এখনও মাথার উপর ছাদ ফিরে পাননি। এই পরিস্থিতিতে মেট্রো উদ্বোধনের দিন কালো পতাকা দেখিয়ে, কালো ব্যাজ পরে এবং থালা বাজিয়ে প্রতিবাদ জানান সেখানকার বাসিন্দারা। গত বছর পুরসভা ওই জায়গায় ২৪টি বাড়ি নতুন করে নির্মাণের অনুমোদন দিয়েছিল। কিন্তু মাত্র একটি বাড়ির কাজ শুরু করেছে মেট্রো। বিক্ষোভস্থলে গিয়ে গত সপ্তাহে এই বিষয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ফিরহাদ হাকিম জানিয়েছিলেন, কেএমআরসিএল কর্তৃপক্ষকে বৈঠকে ডাকবেন তিনি। সেই পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার ডাকা হয় বৈঠক। জানা গিয়েছে, বৈঠকে মেট্রোর আধিকারিকরা জানান ২০২৭ সালের সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাসের মধ্যে সমস্ত বাড়ি তৈরি করে দেওয়া হবে। কিন্তু মেয়র তাঁদের বলেন, অনেক হয়েছে। আগামী বছর, ছাব্বিশের সেপ্টেম্বর-অক্টোবরের মধ্যেই বাড়ি বানিয়ে দিন। যার পরিপ্রেক্ষিতে মেট্রোর অফিসাররা পানীয় জল, নিকাশি সংযোগ সহ নানা বিষয়ের জটিলতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। সেই বিষয়গুলি অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে মেটানোর জন্য পুরসভার অফিসারদের নির্দেশ দেন মেয়র। পরে সাংবাদিক বৈঠকে তিনি বলেন, ‘বউবাজারের ক্ষতিগ্রস্ত বাসিন্দা, স্থানীয় কাউন্সিলার, বিধায়ককে নিয়ে বৈঠকে বসেছিলাম আমরা। সঙ্গে মেট্রোও ছিল। ওরা বিল্ডিং তৈরির কাজ অক্টোবরে শুরু করবে। আগামী বছরের মধ্যে সব বিল্ডিং তৈরি করতে বলা হয়েছে। তিন মাস অন্তর রিপোর্ট দেবে। আমিও কিছু পরামর্শ দিয়েছি। আমাদের পক্ষ থেকে নিকাশি এবং জল সরবরাহের কাজ বাড়ি তৈরি হলে অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে করে দেওয়া হবে।’ এর পাশাপাশি ঠিক হয়েছে, মেট্রো ও পুরসভার তরফে আগামী ১০ বছরের জন্য যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষজ্ঞদের দায়িত্ব দেওয়া হবে। তারা বাড়িগুলি তৈরি হয়ে যাওয়ার পর সেগুলির উপর পর্যবেক্ষণ চালাবেন। কোনও বিপর্যয় ঘটলে তার দায়িত্ব কেএমআরসিএল নেবে বলে জানান ফিরহাদ হাকিম।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ