নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: শুক্রবার সকাল থেকে বৃষ্টি। মানুষের ভোগান্তি চরমে। নর্দমা উপচে জল উঠে গিয়েছে রাস্তায়। জল জমার কারণ খুঁজতে গিয়ে দেখা গিয়েছে, নর্দমা ভর্তি হয়ে রয়েছে প্লাস্টিক ও জলের বোতলে। এর ফলে অবরুদ্ধ হয়ে যাচ্ছে নিকাশি। বারাসত, মধ্যমগ্রাম, হাবড়া, অশোকনগর কিংবা বসিরহাট, ছবিটা মোটামুটি একইরকম। প্রশাসন জমা জল মুক্ত করার কাজ শুরু করেছে বলে জানা গিয়েছে।
নিম্নচাপের জেরে শুক্রবার সকাল থেকে বৃষ্টি। বারাসত, মধ্যমগ্রাম, হাবড়া, গোবরডাঙা, বসিরহাট, টাকি অশোকনগর পুরসভার কয়েকটি ওয়ার্ডের একাংশ জলমগ্ন। জল সরাতে বসানো হয় পাম্প। জঞ্জাল বিভাগের কর্মীদের নিয়ে মধ্যমগ্রাম চৌমাথায় আন্ডারগ্রাউন্ড ‘জ্যাক পুশ’ ড্রেন সাফাই অভিযানের তদারকি করেন পুরসভার চেয়ারম্যান নিমাই ঘোষ। এর পাশাপাশি বারাসত মেডিক্যাল কলেজের মূল দরজার সামনের রাস্তা জলমগ্ন হয়ে পড়ে। প্রায় হাঁটুর কাছাকাছি জল জমে যায়। রোগী এবং রোগীর পরিবারকে দুর্ভোগের মুখে পড়তে হয়। জলযন্ত্রণা ভোগ করতে হয় বারাসত শহরের বাসিন্দাদেরও। শহরের বেশিরভাগ ওয়ার্ডে জল জমে যায়। মধ্যমগ্রাম পুরসভার ১১, ২২ সহ একাধিক ওয়ার্ডে জল জমে। মধ্যমগ্রাম-সোদপুর রোডের দু’পাশের ওয়ার্ডের এবং বারাসতের কিছু অংশের জল হাই ড্রেন দিয়ে চৌমাথায় আন্ডারগ্রাউন্ড ‘জ্যাক পুশ’ দিয়ে যশোর রোড হয়ে নোয়াই খালে গিয়ে পড়ে। ওই ‘জ্যাক পুশ’ ড্রেনে টানা বৃষ্টিতে আবর্জনা জমেছে কি না দেখতে তদারকিতে যান চেয়ারম্যান। দেখেন নর্দমায় পড়ে রয়েছে প্লাস্টিকের সামগ্রী ও জলের বোতল। তিনি বলেন, মানুষের সচেতনার অভাব থাকার কারণেই সমস্যা বেড়েছে। তবে এদিন সকাল থেকে যেভাবে বৃষ্টি হয়েছে তাতে কিছুই করার নেই। আমরা দ্রুত জল নিকাশির ব্যবস্থা করেছি। নিজস্ব চিত্র