নিজস্ব প্রতিনিধি, মারগাও: ইস্ট বেঙ্গলের প্রাক্তনী। ২০২৪ সালে লাল-হলুদ ব্রিগেডকে সুপার কাপ জেতানোর অন্যতম নায়কও। কিন্তু টুর্নামেন্ট জয়ের পর তাঁকে ছেড়ে দেয় কলকাতার ক্লাবটি। জার্সি বদল হলেও সাফল্যের পথ ভোলেননি বোরহা। গতবার এফসি গোয়ার হয়েও জেতেন সুপার কাপ। আর এবার ফাইনালে তাঁর দল। প্রতিপক্ষ প্রাক্তন দল ইস্ট বেঙ্গল। বোরহা হেরেরা কি পারবেন হ্যাটট্রিক পূর্ণ করতে? উত্তর লুকিয়ে সময়ের গর্ভে। তবে এটা নিশ্চিত, পুরোনো দলের বিরুদ্ধে সেরা পারফরম্যান্স মেলে ধরতে মরিয়া তিনি। ফাইনালে নামার আগে একান্ত সাক্ষাত্কারে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে অকপট বোরহা।
প্রশ্ন: আরও একবার সুপার কাপের ফাইনাল খেলবেন আপনি। অনুভূতিটা কীরকম?
বোরহা: অনুভূতি প্রকাশের ভাষা নেই। এবার পাখির চোখ শুধু কাপে। জানি, ইস্ট বেঙ্গল শক্তিশালী প্রতিপক্ষ। তবে আমরা এক ইঞ্চিও জমি ছাড়ব না।
প্রশ্ন: তাহলে খেতাব জয়ের হ্যাটট্রিক কি স্রেফ সময়ের অপেক্ষা?
বোরহা: (হেসে) অবশ্যই। খেতাবের জন্য জান লড়িয়ে দেব।
প্রশ্ন: ফাইনালে প্রতিপক্ষ আপনার প্রাক্তন দল। লড়াইটা কীভাবে দেখছেন?
বোরহা: আগেই বললাম, ইস্ট বেঙ্গল খুবই শক্তিশালী দল। সুপার কাপে দারুণ ছন্দে আছে। প্রতিনিয়ত উন্নতি করছে তারা। তাই ফাইনালে কঠিন চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে।
প্রশ্ন: প্রতিপক্ষের মিডফিল্ড ত্রয়ী রশিদ-সাউল-মিগুয়েলকে নিয়ে কী বলবেন?
বোরহা: প্রত্যেকেই অসাধারণ ফুটবলার। আর এটা আইএসএল নয়। তাই ছয় বিদেশি খেলানো যাবে। ফাইনালে ওদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য মুখিয়ে রয়েছি।
প্রশ্ন: সাউল তো আপনার বন্ধু। ওর সঙ্গে ডুয়েলের জন্য তৈরি তো?
বোরহা: (হেসে) মাঠে কেউ কাউকে ছেড়ে কথা বলব না। তবে ফাইনালের পর আবার বন্ধু। ইচ্ছে আছে, দু’জনে একদিন কফি খেতে যাব।
প্রশ্ন: ক্যাপ্টেন গোয়ারোটক্সেনার লাল কার্ডের ব্যাপারে কী বলবেন?
বোরহা: ম্যাচ শুরুর আগেই লাল কার্ড! আমার দীর্ঘ কেরিয়ারে প্রথমবার দেখলাম। বাকি ঘটনা নিয়ে মন্তব্য নিষ্প্রয়োজন।
প্রশ্ন: আপনি ভরা যুবভারতীতেও খেলেছেন। এখন খেলছেন ফাতোরদাতে । কলকাতা ও গোয়ার সমর্থকদের মধ্যে পার্থক্য কোথায়?
বোরহা: পার্থক্য আছেই। গোয়ানিজদের থেকে বাঙালিরা অনেক আলাদা। গ্যালারিতেও তার প্রতিফলন ঘটে। তবে দুই টিমের সমর্থকরাই খুব আবেগপ্রবণ। ফুটবলকে জীবন দিয়ে ভালোবাসে।