সংবাদদাতা, বর্ধমান: গলসি থানার কাশপুরে দামোদর নদ থেকে একজন ইঞ্জিনিয়ারিং ছাত্রের দেহ উদ্ধার হওয়ার খুনের মামলা রুজু করা হয়েছে। এনিয়ে মৃতের বাবা গলসি থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। তার ভিত্তিতে মামলা রুজু করে তদন্তে নেমেছে গলসি থানার পুলিস। ঘটনায় এক তান্ত্রিক ও মৃতের বন্ধুর নাম জড়িয়েছে। যদিও এখনও কাউকে গ্রেপ্তার করেনি পুলিস। থানার এক অফিসার বলেন, অভিযোগ পেয়ে নির্দিষ্ট ধারায় কেস রুজু হয়েছে। তদন্ত চলছে।
গত ২৮মে গলসি থানার কৈতাড়া গ্রামের ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ুয়া মঙ্গলদীপ ঘোষের(২৫) দেহ কাশপুরে দামোদর নদ থেকে উদ্ধার হয়। সেই সময় স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছ থেকে জানা যায়, দামোদরে এক বন্ধুর সঙ্গে স্নান করতে নেমে জলে তলিয়ে যায় মঙ্গলদীপ। তাঁর বন্ধু অবশ্য সাঁতরে পাড়ে উঠে যায়। পুলিসের কাছে লিখিত অভিযোগে মৃতের বাবা মধুসূদন ঘোষ জানিয়েছেন, ঘটনার দিন চারেক আগে থেকে গ্রামের একটি বাড়িতে বাঁকুড়া জেলার পাত্রসায়র থানার পারুলিয়া গ্রামের এক তান্ত্রিক এসে যজ্ঞ ও পূজার্চনা করছিল। ২৮মে সকাল ৮টা ১৫ নাগাদ মঙ্গলদীপের কাছে একটি ফোন আসে। ফোন পেয়ে বাড়ির কাউকে কিছু না বলে বেরিয়ে পড়েন মঙ্গলদীপ। সেদিনই বেলা ১২টা নাগাদ পাড়া-প্রতিবেশীদের কাছ থেকে তাঁর ছেলে দামোদরে তলিয়ে গিয়ে মারা গিয়েছেন বলে জানতে পারেন তিনি। প্রতিবেশীরা তাঁকে জানান, ওই তান্ত্রিক ও পরিবারের একজন যজ্ঞের ফুল ফেলার জন্য মঙ্গলদীপকে নিয়ে কাশপুরে দামোদরে যায়। সেই সময় জলে তলিয়ে যায় মঙ্গলদীপ। তাঁর ছেলেকে ষড়যন্ত্র করে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ মৃতের বাবার।