কাঠমাণ্ডু: হড়পা বানে নেপালে মৃতের সংখ্যা এক হাজার ছাড়াল। মঙ্গলবার নেপালের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এখনও পর্যন্ত ১ হাজার ৩ জনের দেহ উদ্ধার হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ৩২১টি দেহ মিলেছে চিতওয়ান জেলা থেকে। এছাড়াও নাওয়ালপার্সি পূর্ব জেলা থেকে ২১৬ জন এবং নাওয়ালপার্সি পশ্চিম জেলা থেকে ১৭০টি দেহ উদ্ধার হয়েছে। প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের ছয়দিন পরেও ধ্বংসংস্তূপ থেকে দেহ খুঁজে পাচ্ছেন উদ্ধারকারীরা। তাই মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। দেশের বেশ কয়েকটি নদীতে জলস্তর বাড়তে শুরু করেছে। তাই তীরবর্তী বাসিন্দাদের সতর্ক থাকতে বলেছে প্রশাসন। রাসুয়া এবং নুয়াকোটে হড়পা বানের সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
এখনও পর্যন্ত নিখোঁজ ৪ হাজারেরও বেশি। তাদের মধ্যে ৫৮৩ জনই বিদেশি নাগরিক।খোঁজ মেলেনি নেপালের ৪৫ সেনাকর্মী এবং ২৫ জন পুলিশের। নেপালের ন্যাশনাল ডিজাস্টার রিস্ক রিডাকশন অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অথরিটি (এনডিআরআরএমএ) জানিয়েছে, বন্যা কবলিত ১১ হাজার ৮৮৪ জনকে উদ্ধার করে নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ২১ হাজারের বেশি কর্মী তল্লাশি এবং উদ্ধারের কাজ চালাচ্ছেন। উদ্ধারের কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে হেলিকপ্টার। বহু মানুষ এখনও দুর্গম জায়গায় আটকে রয়েছেন। তাঁদের হেলিকপ্টার থেকে ত্রাণ বিলি করা হচ্ছে। রাসুয়া, নুয়াকোট এবং ধাদিং জেলায় বিপর্যয়ের পর কাঠমাণ্ডুগামী ত্রিভূবন এবং পৃথ্বী হাইওয়েতে যানবাহনের চাপ বেড়েছে। এই অবস্থায় চাপ কমাতে ওয়ানওয়ে ট্রাফিক রুল চালু করল সরকার।
নতুন নিয়ম অনুযায়ী ১৪ সিটের থেকে বড় যাত্রীবাহী গাড়িকে কাঠমাণ্ডু থেকে হিতায়দু যাওয়ার জন্য ফারপিং-ফাকহেল-কুলেকহানি-ভিমফেরি পথ ব্যবহার করতে হবে। হিতায়দু থেকে কাঠমাণ্ডু যাওয়ার জন্য ধরতে হবে ভিমফেরি-কুলেকহানি-সিসনেরি- দক্ষিণাকালী পথ। তবে ১০ চাকার থেকে বড় পণ্যবাহী গাড়িগুলিকে কাঠমাণ্ডু যাওয়ার জন্য ধরতে হবে ত্রিভূবন হাইওয়ে। ফিরতি পথের জন্য কান্তি হাইওয়ে।