নয়াদিল্লি: টেস্ট সিরিজে প্রোটিয়াদের বিরুদ্ধে ধরাশায়ী হয়েছে টিম ইন্ডিয়া। কাঠগড়ায় কোচ গৌতম গম্ভীর। কোচের ভূমিকা নিয়ে সোশ্যাল সাইটেও তীব্র অসন্তোষ। এমনকী প্রাক্তনরাও একের পর এক কামান দেগেছেন। মনে করা হচ্ছে, রোহিত শর্মা ও বিরাট কোহলি থাকলে অবস্থা এতটা শোচনীয় হত না। অভিজ্ঞ দুই ব্যাটারের অনুপস্থিতিতে বাড়তি দায়িত্ব নিতে ব্যর্থ বাকিরা। কোচ গম্ভীরের সঙ্গে রো-কো জুটির সম্পর্ক নিয়েও প্রবল চর্চা অব্যাহত। প্রচলতি ধারণা, গম্ভীরের জমানায় অশনি সংকেত টের পেয়েই তড়িঘড়ি টেস্টকে আলবিদা জানান তাঁরা। এবার সাদা বলের ক্রিকেটে রোহিত ও কিং কোহলির ভবিষ্যৎ নিয়ে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। ২০২৭ সালের ওডিআই বিশ্বকাপে তাঁদের কি দেখা যাবে? সূত্রের খবর, পরিস্থিতির গুরুত্ব উপলব্ধি করে এবার আসরে নামতে চলেছে বিসিসিআই। টিম ম্যানেজমেন্ট ও নির্বাচক প্রধানের সঙ্গে বিশেষ জরুরি বৈঠকের সম্ভাবনা তাই ডালপালা মেলছে।
ভারত বনাম দক্ষিণ আফ্রিকার ওডিআই সিরিজ শুরু রবিবার। ধোনির শহরে রোহিত ও বিরাটকে নিয়ে উন্মাদনার পারদ তুঙ্গে। ওয়ান ডে সিরিজের শেষ ম্যাচটি আমেদাবাদে ৬ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। শোনা যাচ্ছে, সেখানেই মেগা বৈঠকে বসবেন বোর্ড কর্তারা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বোর্ড কর্তা জানিয়েছেন, ‘বিশ্বকাপ বেশি দূরে নয়। সাদা বলের ক্রিকেটে রোহিত ও কোহলির ভবিষ্যৎ নিয়ে অনেকেই চিন্তিত। এই অবস্থায় দ্রুত স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন।’ উল্লেখ্য, অস্ট্রেলিয়া সফরে শুরুতে কিছুটা নড়বড় করলেও ক্রমশ রানে ফিরেছেন রোহিত। পরিচিত আগ্রাসী ব্যাটিং দেখে মুগ্ধ বিশেষজ্ঞরা। সেই সিরিজে ২০২ রান উপহার দেন রোহিত। অন্যদিকে, বিরাটের সংগ্রহ ছিল ১৭৪। অনেকেরই মনে হয়েছে, ক্রিকেটকে এখনও অনেককিছুই দেওয়ার আগে দুই তারকার। সেক্ষেত্রে ফিটনেস বড় ইস্যু। ওডিআই ক্রিকেটের ধরন বদলেছে অনেকটাই। রান করার পাশাপাশি ক্ষুরধার ফিল্ডিং প্রয়োজন। রোহিত কিংবা বিরাটের পক্ষে উজাড় করে দেওয়া সম্ভব? এমন প্রশ্নও মাথাচাড়া দিচ্ছে। বোর্ডের একাংশের ধারণা, আরও বেশি ম্যাচ খেলা উচিত রোহিতদের। প্রয়োজনে দেওধর ট্রফিতে খেলার প্রস্তাব দেওয়া হবে। সবচেয়ে বড় কথা গম্ভীর কী চাইছেন? জল মাপতেই মেগা বৈঠকের আয়োজন।