নিজস্ব প্রতিনিধি, বহরমপুর: কলকাতা থেকে দিল্লি। চেন্নাই থেকে মুম্বই। দেশের একাধিক এ-ওয়ান সিটিতে কাজ করেছেন। ঘুরে বেড়িয়েছেন বহাল তবিয়তেই। ফের মুর্শিদাবাদে ফিরে আসতেই পর্দাফাঁস! দীর্ঘ প্রায় আট বছর যিনি দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ঘুরে বেড়িয়েছিলেন, তিনি সুবেশা এক যুবতী। তিনি ভারতের নাগরিকই নন। ভারতে ঘুরে বেড়ানোর বৈধ কোনও নথিপত্রও তাঁর কাছে নেই। তিনি আদতে বাংলাদেশের ঢাকার কিশোরগঞ্জের বাসিন্দা। নাম রত্না আখতার রুনা। ওরফে রত্না বিবি। বড়ঞার এক যুবকের স্ত্রী সেজে চষে বেড়িয়েছেন গোটা দেশেই। অবশেষে রুনা মুর্শিদাবাদে ফিরতেই তাঁকে গ্রেপ্তার করে পুলিস। জেরায় তিনি বাংলাদেশের বাসিন্দা বলে স্বীকার করেছেন। কিন্তু ভারতে ঢোকার কোনও বৈধ পাসপোর্ট বা ভিসা দেখাতে পারেননি। ভরতপুর থানার পুলিস এখন হন্যে হয়ে সেই যুবকের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে। এক আধিকারিক বলেন, ফরেনার অ্যাক্টে মামলা রুজু করে ঘটনার তদন্ত চলছে। ওই যুবতীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার পার্টনারের খোঁজে তল্লাশি চলছে।
Advertisement
জানা গিয়েছে, বড়ঞার এক যুবকের সঙ্গে সোশ্যাল মিডিয়ায় পরিচয় হয় রুনার। বাংলাদেশ থেকে অবৈধভাবে উত্তর ২৪ পরগণা জেলার বনগাঁ বর্ডার দিয়ে ঢুকে পড়েন তিনি। ওই যুবকও রাজ্যের বাইরে কাজ করতেন। সেখানে ওই যুবতীকে ডেকে নেন। তাঁকে নিয়ে ভিনরাজ্যে থাকতে শুরু করেন বলে জেনেছে পুলিস। নিজের সংসার থাকা সত্ত্বেও ওই যুবতীকে স্ত্রী সাজিয়ে ঘুরে বেড়াতেন ওই যুবক। প্রথমে চেন্নাইতে কাজ করতেন দু’জনে। তারপর মুম্বইতে এসে বেশ কিছুদিন ছিলেন তাঁরা। কয়েকদিন আগেই মুর্শিদাবাদে এসে পৌঁছয় তাঁরা।
রবিবার সন্ধ্যায় ওই যুবক তাঁর এক সন্তানকে যুবতীর সঙ্গে দিয়ে নিজের শ্বশুরবাড়িতে পাঠায়। ভরতপুরের তালগ্রাম এলাকায় শ্বশুরবাড়ি। সেখানে যেতেই শ্বশুরবাড়ির লোকেরা ওই যুবতীকে আটকে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। খবর পেয়ে সেখানে পুলিস পৌঁছে যুবতীকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। এদিকে, রবিবার রাতে ভগবানগোলা থানার চর বাবুপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে পুলিস দুই বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীকে গ্রেপ্তার করে। পাশাপশি এক ভারতীয় নাগরিককেও গ্রেপ্তার করল ভগবানগোলা থানার পুলিস। পুলিস জানিয়েছে, ধৃত দুই অনুপ্রবেশকারীর নাম ইউসুফ আলি এবং মাসুম রেজা। তাদের বাড়ি বাংলাদেশের রাজশাহী জেলার গোদাগাড়ি থানা এলাকায়। দুই বাংলাদেশিকে এদেশে অনুপ্রবেশে সাহায্যের অভিযোগে সাইমুদ্দিন শেখ নামে আরও একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার বাড়ি লালগোলা থানার মানিকচক এলাকায় ধৃতদের সোমবার লালবাগ মহকুমা আদালতে তোলা হলে বিচারক চার দিনের পুলিস হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন।
ভগবানগোলার এসডিপিও উত্তম গড়াই বলেন, ওইদিনই দুই বাংলাদেশি ভগবানগোলা সীমান্ত দিয়ে এদেশে অনুপ্রবেশ করে। কোনও বৈধ কাগজপত্র দেখাতে না পারায় তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। অনুপ্রবেশে সাহায্য করার জন্য লালগোলার মানিকচকের বাসিন্দা সাইমুদ্দিনকেও গ্রেপ্তার করা হয়। ধৃতদের বিরুদ্ধে ফরেনার্স অ্যাক্টে মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু হয়েছে।
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার রাতে ভগবানগোলা থানার নওসেরা গ্রামে পুলিসের টহলদারির সময় লক্ষ্য করা যায় চর বাবুপুরে পদ্মা নদীর তীরে কয়েকজন দাঁড়িয়ে রয়েছে। পুলিস ওইদিকে এগতেই তারা ছুটতে শুরু করে। পুলিস পিছু ধাওয়া করে তিনজনকে পাকড়াও করলেও আরও দু’জন অন্ধকারে গা-ঢাকা দেয়। বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীরা লালগোলার সাইমুদ্দিনের বাড়িতে দিন কয়েক থেকে ভিন রাজ্যে পাড়ি দিত বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানতে পেরেছে পুলিস।
রবিবার সন্ধ্যায় ওই যুবক তাঁর এক সন্তানকে যুবতীর সঙ্গে দিয়ে নিজের শ্বশুরবাড়িতে পাঠায়। ভরতপুরের তালগ্রাম এলাকায় শ্বশুরবাড়ি। সেখানে যেতেই শ্বশুরবাড়ির লোকেরা ওই যুবতীকে আটকে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। খবর পেয়ে সেখানে পুলিস পৌঁছে যুবতীকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। এদিকে, রবিবার রাতে ভগবানগোলা থানার চর বাবুপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে পুলিস দুই বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীকে গ্রেপ্তার করে। পাশাপশি এক ভারতীয় নাগরিককেও গ্রেপ্তার করল ভগবানগোলা থানার পুলিস। পুলিস জানিয়েছে, ধৃত দুই অনুপ্রবেশকারীর নাম ইউসুফ আলি এবং মাসুম রেজা। তাদের বাড়ি বাংলাদেশের রাজশাহী জেলার গোদাগাড়ি থানা এলাকায়। দুই বাংলাদেশিকে এদেশে অনুপ্রবেশে সাহায্যের অভিযোগে সাইমুদ্দিন শেখ নামে আরও একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার বাড়ি লালগোলা থানার মানিকচক এলাকায় ধৃতদের সোমবার লালবাগ মহকুমা আদালতে তোলা হলে বিচারক চার দিনের পুলিস হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন।
ভগবানগোলার এসডিপিও উত্তম গড়াই বলেন, ওইদিনই দুই বাংলাদেশি ভগবানগোলা সীমান্ত দিয়ে এদেশে অনুপ্রবেশ করে। কোনও বৈধ কাগজপত্র দেখাতে না পারায় তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। অনুপ্রবেশে সাহায্য করার জন্য লালগোলার মানিকচকের বাসিন্দা সাইমুদ্দিনকেও গ্রেপ্তার করা হয়। ধৃতদের বিরুদ্ধে ফরেনার্স অ্যাক্টে মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু হয়েছে।
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার রাতে ভগবানগোলা থানার নওসেরা গ্রামে পুলিসের টহলদারির সময় লক্ষ্য করা যায় চর বাবুপুরে পদ্মা নদীর তীরে কয়েকজন দাঁড়িয়ে রয়েছে। পুলিস ওইদিকে এগতেই তারা ছুটতে শুরু করে। পুলিস পিছু ধাওয়া করে তিনজনকে পাকড়াও করলেও আরও দু’জন অন্ধকারে গা-ঢাকা দেয়। বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীরা লালগোলার সাইমুদ্দিনের বাড়িতে দিন কয়েক থেকে ভিন রাজ্যে পাড়ি দিত বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানতে পেরেছে পুলিস।



