সংবাদদাতা, কান্দি: বড়ঞার গ্রামে দুর্গাপুজো হয় না। তবে দুর্গাপুজোর আনন্দ পুষিয়ে যায় চারদিনের পৌষলক্ষ্মী পুজোয়। বড়ঞা ব্লকের চক্রবাটি গ্রামে সোমবার মকর সংক্রান্তি থেকে এই পুজো শুরু হয়েছে। এই চারদিনে বাউল, কীর্তনের মতন বিভিন্ন ধর্মীয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান রয়েছে ঠাসা।
Advertisement
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্ধিষ্ণু এই গ্রামের লক্ষ্মীপুজো বহু প্রাচীন। শতাধিক বছরেরও বেশি সময় ধরে জাঁকজমক ভাবে চলে আসছে এই পুজো। গ্রামের সমস্ত পরিবার একসঙ্গে পুজোর উন্মাদনায় মেতে ওঠেন। পুজো উপলক্ষ্যে এবছর চারদিন ধরে বিভিন্ন ধরনের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান করা হচ্ছে। বাউল, কীর্তন, কবি গান ছাড়াও ছোটদের প্রতিযোগিতামূলক কর্মসূচিও রয়েছে। পুজো উপলক্ষ্যে গ্রামে ছোট মেলাও বসেছে। কাজের সূত্রে যাঁরা বাইরে থাকেন, তাঁরাও পুজো শুরুর আগেই বাড়ি ফিরেছেন। এখন গ্রামের প্রতিটি বাড়িতে উৎসবের পরিবেশ। আগামী বৃহস্পতিবার দেবীর বিসর্জন করা হবে।
গৃহবধূ অনিমা ঘোষ ও সুমিতা ঘোষ বলেন, আমরা দুর্গাপুজোর আনন্দটা এই পুজোয় পুষিয়ে নিই। বাড়িতে চারদিন ধরে অতিথি-আত্মীয়দের উপস্থিতি থাকে। অপর বাসিন্দা সেন্টু ঘোষ বলেন, বহু বছর ধরেই গ্রামের প্রতিটি পরিবার পৌষলক্ষ্মী পুজো ঘিরে উন্মাদনায় ভাসেন। এবছরও ব্যতিক্রম হয়নি।
পুজো কমিটির সদস্য ইন্দ্রজিৎ মণ্ডল, নদীয়া মণ্ডল প্রমুখ জানিয়েছেন, পুজোর ক’দিন প্রতিবেশী গ্রামগুলি থেকে দর্শনার্থীরা এখানে ভিড় জমান। বাসিন্দারা সারা বছর এই পুজোর জন্য অপেক্ষা করেন।
গৃহবধূ অনিমা ঘোষ ও সুমিতা ঘোষ বলেন, আমরা দুর্গাপুজোর আনন্দটা এই পুজোয় পুষিয়ে নিই। বাড়িতে চারদিন ধরে অতিথি-আত্মীয়দের উপস্থিতি থাকে। অপর বাসিন্দা সেন্টু ঘোষ বলেন, বহু বছর ধরেই গ্রামের প্রতিটি পরিবার পৌষলক্ষ্মী পুজো ঘিরে উন্মাদনায় ভাসেন। এবছরও ব্যতিক্রম হয়নি।
পুজো কমিটির সদস্য ইন্দ্রজিৎ মণ্ডল, নদীয়া মণ্ডল প্রমুখ জানিয়েছেন, পুজোর ক’দিন প্রতিবেশী গ্রামগুলি থেকে দর্শনার্থীরা এখানে ভিড় জমান। বাসিন্দারা সারা বছর এই পুজোর জন্য অপেক্ষা করেন।



