সংবাদদাতা, কান্দি: সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। কিন্তু তা সত্ত্বেও রয়েছে ডিজিটাল ক্লাসরুম। রয়েছে প্রজেক্টর, কম্পিউটার। ফলে গত ছয়মাসে ড্রপ আউট একেবারে উধাও। এমনকী স্কুলের শিক্ষকরা ছাত্রছাত্রীদের বায়োমেট্রিক হাজিরা নেওয়ারও উদ্যোগ নিচ্ছেন। ঘটনাটি বড়ঞা ব্লকের মুনিয়াডিহি ০৫ নম্বর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের।
Advertisement
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ১৯৪২ সালে ওই স্কুল অনুমোদন লাভ করে। প্রি প্রাথমিক থেকে চতুর্থ শ্রেণি পর্যন্ত ওই স্কুলের বর্তমান ছাত্রছাত্রী রয়েছে ১৮২ জন। চারজন শিক্ষক ও একজন পার্শ্বশিক্ষিকা রয়েছেন। তবে এলাকার অন্য পাঁচটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে এই বিদ্যালয়ের পরিবেশ একটু আলাদা। স্কুল চত্বর সাজানো গোছানো, সবুজে ঢাকা। দেওয়ালগুলিতেও বিভিন্ন শিক্ষামূলক ছবি আঁকা রয়েছে। তবে সবচেয়ে বড় ব্যাপার হল, স্কুলের ভিতর রয়েছে একটি ডিজিটাল কক্ষ। সেখানে কম্পিউটার ও প্রজেক্টরের মাধ্যমে ছাত্রছাত্রীদের শিক্ষাদান করা হচ্ছে। এই ব্যবস্থা ওই এলাকার অন্যান্য সরকারি বিদ্যালয়গুলিতে নেই বলেই দাবি।
স্কুল সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রায় আটমাস আগে স্কুল কর্তৃপক্ষ অভিভাবকদের সঙ্গে আধুনিক শিক্ষাদানের বিষয়ে আলোচনায় বসেন। সেখানেই ঠিক হয়, স্কুলের মধ্যে ডিজিটাল ক্লাস রুমের সঙ্গে অন্যান্য আধুনিক ব্যবস্থাও গড়ে তোলা হবে। এরপর প্রায় ছয় মাস হল স্কুলের একটি কক্ষে কম্পিউটার শিক্ষাদান সহ প্রজেক্টরের মাধ্যমে ক্লাস নেওয়া হচ্ছে। এরফলে গত ছয় মাসে স্কুলের ড্রপ আউট সংখ্যা একেবারে তলানিতে এসে ঠেকেছে।
উল্লেখ্য, ওই স্কুলের কম্পিউটার সেট বিডিও অফিস থেকে দেওয়া হলেও প্রজেক্টর সহ অন্যান্য সামগ্রী কেনা হয় স্কুলের শিক্ষক শিক্ষিকা এবং অভিভাবকদের অর্থে। প্রধান শিক্ষক তন্ময় দত্ত বলেন, বর্তমান সমাজে আধুনিক শিক্ষা অত্যান্ত জরুরি। তাই সরকারি স্কুলের শিক্ষার্থীদেরও আধুনিক শিক্ষাদানের প্রয়োজন উপলদ্ধি করে অভিভাবকদের সঙ্গে আলোচনা করে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আমরা আরও একটি বিষয়ে উদ্যোগ নিতে চলেছি। তা হল স্কুলের ছাত্রছাত্রীদের বায়োমেট্রিক হাজিরা নেওয়া। শিক্ষার্থীদের বায়োমেট্রিকে আঙুল পড়লেই তার অভিভাবকের মোবাইলে স্কুলে আসার মেসেজ পৌঁছে যাবে। দ্রুত এই কাজটিও সম্পন্ন হবে বলে আশা করা যায়। স্কুলের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী আয়েষা সুলতানা জানায়, প্রথমে অনেকে স্কুল কামাই করলেও এখন কিন্তু সকলেই প্রতিদিন স্কুলে আসে। স্কুলের কম্পিউটার ক্লাস কেউ বাদ দিতে চাই না। সহকারি শিক্ষক তপোময় দত্ত বলেন, বিভিন্ন বেসরকারি স্কুলের সঙ্গে পাল্লা দিতে ও ছাত্রছাত্রীদের আধুনিক শিক্ষাদানের লক্ষ্যেই এমন ব্যবস্থা জরুরি। আমাদের স্কুল সেই লক্ষ্যে এগিয়ে চলেছে।
স্কুল সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রায় আটমাস আগে স্কুল কর্তৃপক্ষ অভিভাবকদের সঙ্গে আধুনিক শিক্ষাদানের বিষয়ে আলোচনায় বসেন। সেখানেই ঠিক হয়, স্কুলের মধ্যে ডিজিটাল ক্লাস রুমের সঙ্গে অন্যান্য আধুনিক ব্যবস্থাও গড়ে তোলা হবে। এরপর প্রায় ছয় মাস হল স্কুলের একটি কক্ষে কম্পিউটার শিক্ষাদান সহ প্রজেক্টরের মাধ্যমে ক্লাস নেওয়া হচ্ছে। এরফলে গত ছয় মাসে স্কুলের ড্রপ আউট সংখ্যা একেবারে তলানিতে এসে ঠেকেছে।
উল্লেখ্য, ওই স্কুলের কম্পিউটার সেট বিডিও অফিস থেকে দেওয়া হলেও প্রজেক্টর সহ অন্যান্য সামগ্রী কেনা হয় স্কুলের শিক্ষক শিক্ষিকা এবং অভিভাবকদের অর্থে। প্রধান শিক্ষক তন্ময় দত্ত বলেন, বর্তমান সমাজে আধুনিক শিক্ষা অত্যান্ত জরুরি। তাই সরকারি স্কুলের শিক্ষার্থীদেরও আধুনিক শিক্ষাদানের প্রয়োজন উপলদ্ধি করে অভিভাবকদের সঙ্গে আলোচনা করে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আমরা আরও একটি বিষয়ে উদ্যোগ নিতে চলেছি। তা হল স্কুলের ছাত্রছাত্রীদের বায়োমেট্রিক হাজিরা নেওয়া। শিক্ষার্থীদের বায়োমেট্রিকে আঙুল পড়লেই তার অভিভাবকের মোবাইলে স্কুলে আসার মেসেজ পৌঁছে যাবে। দ্রুত এই কাজটিও সম্পন্ন হবে বলে আশা করা যায়। স্কুলের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী আয়েষা সুলতানা জানায়, প্রথমে অনেকে স্কুল কামাই করলেও এখন কিন্তু সকলেই প্রতিদিন স্কুলে আসে। স্কুলের কম্পিউটার ক্লাস কেউ বাদ দিতে চাই না। সহকারি শিক্ষক তপোময় দত্ত বলেন, বিভিন্ন বেসরকারি স্কুলের সঙ্গে পাল্লা দিতে ও ছাত্রছাত্রীদের আধুনিক শিক্ষাদানের লক্ষ্যেই এমন ব্যবস্থা জরুরি। আমাদের স্কুল সেই লক্ষ্যে এগিয়ে চলেছে।



