নিজস্ব প্রতিনিধি, আরামবাগ: ফি বছর বন্যাই চিন্তা খানাকুলবাসীর। দুর্গাপুজোর সময় পর্যন্ত আশঙ্কা থাকে প্লাবনের। ডিভিসির ছাড়া জল ও অতি বৃষ্টির ফলে খানাকুলের বিস্তীর্ণ এলাকা ডুবে যায়। চলতি বছরেও পুজোর মুখে ভয়াবহ বন্যার যন্ত্রনা সহ্য করেছেন বাসিন্দারা। তাই সেখানে দুর্গাপুজোর আয়োজন কাঁটছাট করেই করা হয়। কিন্তু বন্যা বিধ্বস্ত জগদ্ধাত্রী পুজো হয় ধুমধাম করে। তাই বন্যার ধাক্কা সামলে এবারও খানাকুলের অনেক জায়গাতেই জগদ্ধাত্রীর মেগা আয়োজন একাধিক পুজো কমিটি। ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে জোর প্রস্তুতি।
Advertisement
দুর্গাপুজোর সময়ও খানাকুলের নিচু এলাকার একাংশে জল জমেছিলো। তারমধ্যেও বাসিন্দারা বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসবে শামিল হন। এবার জগদ্ধাত্রী পুজোতেও খানাকুলে দেখা যাবে আলোর রোশনাই। তবে পুজোর বাজেটে অনেকেই কাটছাঁট করছে। কারণ বন্যার বিধ্বস্ত খানাকুলের দুর্গতদের আর্থিক পরিস্থিতিও চিন্তায় রেখেছে উদ্যোক্তাদের।
খানাকুল ২ ব্লকের রাজহাটি এলাকা বন্যার সময় ডুবেছিলো। জল নামতে বেশ কয়েকদিন সময় লাগে। তবে সেখানে এবার নানা থিমের সাজছে জগদ্ধাত্রী পুজোর মণ্ডপ। সেখানকার সিনেমাতলায় অঙ্কুর ক্লাবের পরিচালনায় হয় জগদ্ধাত্রী পুজো। উদ্যোক্তারা বলেন, রাজবাড়ীর আদলে পুজোর মণ্ডপ করা হচ্ছে। তারসঙ্গে থাকবে লেসার শো। পুজো কমিটির সম্পাদক কিঙ্কর চক্রবর্তী বলেন, অন্য বারের তুলনায় এবার বাজেট কিছুটা কমানো হয়েছে। অনুষ্ঠান করা হচ্ছে না।
দিশারী ১ এর পল্লীর এবার সত্যজিৎ রায় পরিচালিত হীরক রাজার দেশে সিনেমার আদলে পুজো মণ্ডপে করছে। সেখানকার কর্মকর্তা অমিত আঢ্য বলেন, বন্যার সময় বহু মানুষের নানা সমস্যা হয়েছে। সেইসময় ক্লাবের বাজেট থেকেই ত্রাণ সামগ্রী তুলে দেওয়া হয় দুর্গতদের। তাই বাজেট গত বছরের তুলনায় কিছুটা কমছে। কিন্তু পুজোর জৌলুস দর্শণার্থীদের নজর কাড়বে বলেই আশা।
খানাকুল ফুটবল মাঠে রেনেসাঁস ক্লাবের তরফে এবার পুজোর থিম 'রক্তবীজ'। বর্তমান সমাজে মাইক্রো প্লাস্টিককে রক্তবীজ হিসেবে দেখানো হচ্ছে। প্লাস্টিকের দূষণের ফলে বিপন্ন হচ্ছে জীবকূল। সেই ভাবনাই ফুটিয়ে তোলা হচ্ছে। ভ্যান গগের বিখ্যাত ছবির মাধ্যমে এই থিম তৈরি হচ্ছে বলে উদ্যোক্তারা জানান। খবরের কাগজ, প্যারিস প্রভৃতি নানা সামগ্রী দিয়ে মণ্ডপ সজ্জা করছেন শিল্পীরা। আয়োজকরা জানান, এবার প্রায় সাড়ে সাত লক্ষ টাকা বাজেট রাখা হয়েছে। পুজো কমিটির সম্পাদক রমেন প্রামানিক বলেন, বন্যার জন্য অনুদান পেতে সমস্যার হচ্ছে ঠিকই। তবু আমরা ধুমধাম করেই পুজোর আয়োজন করছি। ষষ্ঠী থেকেই পুজো শুরু হয়ে যাচ্ছে। এবার বন্যায় বাঁধ ভাঙনে যাঁদের বাড়ি ভেঙেছে তাঁদের একাংশকে আর্থিক সাহায্যও দেওয়া হবে।
খানাকুলের নন্দনপুর এলাকাও এবার বন্যা পরিস্থিতিতে ভয়াবহ আকার নেয়। সেখানে পুজোর জায়গায় সামান্য জল জমেছিলো। তা সরাচ্ছেন উদ্যোক্তারা। পুজো কমিটি তরফে সুব্রত ঘোষ বলেন, এবার আমাদের পুজোর বাজেট প্রায় চার লক্ষ টাকা। আলোর রোশনাই যেমন থাকবে। তারসঙ্গে নানা অনুষ্ঠানও করা হচ্ছে।
খানাকুল ২ ব্লকের রাজহাটি এলাকা বন্যার সময় ডুবেছিলো। জল নামতে বেশ কয়েকদিন সময় লাগে। তবে সেখানে এবার নানা থিমের সাজছে জগদ্ধাত্রী পুজোর মণ্ডপ। সেখানকার সিনেমাতলায় অঙ্কুর ক্লাবের পরিচালনায় হয় জগদ্ধাত্রী পুজো। উদ্যোক্তারা বলেন, রাজবাড়ীর আদলে পুজোর মণ্ডপ করা হচ্ছে। তারসঙ্গে থাকবে লেসার শো। পুজো কমিটির সম্পাদক কিঙ্কর চক্রবর্তী বলেন, অন্য বারের তুলনায় এবার বাজেট কিছুটা কমানো হয়েছে। অনুষ্ঠান করা হচ্ছে না।
দিশারী ১ এর পল্লীর এবার সত্যজিৎ রায় পরিচালিত হীরক রাজার দেশে সিনেমার আদলে পুজো মণ্ডপে করছে। সেখানকার কর্মকর্তা অমিত আঢ্য বলেন, বন্যার সময় বহু মানুষের নানা সমস্যা হয়েছে। সেইসময় ক্লাবের বাজেট থেকেই ত্রাণ সামগ্রী তুলে দেওয়া হয় দুর্গতদের। তাই বাজেট গত বছরের তুলনায় কিছুটা কমছে। কিন্তু পুজোর জৌলুস দর্শণার্থীদের নজর কাড়বে বলেই আশা।
খানাকুল ফুটবল মাঠে রেনেসাঁস ক্লাবের তরফে এবার পুজোর থিম 'রক্তবীজ'। বর্তমান সমাজে মাইক্রো প্লাস্টিককে রক্তবীজ হিসেবে দেখানো হচ্ছে। প্লাস্টিকের দূষণের ফলে বিপন্ন হচ্ছে জীবকূল। সেই ভাবনাই ফুটিয়ে তোলা হচ্ছে। ভ্যান গগের বিখ্যাত ছবির মাধ্যমে এই থিম তৈরি হচ্ছে বলে উদ্যোক্তারা জানান। খবরের কাগজ, প্যারিস প্রভৃতি নানা সামগ্রী দিয়ে মণ্ডপ সজ্জা করছেন শিল্পীরা। আয়োজকরা জানান, এবার প্রায় সাড়ে সাত লক্ষ টাকা বাজেট রাখা হয়েছে। পুজো কমিটির সম্পাদক রমেন প্রামানিক বলেন, বন্যার জন্য অনুদান পেতে সমস্যার হচ্ছে ঠিকই। তবু আমরা ধুমধাম করেই পুজোর আয়োজন করছি। ষষ্ঠী থেকেই পুজো শুরু হয়ে যাচ্ছে। এবার বন্যায় বাঁধ ভাঙনে যাঁদের বাড়ি ভেঙেছে তাঁদের একাংশকে আর্থিক সাহায্যও দেওয়া হবে।
খানাকুলের নন্দনপুর এলাকাও এবার বন্যা পরিস্থিতিতে ভয়াবহ আকার নেয়। সেখানে পুজোর জায়গায় সামান্য জল জমেছিলো। তা সরাচ্ছেন উদ্যোক্তারা। পুজো কমিটি তরফে সুব্রত ঘোষ বলেন, এবার আমাদের পুজোর বাজেট প্রায় চার লক্ষ টাকা। আলোর রোশনাই যেমন থাকবে। তারসঙ্গে নানা অনুষ্ঠানও করা হচ্ছে।



