সংবাদদাতা, কান্দি: লোকসভা ভোটে লিড নিয়েছিল বিজেপি। সেই বড়ঞা ব্লক এলাকায় সংগঠন মজবুত করার লক্ষ্যে নামল শাসকদল তৃণমূল। ওই ব্লকের উত্তরের প্রায় ৮৯টি বুথে নতুন করে কমিটি তৈরির তোড়জোড় চলছে। প্রতিদিন সন্ধ্যায় কয়েকটি করে বুথে নতুন করে কমিটি তৈরি করা হচ্ছে। তাতে যেমন দলের সক্রিয় কর্মীদের কমিটিতে আনা হচ্ছে, তেমনই নিষ্ক্রিয়দের সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে।
Advertisement
প্রসঙ্গত, এবারের লোকসভা নির্বাচনে বহরমপুর কেন্দ্রের বড়ঞা ব্লক এলাকায় বিজেপির চিকিৎসক প্রার্থী নির্মলকুমার সাহা তৃণমূল প্রার্থীর চেয়ে প্রায় সাড়ে চার হাজার ভোটে লিড নিয়েছিলেন। তৃণমূল সূত্রে খবর, বহরমপুর কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থী ইউসুফ পাঠান জয়ী হলেও বড়ঞা ব্লক এলাকায় প্রায় অর্ধেকের বেশি বুথে বিজেপির লিড ছিল। ব্লকের মোট ২১২টি বুথের মধ্যে প্রায় ১১৭টি বুথে বিজেপি এগিয়ে ছিল। ভোট পরবর্তীতে এনিয়ে শাসকদল বিশ্লেষণে বসে। তাতে অন্তর্ঘাতের বিষয়টি উঠে আসে। পাশাপাশি অনেক বুথ কমিটির সদস্য ভোটের সময় নিষ্ক্রিয় ছিলেন বলে জানা যায়। অনেকে ঠিকমতো প্রচারে নামেননি। আবার অনেকে কমিটিতে থেকেও বিরোধীদের হয়ে ভোট করান বলে অভিযোগ। ভোট পরবর্তীতে সোশ্যাল মিডিয়ায় এনিয়ে দলের কর্মীরা প্রতিবাদী লেখা পোস্ট করতে থাকেন। অনেকে এখনও এই বিষয়ে পোস্ট করে চলেছেন।
তারপরই নতুন করে বুথ কমিটি গঠনে জোর দেয় তৃণমূল নেতৃত্ব। ব্লকের উত্তরের ৮৯টি বুথে পুরনো কমিটি ভেঙে নতুন করে তা তৈরি করা হচ্ছে। এক একটি কমিটিতে সভাপতি সহ ১০ থেকে ১৫জন সদস্য রয়েছেন। তাঁদের মধ্যেই সক্রিয়দের কমিটিতে পুনরায় রাখা হচ্ছে। নিষ্ক্রিয়দের ছাঁটাই করা হচ্ছে। দলের উত্তর ব্লক সভাপতি গোলাম মুর্শিদের নেতৃত্বে চলছে এই কমিটি গঠন প্রক্রিয়া। তৃণমূল সূত্রে খবর, প্রতিদিন সন্ধ্যায় ওই এলাকার কয়েকটি করে বুথে কর্মীদের নিয়ে আলোচনা করা হচ্ছে। তাতে কমিটির সামনেই তুলে ধরা হচ্ছে লোকসভা ভোটের সক্রিয় ও নিষ্ক্রিয়দের তালিকা। এরপর সকলের সামনেই নিষ্ক্রিয়দের কমিটি থেকে বাদ দেওয়া হচ্ছে। আবার নতুনদের সংযোজন করা হচ্ছে। সপ্তাহখানেক হল এই কমিটি গঠনের কাজ শুরু হয়েছে। তাতে প্রায় ২৭টি পুরনো কমিটি ভেঙে নতুন কমিটি তৈরি করা হয়েছে। দলের বড়ঞা উত্তর ব্লক সভাপতি বলেন, দলীয় স্বার্থে ৮৯টি পুরনো বুথ কমিটি ভেঙে ফের নতুন করে কমিটি তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। নতুন কমিটিতে লোকসভা ভোটের সময় যাঁরা নিষ্ক্রিয় ছিলেন, তাঁদের বাদ দেওয়ার পাশাপাশি সক্রিয়দের কমিটিতে জায়গা দেওয়া হচ্ছে। আগামী ইংরেজি বছর শুরুর আগেই কমিটি গঠনের কাজ শেষ হবে।
দলের বহরমপুর সাংগঠনিক জেলা সভাপতি অপূর্ব সরকার বলেন, গোটা জেলার ক্ষেত্রে একই নির্দেশ রয়েছে। স্থানীয়ভাবে মনে হলে নতুন করে বুথ কমিটি তৈরি করা যেতে পারে। বুথ এলাকা মজবুত করার লক্ষ্যেই নতুন করে কমিটি তৈরির কাজ চলছে।
তারপরই নতুন করে বুথ কমিটি গঠনে জোর দেয় তৃণমূল নেতৃত্ব। ব্লকের উত্তরের ৮৯টি বুথে পুরনো কমিটি ভেঙে নতুন করে তা তৈরি করা হচ্ছে। এক একটি কমিটিতে সভাপতি সহ ১০ থেকে ১৫জন সদস্য রয়েছেন। তাঁদের মধ্যেই সক্রিয়দের কমিটিতে পুনরায় রাখা হচ্ছে। নিষ্ক্রিয়দের ছাঁটাই করা হচ্ছে। দলের উত্তর ব্লক সভাপতি গোলাম মুর্শিদের নেতৃত্বে চলছে এই কমিটি গঠন প্রক্রিয়া। তৃণমূল সূত্রে খবর, প্রতিদিন সন্ধ্যায় ওই এলাকার কয়েকটি করে বুথে কর্মীদের নিয়ে আলোচনা করা হচ্ছে। তাতে কমিটির সামনেই তুলে ধরা হচ্ছে লোকসভা ভোটের সক্রিয় ও নিষ্ক্রিয়দের তালিকা। এরপর সকলের সামনেই নিষ্ক্রিয়দের কমিটি থেকে বাদ দেওয়া হচ্ছে। আবার নতুনদের সংযোজন করা হচ্ছে। সপ্তাহখানেক হল এই কমিটি গঠনের কাজ শুরু হয়েছে। তাতে প্রায় ২৭টি পুরনো কমিটি ভেঙে নতুন কমিটি তৈরি করা হয়েছে। দলের বড়ঞা উত্তর ব্লক সভাপতি বলেন, দলীয় স্বার্থে ৮৯টি পুরনো বুথ কমিটি ভেঙে ফের নতুন করে কমিটি তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। নতুন কমিটিতে লোকসভা ভোটের সময় যাঁরা নিষ্ক্রিয় ছিলেন, তাঁদের বাদ দেওয়ার পাশাপাশি সক্রিয়দের কমিটিতে জায়গা দেওয়া হচ্ছে। আগামী ইংরেজি বছর শুরুর আগেই কমিটি গঠনের কাজ শেষ হবে।
দলের বহরমপুর সাংগঠনিক জেলা সভাপতি অপূর্ব সরকার বলেন, গোটা জেলার ক্ষেত্রে একই নির্দেশ রয়েছে। স্থানীয়ভাবে মনে হলে নতুন করে বুথ কমিটি তৈরি করা যেতে পারে। বুথ এলাকা মজবুত করার লক্ষ্যেই নতুন করে কমিটি তৈরির কাজ চলছে।



