নিজস্ব প্রতিনিধি, আরামবাগ: এবারও বন্যপ্রাণ ও জঙ্গল রক্ষায় কড়া অবস্থান বনদপ্তরের। আরামবাগে সংরক্ষিত চাঁদুর ফরেস্টে পিকনিক নিষিদ্ধ করা হয়েছে। অন্য বনাঞ্চলে শর্তসাপেক্ষে পিকনিক করতে বনদপ্তরের লিখিত অনুমতি নিতে হবে। কনকনে শীত পড়তেই শুরু হয়েছে পর্যটন ও পিকনিকের মরশুম। তাই চাঁদুর ফরেস্টে পিকনিকে নিষেধাজ্ঞার কথা আগাম জানাল বন বিভাগ। তবে ইতিমধ্যেই পিকনিক করতে অনেকেই চাঁদুর ফরেস্টে আসছেন। বনদপ্তর তাঁদের ফিরিয়ে দিচ্ছে। রবিবার একটি পিকনিক পার্টি চাঁদুর ফরেস্টে যায়। কিন্তু বনদপ্তর তাঁদের ফিরিয়ে দিয়ে পার আদ্রার জঙ্গলে যেতে বলে। দেওয়া হয় প্রয়োজনীয় অনুমতির টোকেন।
Advertisement
আরামবাগের রেঞ্জার আশরাফুল ইসলাম বলেন, ২০২২ সাল থেকে চাঁদুর ফরেস্টে পিকনিক নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এবারও সেই সিদ্ধান্ত বহাল থাকছে। শর্তসাপেক্ষে অন্য বনাঞ্চলে পিকনিক করা যাবে। কিন্তু তারজন্য প্রয়োজনীয় অনুমতি নিতে হবে।
কী সেই শর্ত? বনদপ্তর জানিয়েছে, পিকনিক করতে এসে ডিজে বা সাউন্ড বক্স ব্যবহার করা যাবে না। পিকনিকে মদ্যপান নিষিদ্ধ। তারসঙ্গে পিকনিকের পর এলাকা পরিষ্কার করে দিতে হবে তাঁদেরই। এরজন্য বনদপ্তরের কর্মীরা নজরদারি চালাচ্ছেন।
উল্লেখ্য, ডিসেম্বর মাস থেকেই ভ্রমণপিপাসু বাঙালি পিকনিকে মেতে ওঠে। ছুটির দিনে পিকনিক বাড়ে। বিগত দিনে দ্বারকেশ্বর নদের ধারে আরামবাগের এই চাঁদুর ফরেস্টে পিকনিক করতে ভিড় জমাতেন বাসিন্দারা। কিন্তু গত দু’বছরের মতো এবারও বনদপ্তর পিকনিক নিয়ে কড়া অবস্থান নিয়েছে। তবে অনুমতি নিয়ে আরামবাগের পার আদ্রা, গোঘাটের ভাদুর ও রাঙামাটির জঙ্গলে পিকনিক করা যেতে পারে। কিন্তু সেখানে পিকনিক পার্টিকে প্রয়োজনীয় নির্দেশ মানতে হবে। এরজন্য বনদপ্তরের কাছে আগাম লিখিতভাবে অনুমতি নিতে হবে। বনদপ্তর প্রয়োজনীয় মুচলেকা নিয়ে তবেই পিকনিকের অনুমতি দেবে।
বনদপ্তর জানিয়েছে, হাওড়া ডিভিশনের অধীন আরামবাগের চাঁদুর ফরেস্ট একমাত্র সংরক্ষিত জঙ্গল। প্রায় ৬০ হেক্টর জমির উপর রয়েছে চাঁদুর বনাঞ্চল। চাঁদুরে রয়েছে নানা বন্যপ্রাণী। তারসঙ্গে অজস্র দেশজ পাখির বাসা রয়েছে। তারসঙ্গে বহু সাপও আছে। ডিজে বা সাউন্ড বক্স নিয়ে পিকনিক করলে বন্যপ্রাণী ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তারা সেখান থেকে অন্যত্র চলে যায়। এরফলে পরিবেশের উপর প্রভাব পড়ে। তাই চাঁদুর ফরেস্টকে সুরক্ষিত রাখতেই পিকনিকে রাশ টানার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বনদপ্তর। রেঞ্জার বলেন, বনের পাশাপাশি বন্যপ্রাণ রক্ষাও আমাদের কাজ। সেইজন্য স্থানীয় বাসিন্দাদেরও সহযোগিতা কাম্য। বিগত দিনে চাঁদুর ফরেস্ট সুরক্ষিত রাখতে পুলিসের সাহায্য নেওয়া হয়। তার জেরে সফলভাবেই পিকনিক এড়ানো গিয়েছে। এবারও বর্ষায় চাঁদুর ফরেস্টে প্রায় পাঁচ হাজার বৃক্ষরোপণ করা হয়েছে।
কী সেই শর্ত? বনদপ্তর জানিয়েছে, পিকনিক করতে এসে ডিজে বা সাউন্ড বক্স ব্যবহার করা যাবে না। পিকনিকে মদ্যপান নিষিদ্ধ। তারসঙ্গে পিকনিকের পর এলাকা পরিষ্কার করে দিতে হবে তাঁদেরই। এরজন্য বনদপ্তরের কর্মীরা নজরদারি চালাচ্ছেন।
উল্লেখ্য, ডিসেম্বর মাস থেকেই ভ্রমণপিপাসু বাঙালি পিকনিকে মেতে ওঠে। ছুটির দিনে পিকনিক বাড়ে। বিগত দিনে দ্বারকেশ্বর নদের ধারে আরামবাগের এই চাঁদুর ফরেস্টে পিকনিক করতে ভিড় জমাতেন বাসিন্দারা। কিন্তু গত দু’বছরের মতো এবারও বনদপ্তর পিকনিক নিয়ে কড়া অবস্থান নিয়েছে। তবে অনুমতি নিয়ে আরামবাগের পার আদ্রা, গোঘাটের ভাদুর ও রাঙামাটির জঙ্গলে পিকনিক করা যেতে পারে। কিন্তু সেখানে পিকনিক পার্টিকে প্রয়োজনীয় নির্দেশ মানতে হবে। এরজন্য বনদপ্তরের কাছে আগাম লিখিতভাবে অনুমতি নিতে হবে। বনদপ্তর প্রয়োজনীয় মুচলেকা নিয়ে তবেই পিকনিকের অনুমতি দেবে।
বনদপ্তর জানিয়েছে, হাওড়া ডিভিশনের অধীন আরামবাগের চাঁদুর ফরেস্ট একমাত্র সংরক্ষিত জঙ্গল। প্রায় ৬০ হেক্টর জমির উপর রয়েছে চাঁদুর বনাঞ্চল। চাঁদুরে রয়েছে নানা বন্যপ্রাণী। তারসঙ্গে অজস্র দেশজ পাখির বাসা রয়েছে। তারসঙ্গে বহু সাপও আছে। ডিজে বা সাউন্ড বক্স নিয়ে পিকনিক করলে বন্যপ্রাণী ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তারা সেখান থেকে অন্যত্র চলে যায়। এরফলে পরিবেশের উপর প্রভাব পড়ে। তাই চাঁদুর ফরেস্টকে সুরক্ষিত রাখতেই পিকনিকে রাশ টানার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বনদপ্তর। রেঞ্জার বলেন, বনের পাশাপাশি বন্যপ্রাণ রক্ষাও আমাদের কাজ। সেইজন্য স্থানীয় বাসিন্দাদেরও সহযোগিতা কাম্য। বিগত দিনে চাঁদুর ফরেস্ট সুরক্ষিত রাখতে পুলিসের সাহায্য নেওয়া হয়। তার জেরে সফলভাবেই পিকনিক এড়ানো গিয়েছে। এবারও বর্ষায় চাঁদুর ফরেস্টে প্রায় পাঁচ হাজার বৃক্ষরোপণ করা হয়েছে।



