সংবাদদাতা, মানিকচক: দক্ষিণ চণ্ডীপুর গ্রাম পঞ্চায়েত যেন ভুয়ো বিলের আঁতুড়ঘর। কাজ না করেই বন্যা পরিস্থিতির সুযোগে লক্ষ লক্ষ টাকা অনিয়মের অভিযোগ উঠল পঞ্চায়েতের বিরুদ্ধে। বাসিন্দাদের দাবি, বন্যার সময় দুর্দশার মধ্যে কাটালেও ব্যাপক অনিয়ম চলছিল পঞ্চায়েতে। হাসপাতাল থেকে বাঁশের সাঁকো, আলো থেকে জল, সমস্ত কিছুতেই অনিয়মের অভিযোগ। যদিও ওই অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে পাল্টা দাবি প্রধানের। তবে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্তের আশ্বাস দিয়েছেন মানিকচকের বিডিও অনুপ চক্রবর্তী।
Advertisement
গত দু’মাস বন্যা পরিস্থিতিতে চরম দুর্ভোগে দিন কাটিয়েছেন ভূতনির বাসিন্দারা। সেইসময় দুর্গতদের পরিষেবা দিতে কালঘাম ছুটেছিল প্রশাসনের। বাসিন্দাদের দাবি, সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে অনিয়ম চলছিল দক্ষিণ চণ্ডীপুর পঞ্চায়েতে। ভূতনি দিয়ারা প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র পরিষ্কার করার জন্য ৪৫ হাজার টাকার বিল করা হয়েছে পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে। সেই কাজ পঞ্চায়েত করেনি বলে দাবি করে এলাকার বাসিন্দা গৌরাঙ্গ মণ্ডল স্বাস্থ্যকেন্দ্রের মেডিক্যাল অফিসার রাজেশ সাহাকে লিখিত অভিযোগ করেছিলেন। তখনই ওই আধিকারিক স্পষ্ট জানিয়ে দেন, বন্যা পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্যকেন্দ্র পরিষ্কার করার কাজ তাঁরা নিজেদের তহবিল থেকেই করেছেন। গ্রাম পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে এই ধরনের কোনও কাজ করা হয়নি। এছাড়া দক্ষিণ চণ্ডীপুরের কাটাবাঁধের কাছে বাঁশের সিঁড়ি নির্মাণ করা হয়েছিল পঞ্চায়েতের উদ্যোগে। তার জন্য পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষ বিল করেছে প্রায় ৪৯ হাজার টাকা। কাটাবাঁধে যাতায়াতের সুবিধার জন্য বৈদ্যুতিক বাতির ব্যবস্থা করতে বিল দেখানো হয়েছে ৩১ হাজার ৫০০ টাকা। পাইপলাইন মেরামতির জন্য ২৬ হাজার ৭৫০ টাকা দেখানো হলেও দক্ষিণ চণ্ডীপুরে সেরকম কোনও কাজই হয়নি বলে দাবি বাসিন্দাদের। তাহলে মেরামতির নামে টাকা বরাদ্দ হল কীভাবে? গৌরাঙ্গর মন্তব্য, সমস্ত বিলই ভুয়ো।
এদিকে সব বিলই পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে করা হয়েছে স্বীকার করলেও ভুয়ো বিল বানানোর অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন দক্ষিণ চণ্ডীপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান শক্তি মণ্ডল। তাঁর মন্তব্য, বন্যা পরিস্থিতিতে জরুরিভিত্তিতে সমস্ত কাজ করা হয়েছে। জেলাশাসক এবং ব্লক প্রশাসনের তদারকিতেই কাজগুলি হয়েছে। যারা এই সমস্ত ভুয়ো বিলের অভিযোগ করছেন, তাঁরা এলাকার দুষ্কৃতী। আজগুবি সব অভিযোগ তুলে তাঁরা বাজার গরম করতে চাইছেন।
এদিকে সব বিলই পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে করা হয়েছে স্বীকার করলেও ভুয়ো বিল বানানোর অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন দক্ষিণ চণ্ডীপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান শক্তি মণ্ডল। তাঁর মন্তব্য, বন্যা পরিস্থিতিতে জরুরিভিত্তিতে সমস্ত কাজ করা হয়েছে। জেলাশাসক এবং ব্লক প্রশাসনের তদারকিতেই কাজগুলি হয়েছে। যারা এই সমস্ত ভুয়ো বিলের অভিযোগ করছেন, তাঁরা এলাকার দুষ্কৃতী। আজগুবি সব অভিযোগ তুলে তাঁরা বাজার গরম করতে চাইছেন।



