নিজস্ব প্রতিনিধি, আরামবাগ: বন্যায় নদী ভাঙনের জেরে ক্ষতি হয়েছিল চাষ জমির। ‘পুকুরে’ পরিণত হয়েছে বহু জমি। সেই জমি পুনরায় চাষ যোগ্য করে তুলতে উদ্যোগী হল প্রশাসন। ‘বর্তমানে’ খবর প্রকাশের পরই বুধবার খানাকুলের কেদারপুরে ব্লক প্রশাসন ও ভূমিদপ্তরের আধিকারিকরা এলাকায় যান। খানাকুল-১ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি শম্পা মাইতি, সহ সভাপতি মিন্টু পাল সহ অন্যান্য জন প্রতিনিধি ও ব্লক ভূমিদপ্তরের কর্তারা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন। পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি এলাকা পরিদর্শনের পর সমস্যার সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন।
Advertisement
উল্লেখ্য, বন্যার সময় ডিভিসির ছাড়া জলে মুণ্ডেশ্বরী চরম বিপদ সীমার উপর দিয়ে বইতে থাকে। খানাকুলের অরুণ্ডা পঞ্চায়েতের কেদারপুরের জয়রামচকে ভেঙে যায় নদীর বাঁধ। জলের স্রোতে কৃষিজমিতে যেমন গভীর গর্ত হয়, তেমনই জমিতে বালি ও মাটি জমে যায়। বিস্তীর্ণ এলাকায় প্লাবনের ফলে সেই সময় নষ্ট হয়ে যায় ধান। বর্তমানে আলু চাষের মরশুম। তার আগে কৃষিজমিগুলিকে চাষ যোগ্য করে তোলার আর্জি জানান চাষিরা। তাঁরা বিষয়টি লিখিতভাবে প্রশাসনকে জানান। সম্প্রতি ‘বর্তমান’ পত্রিকায় সেই খবর প্রকাশিত হয়। খবরের জেরে এদিন ওই এলাকায় গিয়ে কৃষি জমিগুলির অবস্থা সরেজমিনে খতিয়ে দেখেন প্রশাসনের আধিকারিকরা।
শুভঙ্কর দলুই বলেন, বন্যার সময় বাঁধ ভেঙে নদীর জল আমাদের জমিতে ঢুকে পড়ে। তারফলে জমি গর্ত হয়ে গিয়েছে। কৃষি জমি যাতে চাষযোগ্য করে তোলা যায়, সেই জন্য আমরা সম্প্রতি প্রশাসনের কাছে আর্জি জানিয়েছিলাম। সেইমতো এদিন প্রশাসনের আধিকারিকরা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেছেন।
পঞ্চায়েত সমিতির সহ সভাপতি বলেন, নদী বাঁধ ভেঙে ওই এলাকায় কৃষি জমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যেখানে বালি মাটি পড়েছিল চাষিরা সেগুলি নিজেরাই সরিয়ে নিচ্ছেন। কিন্তু, নদীর জল প্রায় তিন একর জমিতে গর্তের সৃষ্টি করেছে। কার্যত পুকুরের আকার ধারণ করেছে জমিগুলি। সেখানে এখনও জল দাঁড়িয়ে রয়েছে। সেই জমিগুলিকে চাষযোগ্য করা হবে। এজন্য সেচদপ্তরের সঙ্গেও যোগাযোগ করা হবে।
চাষিদের দাবি, ওই কৃষি জমিগুলির উপর ভরসা করেই তাঁদের জীবিকা নির্বাহ করতে হয়। প্রশাসন যাতে এব্যাপারে দ্রুত পদক্ষেপ করে তার আর্জি জানানো হয়েছে।
শুভঙ্কর দলুই বলেন, বন্যার সময় বাঁধ ভেঙে নদীর জল আমাদের জমিতে ঢুকে পড়ে। তারফলে জমি গর্ত হয়ে গিয়েছে। কৃষি জমি যাতে চাষযোগ্য করে তোলা যায়, সেই জন্য আমরা সম্প্রতি প্রশাসনের কাছে আর্জি জানিয়েছিলাম। সেইমতো এদিন প্রশাসনের আধিকারিকরা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেছেন।
পঞ্চায়েত সমিতির সহ সভাপতি বলেন, নদী বাঁধ ভেঙে ওই এলাকায় কৃষি জমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যেখানে বালি মাটি পড়েছিল চাষিরা সেগুলি নিজেরাই সরিয়ে নিচ্ছেন। কিন্তু, নদীর জল প্রায় তিন একর জমিতে গর্তের সৃষ্টি করেছে। কার্যত পুকুরের আকার ধারণ করেছে জমিগুলি। সেখানে এখনও জল দাঁড়িয়ে রয়েছে। সেই জমিগুলিকে চাষযোগ্য করা হবে। এজন্য সেচদপ্তরের সঙ্গেও যোগাযোগ করা হবে।
চাষিদের দাবি, ওই কৃষি জমিগুলির উপর ভরসা করেই তাঁদের জীবিকা নির্বাহ করতে হয়। প্রশাসন যাতে এব্যাপারে দ্রুত পদক্ষেপ করে তার আর্জি জানানো হয়েছে।



