সংবাদদাতা, কান্দি: শুক্রবার সন্ধ্যার বড়ঞা থানার মুনাইকান্দরা গ্রামে প্রকাশ্যে পিস্তল পিঠে ঠেকিয়ে দাদাগিরির অভিযোগ উঠল এক যুবকের বিরুদ্ধে। শনিবার তার একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হতেই এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়ায়। যদিও এদিন সন্ধ্যা পর্যন্ত ওই যুবককে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিস।
Advertisement
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কয়েকদিন আগে গ্রামের এক বাসিন্দা তাঁর জমির খড় আর এক বাসিন্দাকে বিক্রি করেন। কিন্তু বিক্রেতা পুরো টাকা পাননি বলে দাবি। এনিয়ে শুক্রবার সকালে ক্রেতা ও বিক্রেতার মধ্যে ঝামেলা বাধে। সন্ধ্যার দিকে সেই ঝামেলা মিটমাট করতে আসে ওই পিস্তলধারী যুবক। কিন্তু উভয়পক্ষ তার কথা অমান্য করায় রেগে যায় সে। এরপর কোমর থেকে পিস্তল বের করে কয়েকজনকে শাসাতে থাকে সে। সে গ্রামের ভালোমন্দের শেষ কথা বলবে বলে জানায়।
গ্রামের এক মহিলা জানান, পিস্তলধারী যুবক বলছিল, ন্যায়-অন্যায়ের ব্যাপার বুঝি না। আমি গ্রামে যা বিচার করে দেব সেটা সকলকে মানতে হবে। এর বাইরে গেলেই কপালে দুর্ভোগ আছে। এরপর পিস্তল নিয়ে দাপিয়ে বেড়াতে থাকে ওই যুবক। ভাইরাল হওয়া ওই ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, সাদা টি-শার্ট ও লুঙ্গি পরে এক যুবক তার সামনের এক যুবকের বাঁ কাঁধের নীচে পিস্তল ঠেকিয়ে রয়েছে। পিস্তলের গুঁতোয় সামনের যুবক এগিয়ে চলেছে। এভাবেই কিছুটা যাওয়ার পর এক কিশোর ওই যুবককে কিছু বলে। এরপর পিস্তলধারী সামনের যুবককে ছেড়ে দিয়ে ফিরে আসে মহিলাদের কাছে। এই অবস্থা চলাকালীন কয়েকজন মহিলা সমানে গালিগালাজ করে চলেছিল। ঘটনার পর শুক্রবার রাতেই কান্দির এসডিপিও শাশ্রেক আম্বারদার ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন। পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, পিস্তল হাতের যুবককে গ্রামে খুব একটা দেখাই যায় না। তার নামে বিভিন্ন থানায় একাধিক অপরাধমূলক মামলা রয়েছে। এলাকার বাসিন্দারা পিস্তল হাতে দাপানো যুবককে গ্রেপ্তারের দাবি তুলেছেন। জেলা পুলিস সূত্রে জানানো হয়েছে, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পিস্তল হাতের যুবককে গ্রেপ্তার করার চেষ্টা চলছে। এনিয়ে একটি মামলাও রুজু হয়েছে।
গ্রামের এক মহিলা জানান, পিস্তলধারী যুবক বলছিল, ন্যায়-অন্যায়ের ব্যাপার বুঝি না। আমি গ্রামে যা বিচার করে দেব সেটা সকলকে মানতে হবে। এর বাইরে গেলেই কপালে দুর্ভোগ আছে। এরপর পিস্তল নিয়ে দাপিয়ে বেড়াতে থাকে ওই যুবক। ভাইরাল হওয়া ওই ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, সাদা টি-শার্ট ও লুঙ্গি পরে এক যুবক তার সামনের এক যুবকের বাঁ কাঁধের নীচে পিস্তল ঠেকিয়ে রয়েছে। পিস্তলের গুঁতোয় সামনের যুবক এগিয়ে চলেছে। এভাবেই কিছুটা যাওয়ার পর এক কিশোর ওই যুবককে কিছু বলে। এরপর পিস্তলধারী সামনের যুবককে ছেড়ে দিয়ে ফিরে আসে মহিলাদের কাছে। এই অবস্থা চলাকালীন কয়েকজন মহিলা সমানে গালিগালাজ করে চলেছিল। ঘটনার পর শুক্রবার রাতেই কান্দির এসডিপিও শাশ্রেক আম্বারদার ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন। পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, পিস্তল হাতের যুবককে গ্রামে খুব একটা দেখাই যায় না। তার নামে বিভিন্ন থানায় একাধিক অপরাধমূলক মামলা রয়েছে। এলাকার বাসিন্দারা পিস্তল হাতে দাপানো যুবককে গ্রেপ্তারের দাবি তুলেছেন। জেলা পুলিস সূত্রে জানানো হয়েছে, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পিস্তল হাতের যুবককে গ্রেপ্তার করার চেষ্টা চলছে। এনিয়ে একটি মামলাও রুজু হয়েছে।



