সংবাদদাতা, কান্দি: বৃহস্পতিবার বেলায় মুর্শিদাবাদের বড়ঞা থানার ডাকবাংলা গ্রামে সাইরেন বাজিয়ে ঢুকল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)-এর কনভয়। গন্তব্য নিমাগ্রামে রাহাতুল্লা শেখ ওরফে রাহি শেখের বাড়ি। গট গট করে ঢুকে গিয়ে শুরু হয় তল্লাশি। চলল টানা কয়েকঘণ্টা। বাড়ি চারপাশে কেন্দ্রীয় বাহিনীর পাহারা। বিকেলের পর বাড়ি ছাড়ে ইডি। কিন্তু আচমকা কেন ইডির নিশানায় রাহি? দিনভর চর্চা চলল বড়ঞ্যায়। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, রাহির বিটকয়েন কেনবেচার ব্যবসা করেন। এই ডিজিটাল মুদ্রার কারবারে অসঙ্গতি থাকার কারণেই ইডির এই হানা।
Advertisement
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন সকাল ১০টা নাগাদ ডাকবাংলা গ্রামে রাহি শেখের দু’টি দোকানে প্রথম হানা দেয় ইডি কর্তারা। সেখানে কিছুক্ষণ কাটিয়ে তাঁর বাড়িতে আসেন তাঁরা। তল্লাশির বিষয়ে ইডির তরফে কিছু জানানো হয়নি। স্থানীয়রাও বুঝে উঠতে পারেননি কেন রাহির বাড়িতে এল ইডি। প্রত্যাক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, ইডির দলে মোট তিনজন অফিসার ছাড়াও আরও কয়েকজন কর্মী ছিলেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, রাহি শেখের পৈত্রিক বাড়ি কান্দি শহরের সহিসপাড়া গ্রামে। অনেকবছর আগে বিবাহসূত্রে তিনি নিমাগ্রামেই বসবাস করেন। বিয়ের পর তিনি বেশ কয়েক বছর কাজের সূত্রে সৌদিতে ছিলেন। বছর দশেক আগে ফিরে এই এলাকায় বিভিন্ন ধরণের ব্যবসা শুরু করেন।
ডাকবাংলা গ্রামে রাহির দু’টি দোকান রয়েছে। একটি মোবাইলের। অন্যটি, অনলাইন ও ট্যুর অ্যান্ড ট্রাভেলসের। দ্বিতীয় দোকানটিতে রেল ও প্লেনের টিকিট কাটা হয়। বিদেশি মুদ্রার লেনদেনও হয় বলে জানা গিয়েছে। নিমাগ্রামের বাড়িতে থাকেন রাহি শেখের স্ত্রী, শাশুড়ি সহ দুই ছেলে ও দুই মেয়ে। ছেলে-মেয়েরা অবিবাহিত।
স্থানীয় বাসিন্দা বলছিলেন, সম্প্রতি এই ব্যবসায়ীর প্রতিপত্তি ঈর্ষণীয় পর্যায়ে পৌঁছয়। এদিন রাহির যে বাড়িতে তল্লাশি হয়, সেটি মাস চারেক আগেই তৈরি হয়েছে। ইউকয়েন বা বিটকয়েন নামের একটি অনলাইন ব্যবসাও করে রাহি। লক্ষ লক্ষ টাকার কারবার হয় এই ব্যবসায়। মুর্শিদাবাদ ছাড়া ব্যবসার প্রসার ছড়িয়েছে ভিন জেলাতেও। এমনকি বাড়ির মেয়েরাও ব্যবসায় লগ্নি করছেন অতিরিক্ত লাভের আশায়। এই ব্যবসা চলে পুরো অনলাইন পদ্ধতিতে মোবাইলের মাধ্যমে। রাহি শেখের যে অনলাইনের দোকান রয়েছে সেখান থেকেই এই ব্যবসা পরিচালনা হয়। প্রায় তিনবছর ধরে এই ব্যবসা চালাচ্ছেন রাহি। ডাকবাংলা গ্রামের এক বাসিন্দা বলেন, রাহি শেখের ডাকবাংলা গ্রামে ট্যুর অ্যান্ড ট্রাভেলসের দোকান রয়েছে সেখানে বছর দুয়েক আগে আইআরসিটিসির পক্ষ থেকে হানা দেওয়া হয়েছিল। ক্রেডিট কার্ডের লেনদেনে সমস্যা হওয়ায় সেইসময় রাহি শেখকে গ্রেপ্তারও করেছিল রেল কর্তৃপক্ষ। পরে ছাড়া পেয়েছিলেন।
ইডির একটি সূত্রের খবর, ট্যুর অ্যান্ড ট্রাভেলসের ব্যবসায় বহু সংখ্যায় ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করেছেন রাহি। তাতে বহু অসঙ্গতি দেখা দিয়েছে। এমনকি, কলকাতার বেহালার এক ব্যবসায়ীও এই ব্যবসায় যুক্ত। তাঁর কাছে থেকেই রাহি শেখের খোঁজ মেলে। ইডির পক্ষ থেকে রাহি শেখকে নোটিসও পাঠানো হয়েছিল। তিনি দেখা করেননি। এক ইডি অধিকর্তা বলেন, তল্লাশির সময় বাড়িতে রাহি ও তাঁর দুই ছেলে অনুপস্থিত ছিলেন। তদন্তের পরবর্তী ধাপে তাঁদের জীজ্ঞাসাবাদও করা হবে বলে জানা গিয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, রাহি শেখের পৈত্রিক বাড়ি কান্দি শহরের সহিসপাড়া গ্রামে। অনেকবছর আগে বিবাহসূত্রে তিনি নিমাগ্রামেই বসবাস করেন। বিয়ের পর তিনি বেশ কয়েক বছর কাজের সূত্রে সৌদিতে ছিলেন। বছর দশেক আগে ফিরে এই এলাকায় বিভিন্ন ধরণের ব্যবসা শুরু করেন।
ডাকবাংলা গ্রামে রাহির দু’টি দোকান রয়েছে। একটি মোবাইলের। অন্যটি, অনলাইন ও ট্যুর অ্যান্ড ট্রাভেলসের। দ্বিতীয় দোকানটিতে রেল ও প্লেনের টিকিট কাটা হয়। বিদেশি মুদ্রার লেনদেনও হয় বলে জানা গিয়েছে। নিমাগ্রামের বাড়িতে থাকেন রাহি শেখের স্ত্রী, শাশুড়ি সহ দুই ছেলে ও দুই মেয়ে। ছেলে-মেয়েরা অবিবাহিত।
স্থানীয় বাসিন্দা বলছিলেন, সম্প্রতি এই ব্যবসায়ীর প্রতিপত্তি ঈর্ষণীয় পর্যায়ে পৌঁছয়। এদিন রাহির যে বাড়িতে তল্লাশি হয়, সেটি মাস চারেক আগেই তৈরি হয়েছে। ইউকয়েন বা বিটকয়েন নামের একটি অনলাইন ব্যবসাও করে রাহি। লক্ষ লক্ষ টাকার কারবার হয় এই ব্যবসায়। মুর্শিদাবাদ ছাড়া ব্যবসার প্রসার ছড়িয়েছে ভিন জেলাতেও। এমনকি বাড়ির মেয়েরাও ব্যবসায় লগ্নি করছেন অতিরিক্ত লাভের আশায়। এই ব্যবসা চলে পুরো অনলাইন পদ্ধতিতে মোবাইলের মাধ্যমে। রাহি শেখের যে অনলাইনের দোকান রয়েছে সেখান থেকেই এই ব্যবসা পরিচালনা হয়। প্রায় তিনবছর ধরে এই ব্যবসা চালাচ্ছেন রাহি। ডাকবাংলা গ্রামের এক বাসিন্দা বলেন, রাহি শেখের ডাকবাংলা গ্রামে ট্যুর অ্যান্ড ট্রাভেলসের দোকান রয়েছে সেখানে বছর দুয়েক আগে আইআরসিটিসির পক্ষ থেকে হানা দেওয়া হয়েছিল। ক্রেডিট কার্ডের লেনদেনে সমস্যা হওয়ায় সেইসময় রাহি শেখকে গ্রেপ্তারও করেছিল রেল কর্তৃপক্ষ। পরে ছাড়া পেয়েছিলেন।
ইডির একটি সূত্রের খবর, ট্যুর অ্যান্ড ট্রাভেলসের ব্যবসায় বহু সংখ্যায় ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করেছেন রাহি। তাতে বহু অসঙ্গতি দেখা দিয়েছে। এমনকি, কলকাতার বেহালার এক ব্যবসায়ীও এই ব্যবসায় যুক্ত। তাঁর কাছে থেকেই রাহি শেখের খোঁজ মেলে। ইডির পক্ষ থেকে রাহি শেখকে নোটিসও পাঠানো হয়েছিল। তিনি দেখা করেননি। এক ইডি অধিকর্তা বলেন, তল্লাশির সময় বাড়িতে রাহি ও তাঁর দুই ছেলে অনুপস্থিত ছিলেন। তদন্তের পরবর্তী ধাপে তাঁদের জীজ্ঞাসাবাদও করা হবে বলে জানা গিয়েছে।



