সংবাদদাতা, কান্দি: সরকারি বাসের পিছনে ধাক্কা মারল বাইক। মঙ্গলবার রাতে বড়ঞা থানার সুন্দরপুরে ফরাক্কা-হলদিয়া বাদশাহি সড়কে এঘটনায় বাইকচালকের মৃত্যু হয়েছে। পুলিস জানিয়েছে, মৃত সুজন দাস বৈরাগ্য(২৫) পূর্ব বর্ধমানের কেতুগ্রাম থানার আনখোনা গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। পুলিস দেহ ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে। বাসটি আটক করা হয়েছে।
Advertisement
এদিন বিকেলে ওই যুবক বাড়ি থেকে বাইকে চেপে বড়ঞা থানার ডাকবাংলা গ্রামে কোনও কাজে এসেছিলেন। এরপর রাতের দিকে ওই রাস্তা ধরে বাড়ি ফিরছিলেন। সেসময় বাসের পিছনে বাইকটি ধাক্কা মারলে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়।
সালারে সাইকেল চালককে ধাক্কা অটোর: বুধবার সকালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে এক সাইকেল চালককে ধাক্কা মেরে উল্টে গেল অটো। সালার থানার কান্দরা গ্রামের কাছে এই ঘটনায় চারজন জখম হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে দু’জনকে সালার গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
অটোযাত্রী আল আমিন শেখ বলেন, অটোটি কান্দি থেকে সালার আসছিল। প্রচণ্ড জোরে চালানোর জেরে হঠাৎ সেটি উল্টে যায়। অল্পের জন্য প্রাণ বেঁচেছি। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এদিন কান্দরা গ্রামের নওদা মোড়ের কাছে এক সাইকেল চালক রাস্তা পারাপার করছিলেন। সেসময় অটোটি প্রচণ্ড জোরে এসে সাইকেল চালককে ধাক্কা মারার পর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যায়। ভরতপুরের বাসিন্দা অটো চালক রফিকুল শেখ বলেন, আমার কিছু করার ছিল না। যাত্রীরা ট্রেন ধরার জন্য জোরে চালাতে অনুরোধ করেছিলেন। আগামী দিনে এমন কাজ করব না।
জখম সাইকেল আরোহী তুষারকান্তি সাহা শাসকদলের ভরতপুর-২ ব্লক এসসি এসটি সেলের সভাপতি। তিনি বলেন, কিছু বুঝে ওঠার আগেই অটোটা এসে ধাক্কা মেরে দিল। অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচলাম।
এঘটনার পর স্থানীয়রা ওই এলাকায় অটোর গতি নিয়ন্ত্রণের দাবিতে সরব হন। খবর পেয়ে স্থানীয় মালিহাটি পঞ্চায়েতের প্রধান রাবিয়া বেগম ঘটনাস্থলে পৌঁছন। তিনি এবিষয়ে বাসিন্দাদের আশ্বস্ত করলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। পঞ্চায়েত প্রধান বলেন, অটো ইউনিয়ন ও পুলিসের সঙ্গে কথা বলে অটোর গতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করা হবে।
সালারে সাইকেল চালককে ধাক্কা অটোর: বুধবার সকালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে এক সাইকেল চালককে ধাক্কা মেরে উল্টে গেল অটো। সালার থানার কান্দরা গ্রামের কাছে এই ঘটনায় চারজন জখম হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে দু’জনকে সালার গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
অটোযাত্রী আল আমিন শেখ বলেন, অটোটি কান্দি থেকে সালার আসছিল। প্রচণ্ড জোরে চালানোর জেরে হঠাৎ সেটি উল্টে যায়। অল্পের জন্য প্রাণ বেঁচেছি। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এদিন কান্দরা গ্রামের নওদা মোড়ের কাছে এক সাইকেল চালক রাস্তা পারাপার করছিলেন। সেসময় অটোটি প্রচণ্ড জোরে এসে সাইকেল চালককে ধাক্কা মারার পর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যায়। ভরতপুরের বাসিন্দা অটো চালক রফিকুল শেখ বলেন, আমার কিছু করার ছিল না। যাত্রীরা ট্রেন ধরার জন্য জোরে চালাতে অনুরোধ করেছিলেন। আগামী দিনে এমন কাজ করব না।
জখম সাইকেল আরোহী তুষারকান্তি সাহা শাসকদলের ভরতপুর-২ ব্লক এসসি এসটি সেলের সভাপতি। তিনি বলেন, কিছু বুঝে ওঠার আগেই অটোটা এসে ধাক্কা মেরে দিল। অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচলাম।
এঘটনার পর স্থানীয়রা ওই এলাকায় অটোর গতি নিয়ন্ত্রণের দাবিতে সরব হন। খবর পেয়ে স্থানীয় মালিহাটি পঞ্চায়েতের প্রধান রাবিয়া বেগম ঘটনাস্থলে পৌঁছন। তিনি এবিষয়ে বাসিন্দাদের আশ্বস্ত করলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। পঞ্চায়েত প্রধান বলেন, অটো ইউনিয়ন ও পুলিসের সঙ্গে কথা বলে অটোর গতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করা হবে।



