সংবাদদাতা, কান্দি: মাত্র ১৯দিন আগে যাঁরা পঞ্চায়েতের নির্ণায়ক ছিলেন। তাঁরাই এখন বিরোধী ভূমিকায় পঞ্চায়েতে বিক্ষোভ দেখালেন। সোমবার বড়ঞা ব্লকের পাঁচথুপি পঞ্চায়েতের এই ঘটনায় এলাকায় শোরগোল পড়েছে। এদিন বিভিন্ন দাবি নিয়ে পঞ্চায়েতে বিক্ষোভ দেখিয়ে স্মারকলিপি দেওয়া হয় কংগ্রেসের পক্ষ থেকে। অথচ তিনসপ্তাহ আগেও ওই পঞ্চায়েতে নিয়ন্ত্রণ ছিল কংগ্রেসের। গত ৭ ফেব্রুয়ারি দলের তিন সদস্য শাসকদলে নাম লেখানোয় কংগ্রেস এখন সেখানে বিরোধী ভূমিকায়।
Advertisement
প্রসঙ্গত, এবারের পঞ্চায়েত ভোটে ওই পঞ্চায়েতের মোট ২৫টি আসনের মধ্যে তৃণমূল একাই পেয়েছিল ১০টি আসন। অপরদিকে কংগ্রেস আটটি, বিজেপি তিনটি ও সিপিএম-আরএসপি দুটি করে আসেন পেয়েছিল। পঞ্চায়েত প্রধান নির্বাচিত হয়েছিলেন আরএসপির কেশব চন্দ্র সাহা। যদিও পঞ্চায়েত বোর্ড গঠনের আগেই কংগ্রেসের দুই সদস্য তৃণমূলে যোগ দিয়েছিলেন।
গত ৬ ফেব্রয়ারি পঞ্চায়েত প্রধান সহ কংগ্রেসের জাহাঙ্গীর শেখ, কেরিমা বিবি ও আলি মহম্মদ তৃণমূলের যোগ দেন। এরপর পঞ্চায়েতে কংগ্রেস সদস্য দাঁড়িয়েছে মাত্র তিন। পঞ্চায়েতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছে কংগ্রেস।
স্থানীয় রাজনৈতিক মহলের মতে, অধিকাংশ সদস্য দল ছাড়ায় কংগ্রেস সেখানে ব্যাকপুটে চলে গিয়েছে। ভোটারদের কাছে জবাবদিহি ও সম্মানের প্রশ্নে কংগ্রেস এই বিক্ষোভ দেখিয়েছে।
এদিন দুপুরে কংগ্রেস কর্মীরা সেখানে বিক্ষোভ দেখিয়ে স্মারকলিপি দেন। কংগ্রেসের বড়ঞা ব্লক সভাপতি আজাদ মল্লিক বলেন, বিভিন্ন দুর্নীতি ও অনিয়মে ছেয়ে গিয়েছে এই পঞ্চায়েত। এর বিরুদ্ধে আমাদের আন্দোলন। দাবি না মিটলে বৃহত্তর আন্দোলনে নামা হবে। পঞ্চায়েত প্রধান বলেন, পঞ্চায়েত পরিচালনার ক্ষেত্রে বিরোধীদের এই আন্দোলন যথেষ্ট তাৎপর্য। কাজের ক্ষেত্রে বিরোধী না থাকলে ভালমন্দ বোঝা যায় না। ওনাদের দাবিগুলি নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
গত ৬ ফেব্রয়ারি পঞ্চায়েত প্রধান সহ কংগ্রেসের জাহাঙ্গীর শেখ, কেরিমা বিবি ও আলি মহম্মদ তৃণমূলের যোগ দেন। এরপর পঞ্চায়েতে কংগ্রেস সদস্য দাঁড়িয়েছে মাত্র তিন। পঞ্চায়েতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছে কংগ্রেস।
স্থানীয় রাজনৈতিক মহলের মতে, অধিকাংশ সদস্য দল ছাড়ায় কংগ্রেস সেখানে ব্যাকপুটে চলে গিয়েছে। ভোটারদের কাছে জবাবদিহি ও সম্মানের প্রশ্নে কংগ্রেস এই বিক্ষোভ দেখিয়েছে।
এদিন দুপুরে কংগ্রেস কর্মীরা সেখানে বিক্ষোভ দেখিয়ে স্মারকলিপি দেন। কংগ্রেসের বড়ঞা ব্লক সভাপতি আজাদ মল্লিক বলেন, বিভিন্ন দুর্নীতি ও অনিয়মে ছেয়ে গিয়েছে এই পঞ্চায়েত। এর বিরুদ্ধে আমাদের আন্দোলন। দাবি না মিটলে বৃহত্তর আন্দোলনে নামা হবে। পঞ্চায়েত প্রধান বলেন, পঞ্চায়েত পরিচালনার ক্ষেত্রে বিরোধীদের এই আন্দোলন যথেষ্ট তাৎপর্য। কাজের ক্ষেত্রে বিরোধী না থাকলে ভালমন্দ বোঝা যায় না। ওনাদের দাবিগুলি নিয়ে আলোচনা হয়েছে।



