নিজস্ব প্রতিনিধি, আরামবাগ: ভয়াবহ বন্যায় ভেসে গিয়েছে আমন ধান। ফলে কৃষিজীবী খানাকুলের বাসিন্দাদের পড়তে হয়েছে চরম অর্থনৈতিক সঙ্কটে। এবার নদীতে বোরোবাঁধ দিয়ে সেচের জলের ব্যবস্থা করছে প্রশাসন। আরামবাগ ও খানাকুলের দুটি ব্লক মিলিয়ে ১২টি বাঁধ দিয়ে বিকল্প চাষের ব্যবস্থায় নদীর অবস্থান খতিয়ে দেখলেন আধিকারিকরা। বুধবার হুগলি জেলা পরিষদের কৃষি সেচ ও সমবায় দপ্তরের কর্মাধ্যক্ষ মদনমোহন কোলে ও ইঞ্জিনিয়াররা সরেজমিনে নদীর বিভিন্ন অংশ খতিয়ে দেখেন। নদী গর্ভের মাপ দেখেই টাকা বরাদ্দ করা হবে। তারপরই শুরু হবে বোরোবাঁধ নির্মাণের কাজ। বোরোবাঁধ নিয়ে তৎপরতা শুরু হওয়ায় খুশি চাষিরাও। তবে চাষিদের দাবি দ্রুত নির্মাণকাজ শেষ করতে হবে।
Advertisement
জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ বলেন, এবার বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আমন ধান। চাষিরা যাতে বোরো চাষ ভালোভাবে করতে পারেন তাই সেচের জলের ব্যবস্থা করতে আমরা জোর দিয়েছি। কৃষি, সেচ ও সমবায় দপ্তরকে একত্রিত করে বাঁধের অবস্থা দেখা হচ্ছে। দ্রুত এই ব্যাপারে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
খানাকুলের কিশোরপুরের চাষি উত্তমকুমার সামন্ত বলেন, এবারের বন্যায় আমাদের এলাকার সমস্ত ধানই নষ্ট হয়ে গিয়েছে। তাই এবার বোরোবাঁধ তাড়াতাড়ি হলে চাষিরা খুবই উপকৃত হবেন। আমি বিঘে পাঁচেক জমিতে আলু ও ধান লাগাব। তবে বোরো মরসুম শেষ হওয়ার পরই ওই বাঁধ সরিয়ে ফেলতে হবে। নইলে বর্ষায় বাঁধ ফের ভেঙে যাবে।
গৌড়ান এলাকার চাষি কাজল দিগার বলেন, আমাদের ধান বন্যার সময়ে নষ্ট হয়ে গিয়েছে। এবার বোরোবাঁধ হলে আমার জমিতে আলু, বাদাম প্রভৃতি চাষ করব।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, খানাকুল ১ ও ২ ব্লকে মুণ্ডেশ্বরী এবং দ্বারকেশ্বর নদের উপর বাঁধ দেওয়া হয়। আরামবাগের সালেপুরেও দ্বারকেশ্বরের উপর বোরোবাঁধ করে প্রশাসন। খানাকুল-১ ব্লকের চকভেদুয়ায় মুণ্ডেশ্বরীর শাখা খালের উপর বাঁধ হয়ে আসছে। হুগলি জেলা পরিষদ ও পঞ্চায়েত সমিতি পৃথকভাবে এই অস্থায়ী বাঁধগুলি তৈরি করে। দামোদর ও সেচ ক্যানেলের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট নদীগুলিতে জল ছাড়া হয়। বাঁধ দিয়ে সেই জল ধরে রেখে তা সেচের কাজে ব্যবহার করেন চাষিরা। অনেক সময়ে পাম্পের সাহায্যেও তাঁরা জমিতে জল দেন।
এবার খানাকুল ও আরামবাগের একাংশে বন্যার ফলে কৃষি জমি ভেসে যায়। অধিকাংশ জমির ধানই নষ্ট হয়ে গিয়েছে। তাই এবার বোরো চাষ করে কিছুটা স্বস্তি পেতে চাইছেন চাষিরা।
খানাকুলের কিশোরপুরের চাষি উত্তমকুমার সামন্ত বলেন, এবারের বন্যায় আমাদের এলাকার সমস্ত ধানই নষ্ট হয়ে গিয়েছে। তাই এবার বোরোবাঁধ তাড়াতাড়ি হলে চাষিরা খুবই উপকৃত হবেন। আমি বিঘে পাঁচেক জমিতে আলু ও ধান লাগাব। তবে বোরো মরসুম শেষ হওয়ার পরই ওই বাঁধ সরিয়ে ফেলতে হবে। নইলে বর্ষায় বাঁধ ফের ভেঙে যাবে।
গৌড়ান এলাকার চাষি কাজল দিগার বলেন, আমাদের ধান বন্যার সময়ে নষ্ট হয়ে গিয়েছে। এবার বোরোবাঁধ হলে আমার জমিতে আলু, বাদাম প্রভৃতি চাষ করব।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, খানাকুল ১ ও ২ ব্লকে মুণ্ডেশ্বরী এবং দ্বারকেশ্বর নদের উপর বাঁধ দেওয়া হয়। আরামবাগের সালেপুরেও দ্বারকেশ্বরের উপর বোরোবাঁধ করে প্রশাসন। খানাকুল-১ ব্লকের চকভেদুয়ায় মুণ্ডেশ্বরীর শাখা খালের উপর বাঁধ হয়ে আসছে। হুগলি জেলা পরিষদ ও পঞ্চায়েত সমিতি পৃথকভাবে এই অস্থায়ী বাঁধগুলি তৈরি করে। দামোদর ও সেচ ক্যানেলের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট নদীগুলিতে জল ছাড়া হয়। বাঁধ দিয়ে সেই জল ধরে রেখে তা সেচের কাজে ব্যবহার করেন চাষিরা। অনেক সময়ে পাম্পের সাহায্যেও তাঁরা জমিতে জল দেন।
এবার খানাকুল ও আরামবাগের একাংশে বন্যার ফলে কৃষি জমি ভেসে যায়। অধিকাংশ জমির ধানই নষ্ট হয়ে গিয়েছে। তাই এবার বোরো চাষ করে কিছুটা স্বস্তি পেতে চাইছেন চাষিরা।



