সংবাদদাতা, কান্দি: মুদিখানা ব্যবসায়ীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হল বাড়ি থেকে কয়েকশো মিটার দূরের আমবাগানে। শুক্রবার সকালে বড়ঞা থানার দফাদারপাড়ার এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়ায়। মৃতের নাম কুদ্দুস দফাদার ওরফে নয়ন দফাদার(৪৮)। তিনি দফাদারপাড়ার বাসিন্দা ছিলেন। ঋণে জর্জরিত হয়েই ওই ব্যবসায়ী আত্মঘাতী হয়েছেন বলে পরিবারের দাবি। পুলিস একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে দেহ ময়নাতদন্তে পাঠায়।
Advertisement
মৃতের পরিবার সূত্রে জানানো হয়েছে, ওই ব্যবসায়ী আগে পরিযায়ী শ্রমিক হিসেবে ভিনরাজ্যে কাজ করতেন। যদিও কয়েকবছর আগে তিনি বাড়ির কাছেই একটি মুদিখানা দোকান খুলেছিলেন। সেই ব্যবসার উপর নির্ভর করেই তাঁর সংসার চলতো। তাঁর বাড়িতে মা ছাড়াও স্ত্রী ও দুই সন্তান রয়েছে।
ব্যবসা বাড়ানোর জন্য তিনি বিভিন্ন সংস্থা থেকে প্রায় চার লক্ষ টাকা ঋণ নিয়েছিলেন। ওই ঋণের টাকায় তিনি বাড়িও তৈরি করেন। এরপর কিস্তি মেটাতে গিয়ে তাঁকে সমস্যায় পড়তে হচ্ছিল। ঠিকমতো কিস্তির টাকা দিতে না পারায় কয়েকমাস ধরে তিনি মানসিক অবসাদে ভূগছিলেন। মৃতের ভাই টগর দফাদার বলেন, কয়েকমাস ধরে দাদার ব্যবসা ঠিকমতো চলছিল না। সংসারের খরচ জোগাড় করায় দায় হয়ে পড়েছিল। এর উপর বিভিন্ন জায়গা থেকে নেওয়া ঋণের কিস্তিও টাকাও দিতে পারছিলেন না।
কিস্তির টাকা না দিতে পেরে অপদস্ত হয়ে দাদা মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিল। সে কারণেই দাদা আত্মঘাতী হয়েছে। মৃতের স্ত্রী সুমি বিবি জানান, ঋণের কিস্তি দিতে পারছে না দেখে স্বামী দুশ্চিন্তায় ভুগতো। আমরা সকলে সান্ত্বনা দিয়েও কিছু করতে পারছিলাম না।
মৃতের পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাতে খাওয়ার পর ওই ব্যবসায়ী পরিবারের সঙ্গেই ঘুমিয়েছিলেন। কিন্তু, ভোরের দিকে তিনি বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান। এরপর মাঠের দিকের আমবাগানের একটি গাছে গলায় মাফলারের ফাঁস দিয়ে ঝুলে পড়েন। পরে একজন চাষি তাঁকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে গ্রামে খবর দেন।
ব্যবসা বাড়ানোর জন্য তিনি বিভিন্ন সংস্থা থেকে প্রায় চার লক্ষ টাকা ঋণ নিয়েছিলেন। ওই ঋণের টাকায় তিনি বাড়িও তৈরি করেন। এরপর কিস্তি মেটাতে গিয়ে তাঁকে সমস্যায় পড়তে হচ্ছিল। ঠিকমতো কিস্তির টাকা দিতে না পারায় কয়েকমাস ধরে তিনি মানসিক অবসাদে ভূগছিলেন। মৃতের ভাই টগর দফাদার বলেন, কয়েকমাস ধরে দাদার ব্যবসা ঠিকমতো চলছিল না। সংসারের খরচ জোগাড় করায় দায় হয়ে পড়েছিল। এর উপর বিভিন্ন জায়গা থেকে নেওয়া ঋণের কিস্তিও টাকাও দিতে পারছিলেন না।
কিস্তির টাকা না দিতে পেরে অপদস্ত হয়ে দাদা মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিল। সে কারণেই দাদা আত্মঘাতী হয়েছে। মৃতের স্ত্রী সুমি বিবি জানান, ঋণের কিস্তি দিতে পারছে না দেখে স্বামী দুশ্চিন্তায় ভুগতো। আমরা সকলে সান্ত্বনা দিয়েও কিছু করতে পারছিলাম না।
মৃতের পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাতে খাওয়ার পর ওই ব্যবসায়ী পরিবারের সঙ্গেই ঘুমিয়েছিলেন। কিন্তু, ভোরের দিকে তিনি বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান। এরপর মাঠের দিকের আমবাগানের একটি গাছে গলায় মাফলারের ফাঁস দিয়ে ঝুলে পড়েন। পরে একজন চাষি তাঁকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে গ্রামে খবর দেন।



