সংবাদদাতা, কান্দি: দু’বছরেও সমস্যা মেটেনি। স্বাস্থ্যকেন্দ্রের নির্মাণকার্য আইনি জটিলতায় আটকে রয়েছে। স্বাস্থ্য পরিষেবা পেতে ছুটতে হয় সাত কিলোমিটার দূরে। বড়ঞা ব্লকের গোপালনগর গ্রামে ববরপুর ব্লক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের এহেন অবস্থায় চরম ক্ষুব্ধ বাসিন্দারা। তাঁরা জটিলতা থেকে দ্রুত নিষ্পত্তি চাইছেন।
Advertisement
বড়ঞা ব্লক স্বাস্থ্যদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০২২ সালে বড়ঞা ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের চাপ কমাতে ববরপুর গ্রামে অন্য একটি ব্লক স্বাস্থ্যকেন্দ্র তৈরি করা হয়। ওইসময় একটি ভাড়াবাড়িতে স্বাস্থ্য পরিষেবা দেওয়া শুরু হয়। তাতে এলাকার অন্তত ১০ হাজার বাসিন্দা উপকৃত হন। কয়েকমাস পরেই প্রতিবেশী গোপালনগর গ্রামে একটি সরকারি জমির উপর স্বাস্থ্যকেন্দ্রের কংক্রিট ভবন তৈরির কাজ শুরু হয়। মাস দু’য়েকের মধ্যেই বিশাল এলাকাজুড়ে নির্মাণ কাজ শুরু করে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার। ওই দোতলা ভবনের অফিস রুম, মেল-ফিমেল ওয়ার্ড, নার্সিং রুম ও ইমারজেন্সি রুম তৈরির কাজ শুরু হয়। কিন্তু কাজ শুরুর মাস দুয়েকের মধ্যেই গ্রামের দু’জন বাসিন্দা তাতে বাধা দেন। দাবি করেন, ওই সরকারি জমির পাট্টা তাঁদের কাছে রয়েছে। পরবর্তীতে তাঁরা আদালতের দ্বারস্থ হলে, নির্মাণকার্য বন্ধ হয়ে যায়। তখন থেকেই স্বাস্থ্যকেন্দ্রের ভবন তৈরির কাজ থমকে রয়েছে। তা নিয়ে বাসিন্দাদের অধিকাংশ চরম ক্ষুব্ধ।
গোপালনগর গ্রামের গৃহবধূ ছায়া পাল বলেন, স্বাস্থ্যকেন্দ্র তৈরির কাজ শুরু হতেই সকলে আনন্দে ছিল। কিন্তু এখন সবাই হতাশ। আমরা চাই জটিলতার দ্রুত নিষ্পত্তি হোক। ফের ভবন তৈরির কাজ শুরু হোক। গ্রামের বাসিন্দা শ্রীমন্ত ঘোষ বলেন, এই সমস্যা শুধু আমাদের গ্রামের নয়। স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি তৈরি হলে শ্রীহট্ট, কালীগঞ্জ ও রাঙাবালি গ্রাম সহ সাতটি গ্রামের মানুষের সমস্যা মিটবে। সামান্য অসুখ হলেই ৭-১২ কিলোমিটার দূরের বড়ঞা গ্রামীণ হাসপাতাল বা কান্দি মহকুমা হাসপাতালে ছুটতে হয়। আর এক গৃহবধূ পারমিতা পাল বলেন, ভবনের সিমেন্টের পিলারগুলি প্রায় দু’বছর ধরে পড়ে থেকে নষ্ট হচ্ছে। সরকারি সম্পত্তি চোখের সামনে নষ্ট হওয়া মেনে নিতে পারছি না। সমস্যা সমাধানে গ্রামের মানুষ প্রশাসনের বিভিন্ন মহলে লিখিতভাবে আর্জিও জানিয়েছেন।
বড়ঞা বিএমওএইচ সৌমিক দাস বলেন, ওখানে জমি সংক্রান্ত জটিলতা রয়েছে। আদালতে মামলাও চলছে। তার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত কিছু করা যাচ্ছে না। এখনও ভাড়াবাড়িতে পরিষেবা দেওয়া হচ্ছে। গ্রামের এক মামলাকারী বলেন, যে জমিতে ভবন তৈরি হচ্ছিল, আমাদের কাছে তার পাট্টা রয়েছে। ওই জমি আমাদের দখলে ছিল।
গোপালনগর গ্রামের গৃহবধূ ছায়া পাল বলেন, স্বাস্থ্যকেন্দ্র তৈরির কাজ শুরু হতেই সকলে আনন্দে ছিল। কিন্তু এখন সবাই হতাশ। আমরা চাই জটিলতার দ্রুত নিষ্পত্তি হোক। ফের ভবন তৈরির কাজ শুরু হোক। গ্রামের বাসিন্দা শ্রীমন্ত ঘোষ বলেন, এই সমস্যা শুধু আমাদের গ্রামের নয়। স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি তৈরি হলে শ্রীহট্ট, কালীগঞ্জ ও রাঙাবালি গ্রাম সহ সাতটি গ্রামের মানুষের সমস্যা মিটবে। সামান্য অসুখ হলেই ৭-১২ কিলোমিটার দূরের বড়ঞা গ্রামীণ হাসপাতাল বা কান্দি মহকুমা হাসপাতালে ছুটতে হয়। আর এক গৃহবধূ পারমিতা পাল বলেন, ভবনের সিমেন্টের পিলারগুলি প্রায় দু’বছর ধরে পড়ে থেকে নষ্ট হচ্ছে। সরকারি সম্পত্তি চোখের সামনে নষ্ট হওয়া মেনে নিতে পারছি না। সমস্যা সমাধানে গ্রামের মানুষ প্রশাসনের বিভিন্ন মহলে লিখিতভাবে আর্জিও জানিয়েছেন।
বড়ঞা বিএমওএইচ সৌমিক দাস বলেন, ওখানে জমি সংক্রান্ত জটিলতা রয়েছে। আদালতে মামলাও চলছে। তার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত কিছু করা যাচ্ছে না। এখনও ভাড়াবাড়িতে পরিষেবা দেওয়া হচ্ছে। গ্রামের এক মামলাকারী বলেন, যে জমিতে ভবন তৈরি হচ্ছিল, আমাদের কাছে তার পাট্টা রয়েছে। ওই জমি আমাদের দখলে ছিল।



