নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: চা বাগানে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে খুনের ঘটনায় অভিযুক্তের যাবজ্জীবন সাজা। মঙ্গলবার জলপাইগুড়ি জেলা আদালতের ফাস্ট ট্র্যাক ফার্স্ট কোর্টের বিচারক স্বাতী মুখোপাধ্যায় ওই সাজা ঘোষণা করেন। সাজাপ্রাপ্তর নাম মাইকেল কুজুর। ২০২২ সালের ১৮ জুন ভোরে গয়েরকাটা চা বাগানের আবিস্তা লাইনে ঘটনাটি ঘটে। নিহতের নাম শিপ্রানুস টোপ্পো (৪২)। ঘটনার দিনই বানারহাট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন নিহতের স্ত্রী শান্তিমণি টোপ্পো। দায়ের হওয়া ওই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে খুনের মামলা রুজু করে তদন্তে নেমে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে পুলিস। নিহতের বাড়ির কাছেই থাকত অভিযুক্ত। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, স্ত্রী চা বাগানের শ্রমিক হলেও কাজের জন্য শিপ্রানুস দীর্ঘদিন বাইরে ছিলেন। বাড়ি ফিরতেই অভিযুক্ত মাইকেলের সঙ্গে তাঁর ঝামেলা শুরু হয়।
Advertisement
জলপাইগুড়ি জেলা পুলিস সুপার খণ্ডবাহালে উমেশ গণপত বলেন, মৃতের স্ত্রীর দায়ের করা অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে বানারহাট থানার পুলিস ঘটনার তদন্তে নামে। সাব ইন্সপেক্টর কে টি লেপচার নেতৃত্বে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শেষ করে সময়ে আদালতে চার্জশিট জমা দেয় পুলিস। সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে আদালতে দোষী প্রমাণিত হয় অভিযুক্ত। এদিন আদালত তার সাজা ঘোষণা করেছে।
মামলার সরকারি আইনজীবী প্রণব বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, মোট ১৫ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন এই মামলায়। বিচারক এদিন অভিযুক্ত মাইকেল কুজুরকে যাবজ্জীবন সাজার পাশাপাশি ২০ হাজার টাকা জরিমানার নির্দেশ দিয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে খবর, শান্তিমণি টোপ্পোর প্রতি কুনজর ছিল অভিযুক্ত মাইকেলের। বিষয়টি জানতে পেরে প্রতিবাদ করেন শান্তিমণির স্বামী শিপ্রানুস। যা মেনে নিতে পারেনি মাইকেল। প্রতিশোধ নিতেই সে শিপ্রানুসকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে খুন করে। খুনের ঘটনার আগের দিন সন্ধ্যাতেও শিপ্রানুস ও মাইকেলের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে তুমুল ঝামেলা হয়।
মামলার সরকার পক্ষের আইনজীবী বলেন, ২০২২ সালের ১৮ জুন ভোর তিনটে নাগাদ ঘটনাটি ঘটে। চা বাগানের শ্রমিক মহল্লায় আবিস্তা লাইনে নিজের ঘরে ঘুমিয়ে ছিলেন শিপ্রানুস। অভিযুক্ত মাইকেল ধারালো অস্ত্র (ঝুমনি) নিয়ে তাঁর বাড়িতে চড়াও হয়। এরপর ওই অস্ত্র দিয়ে শিপ্রানুসকে এলোপাথাড়ি কোপাতে থাকে। মাথায় কোপ লাগে। এতে মারাত্মক জখম হয়ে ঘরের মধ্যে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন শিপ্রানুস।
এদিকে, ঘটনাটি টের পেয়ে ঘুম থেকে জেগে যায় শিপ্রানুসের ছেলে আসমান। সে দেখে, ঘরে লাইট জ্বলছে। তার বাবা মাটিতে লুটিয়ে পড়ে রয়েছে। রক্তে চারদিক ভেসে যাচ্ছে। ওই দৃশ্য দেখামাত্র সে চিৎকার করে ওঠে। ছেলের চিৎকার শুনে শিপ্রানুসের স্ত্রী শান্তিমণিরও ঘুম ভেঙে যায়। এরইমধ্যে পালিয়ে যায় অভিযুক্ত মাইকেল। আশপাশের লোকজনের সহযোগিতায় শিপ্রানুসকে দ্রুত উদ্ধার করে প্রথমে গয়েরকাটা বাগানের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। অবস্থা আশঙ্কাজনক থাকায় সেখান থেকে তাঁকে রেফার করে দেওয়া হয়। এরপর শিপ্রানুসকে নিয়ে তাঁর পরিবার বীরপাড়া স্টেট জেনারেল হাসপাতালের উদ্দেশে রওনা দেয়। কিন্তু পথেই মৃত্যু হয় শিপ্রানুসের।
বাড়িতে চড়াও হয়ে কুপিয়ে খুনের ঘটনায় প্রায় তিন বছর আগে গয়েরকাটা চা বাগানে ব্যাপক আলোড়ন ছড়ায়। অভিযুক্তের শাস্তির দাবিতে সরব হন বাগানের শ্রমিকরা। এদিন অবশ্য সাজা ঘোষণার পর সাজাপ্রাপ্তর পরিবারের কাউকে আদালত চত্বরে পাওয়া যায়নি।
মামলার সরকারি আইনজীবী প্রণব বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, মোট ১৫ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন এই মামলায়। বিচারক এদিন অভিযুক্ত মাইকেল কুজুরকে যাবজ্জীবন সাজার পাশাপাশি ২০ হাজার টাকা জরিমানার নির্দেশ দিয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে খবর, শান্তিমণি টোপ্পোর প্রতি কুনজর ছিল অভিযুক্ত মাইকেলের। বিষয়টি জানতে পেরে প্রতিবাদ করেন শান্তিমণির স্বামী শিপ্রানুস। যা মেনে নিতে পারেনি মাইকেল। প্রতিশোধ নিতেই সে শিপ্রানুসকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে খুন করে। খুনের ঘটনার আগের দিন সন্ধ্যাতেও শিপ্রানুস ও মাইকেলের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে তুমুল ঝামেলা হয়।
মামলার সরকার পক্ষের আইনজীবী বলেন, ২০২২ সালের ১৮ জুন ভোর তিনটে নাগাদ ঘটনাটি ঘটে। চা বাগানের শ্রমিক মহল্লায় আবিস্তা লাইনে নিজের ঘরে ঘুমিয়ে ছিলেন শিপ্রানুস। অভিযুক্ত মাইকেল ধারালো অস্ত্র (ঝুমনি) নিয়ে তাঁর বাড়িতে চড়াও হয়। এরপর ওই অস্ত্র দিয়ে শিপ্রানুসকে এলোপাথাড়ি কোপাতে থাকে। মাথায় কোপ লাগে। এতে মারাত্মক জখম হয়ে ঘরের মধ্যে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন শিপ্রানুস।
এদিকে, ঘটনাটি টের পেয়ে ঘুম থেকে জেগে যায় শিপ্রানুসের ছেলে আসমান। সে দেখে, ঘরে লাইট জ্বলছে। তার বাবা মাটিতে লুটিয়ে পড়ে রয়েছে। রক্তে চারদিক ভেসে যাচ্ছে। ওই দৃশ্য দেখামাত্র সে চিৎকার করে ওঠে। ছেলের চিৎকার শুনে শিপ্রানুসের স্ত্রী শান্তিমণিরও ঘুম ভেঙে যায়। এরইমধ্যে পালিয়ে যায় অভিযুক্ত মাইকেল। আশপাশের লোকজনের সহযোগিতায় শিপ্রানুসকে দ্রুত উদ্ধার করে প্রথমে গয়েরকাটা বাগানের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। অবস্থা আশঙ্কাজনক থাকায় সেখান থেকে তাঁকে রেফার করে দেওয়া হয়। এরপর শিপ্রানুসকে নিয়ে তাঁর পরিবার বীরপাড়া স্টেট জেনারেল হাসপাতালের উদ্দেশে রওনা দেয়। কিন্তু পথেই মৃত্যু হয় শিপ্রানুসের।
বাড়িতে চড়াও হয়ে কুপিয়ে খুনের ঘটনায় প্রায় তিন বছর আগে গয়েরকাটা চা বাগানে ব্যাপক আলোড়ন ছড়ায়। অভিযুক্তের শাস্তির দাবিতে সরব হন বাগানের শ্রমিকরা। এদিন অবশ্য সাজা ঘোষণার পর সাজাপ্রাপ্তর পরিবারের কাউকে আদালত চত্বরে পাওয়া যায়নি।



