Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

বানপুর প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ডাক্তারদের না আসার অভিযোগ, মেলে না পরিষেবা

বানপুর প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ডাক্তারদের না আসার অভিযোগ, মেলে না পরিষেবা
  • ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
সংবাদদাতা, কৃষ্ণনগর: পরিকাঠামো থাকা সত্ত্বেও কৃষ্ণগঞ্জ ব্লকের বানপুর প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসক না আসার অভিযোগ রয়েছে। এই স্বাস্থ্যকেন্দ্র দীর্ঘদিন ধরে পরিচর্যার অভাবে বেহাল থাকার অভিযোগও রয়েছে।
Advertisement
জানাযায়, স্বাধীনতার আগে কৃষ্ণগঞ্জ ব্লকের বানপুর প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র স্থাপিত হয়। প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি বানপুর মাটিয়ারী পঞ্চায়েত এলাকায় হওয়ায় কয়েক হাজার মানুষকে চিকিৎসা পরিষেবা দেয়। দীর্ঘদিন ধরেই পুরনো এই স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি বেহাল অবস্থায় রয়েছে। কয়েক বিঘা জমির উপর এই হাসপাতালে পরিকাঠামো থাকার পরও পরিচর্যার অভাব নিয়ে আলোচনা হয়। স্বাস্থ্যকেন্দ্রের আশপাশ এলাকা ঝোপ জঙ্গলে ভর্তি। স্বাস্থ্যকেন্দ্রে লোডশেডিং হলেও ব্যাপক সমস্যায় পড়তে হয়। রাত-বিরেতে অসামাজিক লোকের আনাগোনা রয়েছে বলেও জানাযায়। তবে বহু পুরনো বানপুর প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসক না আসা নিয়েই মূল অভিযোগ রয়েছে। অথচ চিকিৎসকের কোয়ার্টার আছে। তারপরও চিকিৎসকের উপস্থিতি নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষুব্ধ।এখানে আপৎকালীন চিকিৎসা ব্যবস্থা থেকে নর্মাল ডেলিভারি করার সমস্ত ব্যবস্থা আছে। হাসপাতাল সূত্রে জানাগিয়েছে, গত এক বছরে প্রসূতি মহিলাদের ১০ থেকে ১২ জনের বেশি নর্মাল ডেলিভারি হয়নি। গড়ে মাসে ১ জন প্রসূতির নর্মাল ডেলিভারি হয়। এই হাসপাতালে ৩ জন নার্সিং স্টাফ, ৩ জন জিডিএস ও ২ চিকিৎসকের থাকার কথা থাকলেও হাসপাতালে সব সময় তাঁরা থাকেন না বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। ১ জন চিকিৎসক আসেন। সেই চিকিৎসকও নিয়মিত আসেস না বলে স্থানীয় মানুষরা জানিয়েছেন। এই অবস্থায় রোগীদের চিকিৎসার জন্য রাতে গিয়ে ফিরে আসতে হয়। কাঁটাতারের কাছেপিঠে বা সীমান্ত এলাকায় এই হাসপাতাল থাকলেও প্রায় ১০  কিলোমিটার দূরে কৃষ্ণগঞ্জ গ্রামীণ  হাসপাতালে রোগীদের স্থানান্তরিত করে দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে। স্বাভাবিক ভাবেই সাধারণ মানুষকে বিড়ম্বনার মধ্যে পড়তে হয়।
রোগীর আত্মীয়দেরগাড়ি ভাড়া করে রোগীকে ব্লক হাসপাতালে নিয়ে যেতে হয়। এই গোটা বিষয় নিয়েই স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষুব্ধ। তাঁরা বলেন, বহু পুরনো বানপুর প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে খুব ভালো পরিকাঠামো আছে। চিকিৎসক নিয়মিত আসেন না। এমনকী রোগী এলে স্টাফরা কৃষ্ণগঞ্জ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করে দেন। এতে রোগীকে বাড়তি টাকা খরচ করে গাড়ি ভাড়া করতে হয়।এতে অনেক সময় জরুরি পরিষেবা পাওয়ার ক্ষেত্রে অসুবিধা হয়।
এ প্রসঙ্গে ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক ফিরোজ আব্বাস বলেন,চিকিৎসক যান না কথাটা ভুল। বানপুর স্বাস্থ্যকেন্দ্রে সপ্তাহে ৩ দিন চিকিৎসক যান। কৃষ্ণগঞ্জ গ্রামীণ হাসপাতালে ব্লকের প্রচুর মানুষ আসেন। সেখানে তাঁরা চিকিৎসাপান। তবে চিকিৎসক কম থাকায় অলটারনেটিভ হিসাবে কাজ চালাতে হয়। তাতে অবশ্য সমস্যা একটু হয়।
 
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ