সংবাদদাতা, ঝাড়গ্রাম: জটিল অস্ত্রোপচারের জন্য প্রচুর টাকা খরচ করে ওড়িশার ভুবনেশ্বরে যাওয়ার আর দরকার নেই। এবার বিনামূল্যে হাড়ের জটিল অস্ত্রোপচার হচ্ছে ঝাড়গ্রামের নয়াগ্রাম সুপারস্পেশালিটি হাসপাতালেই।
Advertisement
দেড়মাস আগে নয়াগ্রাম ব্লকের মড়াপাদা গ্রামের বাসিন্দা ৫৭ বছর বয়সি ঝাড়েশ্বর মাঝির সাইকেল থেকে পড়ে কোমর ভেঙে যায়। সম্প্রতি তাঁকে নয়াগ্রাম সুপারস্পেশালিটিতে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকরা তাঁর কোমরের হিপ জয়েন্ট অপারেশনের সিদ্ধান্ত নেন। শরীরে রক্ত কমে গিয়েছিল। তাই অস্ত্রোপচারের আগেই এই প্রৌঢ়কে পাঁচ বোতল রক্ত দেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার রাতে ঝাড়েশ্বরবাবুর কোমরের হিপ জয়েন্ট রিপ্লেসমেন্ট অপারেশন সফল হয়।
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের চেষ্টায় জঙ্গলমহলের স্বাস্থ্য পরিষেবায় যথেষ্ট উন্নতি ঘটেছে। জেলার সমস্ত সুপারস্পেশালিটি হাসপাতাল ও মেডিক্যাল কলেজে এখন মানুষের ভিড় উপচে পড়ে। এর আগে জেলার অনেক মানুষ যে কোনও অস্ত্রোপচারের জন্য লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ করে ওড়িশার কটক বা ভুবনেশ্বরে যেতেন। প্রত্যন্ত নয়াগ্রামের বাসিন্দাদেরও এছাড়া কোনও বিকল্প ছিল না। কিন্তু রাজ্য সরকারের উদ্যোগে এখন সরকারি হাসপাতালের পরিষেবার অনেক উন্নতি হয়েছে। সম্প্রতি নয়াগ্রাম সুপারস্পেশালিটি হাসপাতালে বেশকিছু জটিল অস্ত্রোপচার হয়েছে। উপকৃত হয়েছেন ঝাড়েশ্বর মাঝির মতো অনেক রোগী।
ওই প্রৌঢ়ের ছেলে বিমল মাঝি বলেন, জঙ্গলের পাতা সংগ্রহ করতে গিয়ে সাইকেল থেকে পড়ে বাবার কোমর ভেঙে গিয়েছিল। আমরা টাকার অভাবে কোথাও নিয়ে যেতে পারিনি। দিশেহারা হয়ে পড়েছিলাম। নয়াগ্রাম হাসপাতালে ভর্তি করার পর বাবার অপারেশন হয়েছে। বাবা এখন সুস্থ রয়েছেন।
হাসপাতালের সুপার দেবাশিস মাহাত বলেন, এখন আমাদের হাসপাতালে নিয়মিত হিপ রিপ্লেসমেন্ট, নেক রিপ্লেসমেন্ট হচ্ছে। হাড়ের প্রায় সবধরনের অস্ত্রোপচার এখানে হচ্ছে। এই প্রৌঢ় কোমরে আঘাত পাওয়ার পর এক-দেড়মাস বাড়িতেই ছিলেন। এক সপ্তাহ আগে আমাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শরীরে রক্ত কম থাকায় তাঁকে পাঁচ বোতল রক্ত দেওয়া হয়। অ্যানাস্থেশিয়া বিভাগ থেকে ফিট সার্টিফিকেট পাওয়ার পর তাঁর অস্ত্রোপচার হয়েছে। এখন তিনি সুস্থ আছেন।
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের চেষ্টায় জঙ্গলমহলের স্বাস্থ্য পরিষেবায় যথেষ্ট উন্নতি ঘটেছে। জেলার সমস্ত সুপারস্পেশালিটি হাসপাতাল ও মেডিক্যাল কলেজে এখন মানুষের ভিড় উপচে পড়ে। এর আগে জেলার অনেক মানুষ যে কোনও অস্ত্রোপচারের জন্য লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ করে ওড়িশার কটক বা ভুবনেশ্বরে যেতেন। প্রত্যন্ত নয়াগ্রামের বাসিন্দাদেরও এছাড়া কোনও বিকল্প ছিল না। কিন্তু রাজ্য সরকারের উদ্যোগে এখন সরকারি হাসপাতালের পরিষেবার অনেক উন্নতি হয়েছে। সম্প্রতি নয়াগ্রাম সুপারস্পেশালিটি হাসপাতালে বেশকিছু জটিল অস্ত্রোপচার হয়েছে। উপকৃত হয়েছেন ঝাড়েশ্বর মাঝির মতো অনেক রোগী।
ওই প্রৌঢ়ের ছেলে বিমল মাঝি বলেন, জঙ্গলের পাতা সংগ্রহ করতে গিয়ে সাইকেল থেকে পড়ে বাবার কোমর ভেঙে গিয়েছিল। আমরা টাকার অভাবে কোথাও নিয়ে যেতে পারিনি। দিশেহারা হয়ে পড়েছিলাম। নয়াগ্রাম হাসপাতালে ভর্তি করার পর বাবার অপারেশন হয়েছে। বাবা এখন সুস্থ রয়েছেন।
হাসপাতালের সুপার দেবাশিস মাহাত বলেন, এখন আমাদের হাসপাতালে নিয়মিত হিপ রিপ্লেসমেন্ট, নেক রিপ্লেসমেন্ট হচ্ছে। হাড়ের প্রায় সবধরনের অস্ত্রোপচার এখানে হচ্ছে। এই প্রৌঢ় কোমরে আঘাত পাওয়ার পর এক-দেড়মাস বাড়িতেই ছিলেন। এক সপ্তাহ আগে আমাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শরীরে রক্ত কম থাকায় তাঁকে পাঁচ বোতল রক্ত দেওয়া হয়। অ্যানাস্থেশিয়া বিভাগ থেকে ফিট সার্টিফিকেট পাওয়ার পর তাঁর অস্ত্রোপচার হয়েছে। এখন তিনি সুস্থ আছেন।



