নিজস্ব প্রতিনিধি, শিলিগুড়ি: শুধু বাণিজ্য নয়, শিক্ষা ও সংস্কৃতির শহরে পরিণত হয়েছে শিলিগুড়ি। সোমবার উত্তরবঙ্গ সাংস্কৃতিক পরিষদের নাট্যোৎসবের প্রস্তুতি নিয়ে পর্যালোচনার পর এমন দাবি করেন শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেব। এদিকে, আগামী ১৩ থেকে ১৭ ডিসম্বর পর্যন্ত নাট্যোৎসব হবে দীনবন্ধু মঞ্চে। পাঁচদিন ধরে এই উৎসবে বাংলা ও হিন্দিভাষার নাটক মঞ্চস্থ হবে। তাতে অংশ নেবে কলকাতা ও উত্তরবঙ্গের নাট্য দলগুলি।
Advertisement
উত্তরবঙ্গ তো বটেই রাজ্যের মধ্যে অন্যতম বাণিজ্য শহর হিসেবে পরিচিত শিলিগুড়ি। হোটেল, লজ থেকে শপিংমল, বিভিন্ন কোম্পানির শোরুম থেকে ছোট ও বড় অসংখ্য দোকান রয়েছে। স্থানীয়দের পাশাপাশি এখানে দৈনিক ব্যবসা-বাণিজ্যের জন্য প্রতিবেশী রাষ্ট্র নেপাল, বাংলাদেশ, ভুটান, প্রতিবেশী রাজ্য বিহার ও সিকিম থেকে প্রচুর মানুষ আসে।
এমন প্রেক্ষাপটে এই শহর শিক্ষা ও সংস্কৃতির চর্চা বাড়ছে বলেই মেয়র দাবি করেন। বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদের হলে সাংবাদিক সম্মেলনে তথ্য দিয়ে মেয়র বলেন, এই শহরে বিভিন্ন ধরনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। ছাত্রছাত্রীদের শিক্ষাদান করতে পুরসভার তরফে গড়া হয়েছে ‘আলোর দিশারী’ কোচিং সেন্টার। ফুটবল কোচিং সেন্টার গড়া হয়েছে। সাজানো হচ্ছে ইন্ডোর স্টেডিয়াম। মাসের দ্বিতীয় ও চতুর্থ রবিবার স্থানীয় শিল্পীদের নিয়ে সূর্য সেন পার্কে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান করা হচ্ছে। কাজেই এই শহর শুধু বাণিজ্যের শহর নয়। বর্তমানে এটা সংস্কৃতি ও শিক্ষা শহরে পরিণত হয়েছে। এখানকার বাসিন্দাদের আরও বেশি সাংস্কৃতিক মনস্ক করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এদিন সাংবাদিক সম্মেলনের আগে উত্তরবঙ্গ সাংস্কৃতিক পরিষদের নাট্যোৎসবের প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা করেন মেয়র। তিনি সংশ্লিষ্ট উৎসব পরিচালন কমিটির উপদেষ্টা। মেয়র বলেন, এই নাট্যোৎসবে কলকাতার চারটি বিখ্যাত দলের নাটক এবং মালদহের একাটি দলের নাটক মঞ্চস্থ হবে। এই উৎসব সুষ্ঠুমতো করতে সবরকম প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। গতবছরের তুলনায় এবার উৎসবে ব্যাপক ভিড় হবে বলেই আশা করছি।
ইতিমধ্যে ওই নাট্যোৎসব নিয়ে ব্যানার, হোর্ডিং ও পোস্টারের মাধ্যমে প্রচার অভিযান চলছে। লিফলেটও বিলি করা হচ্ছে। উৎসব কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রতিদিন সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় নাটকের শো শুরু হবে। এজন্য ১০০ ও ১৫০ টাকার টিকিট করা হয়েছে। এরবাইরে পাঁচদিনের জন্য রয়েছে সিজন টিকিট। যা হাজার টাকা। এদিন সাংবাদিক সম্মেলনে মেয়র ছাড়াও উৎসব পরিচালন কমিটির আহ্বায় সুস্মিতা সেনগুপ্ত, শিক্ষক সুপ্রকাশ রায় সহ সাংস্কৃতিক কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
এমন প্রেক্ষাপটে এই শহর শিক্ষা ও সংস্কৃতির চর্চা বাড়ছে বলেই মেয়র দাবি করেন। বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদের হলে সাংবাদিক সম্মেলনে তথ্য দিয়ে মেয়র বলেন, এই শহরে বিভিন্ন ধরনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। ছাত্রছাত্রীদের শিক্ষাদান করতে পুরসভার তরফে গড়া হয়েছে ‘আলোর দিশারী’ কোচিং সেন্টার। ফুটবল কোচিং সেন্টার গড়া হয়েছে। সাজানো হচ্ছে ইন্ডোর স্টেডিয়াম। মাসের দ্বিতীয় ও চতুর্থ রবিবার স্থানীয় শিল্পীদের নিয়ে সূর্য সেন পার্কে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান করা হচ্ছে। কাজেই এই শহর শুধু বাণিজ্যের শহর নয়। বর্তমানে এটা সংস্কৃতি ও শিক্ষা শহরে পরিণত হয়েছে। এখানকার বাসিন্দাদের আরও বেশি সাংস্কৃতিক মনস্ক করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এদিন সাংবাদিক সম্মেলনের আগে উত্তরবঙ্গ সাংস্কৃতিক পরিষদের নাট্যোৎসবের প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা করেন মেয়র। তিনি সংশ্লিষ্ট উৎসব পরিচালন কমিটির উপদেষ্টা। মেয়র বলেন, এই নাট্যোৎসবে কলকাতার চারটি বিখ্যাত দলের নাটক এবং মালদহের একাটি দলের নাটক মঞ্চস্থ হবে। এই উৎসব সুষ্ঠুমতো করতে সবরকম প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। গতবছরের তুলনায় এবার উৎসবে ব্যাপক ভিড় হবে বলেই আশা করছি।
ইতিমধ্যে ওই নাট্যোৎসব নিয়ে ব্যানার, হোর্ডিং ও পোস্টারের মাধ্যমে প্রচার অভিযান চলছে। লিফলেটও বিলি করা হচ্ছে। উৎসব কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রতিদিন সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় নাটকের শো শুরু হবে। এজন্য ১০০ ও ১৫০ টাকার টিকিট করা হয়েছে। এরবাইরে পাঁচদিনের জন্য রয়েছে সিজন টিকিট। যা হাজার টাকা। এদিন সাংবাদিক সম্মেলনে মেয়র ছাড়াও উৎসব পরিচালন কমিটির আহ্বায় সুস্মিতা সেনগুপ্ত, শিক্ষক সুপ্রকাশ রায় সহ সাংস্কৃতিক কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।



