সংবাদদাতা, ডোমকল: নেই কোনও রাখঢাক। গৃহস্থের জন্য বরাদ্দ রান্নার গ্যাসের সিলিন্ডার ব্যবহার করেই চলছে রেস্তরাঁ ও মিষ্টির দোকান। শুধু তাই নয়, রাস্তার ধারের চপ-পেঁয়াজি-সিঙ্গাড়া ভাজাও চলছের ডোমেস্টিক সিলিন্ডারের গ্যাস ব্যবহার করে। হাতেগোনা মাত্র কয়েকটি দোকান বাদ দিয়ে প্রায় সব দোকানেই চলছে অবৈধভাবে ডোমেস্টিক সিলিন্ডারের ব্যবহার। বাণিজ্যিক জায়গায় সরকারি বিধি-নিষেধের তোয়াক্কা না করে এভাবেই দেদার ব্যবহার হচ্ছে বাড়ির গ্যাস সিলিন্ডার।
Advertisement
সাধরণত তিনটি সংস্থা দেশের বাজারে গ্যাসের সিলিন্ডার বিক্রি করে থাকে। তাঁরা মূলত দু’ধরনের গ্যাস সিলিন্ডার বাজারে বিক্রি করে। যাঁর একটি ডোমেস্টিক অর্থাৎ যেই সিলিন্ডারগুলি গৃহস্থের বাড়ির রান্নার কাজে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এই ধরনের সিলিন্ডারগুলিতে ১৪ কেজি ২০০ গ্রাম গ্যাস থাকে। এই সিলিন্ডার গৃহস্থের বাড়ি ছাড়া অন্য কোথাও ব্যবহারের অনুমতি নেই। আর অপরটি হল বাণিজ্যিক সিলিন্ডার। এইধরনের সিলিন্ডার বাণিজ্যিক কাজে রান্নার জন্য ব্যবহৃত হয়। এই সিলিন্ডারে ১৯ কেজি গ্যাস মজুত থাকে। কিন্তু, ডোমকল মহকুমাজুড়ে বিভিন্ন দোকান, রেস্তরাঁ খুঁজলে হয়তো হাতেগোনা কয়েকটি জায়গায় বাণিজ্যিক সিলিন্ডার পাওয়া যাবে। প্রায় সবক’টি দোকানেই ডোমেস্টিক সিলিন্ডার ব্যবহার করেই চলছে খাবার তৈরি। কিন্তু এত ডোমেস্টিক সিলিন্ডারের জোগান তারা কীভাবে পাচ্ছে? গ্যাস ডিলারদের একটি সূত্র বলছে, গড়পড়তা হিসেব করলে যেসব পরিবারে গ্যাস সংযোগ রয়েছে, তাঁদের বছরে ৭ থেকে ৮টি সিলিন্ডার লাগে। অভিযোগ, অনেকে প্রয়োজন না হলেও বাড়তি সিলিন্ডার তুলে তা বিক্রি করে দিচ্ছেন দোকানদারদের। বদলে সিলিন্ডারপিছু সরকারি ভর্তুকি ঢুকছে তাঁদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে। আবার বেশি দাম দিয়ে এজেন্সি থেকেই গ্যাসভর্তি সিলিন্ডার কিনে নিচ্ছে রেস্তারাঁ ও মিষ্টির দোকানসহ অন্যান্য ব্যবসায়ীরা।
এদিন রানিনগর থানা এলাকার একটি গ্যাস এজেন্সির সঙ্গে কথা বলে জানা গেল, তাদের কয়েক হাজার ডোমেস্টিক সিলিন্ডারের গ্রাহক আছে। আর বাণিজ্যিক গ্যাসের সিলিন্ডারের গ্রাহক ৩০ থেকে ৩৫জনের মতো। অথচ পুরো রানিনগর থানা এলাকাজুড়ে কয়েক হাজার ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
গ্যাস এজেন্সিগুলির দাবি, এভাবে ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে ডোমেস্টিক গ্যাস ব্যবহার করতে গিয়ে বিপদ ডেকে আনছেন ব্যবসায়ীরা। ব্যবসার কাজে ব্যবহারের জন্য বাণিজ্যিক সিলিন্ডারের ক্ষেত্রে বিশেষ সুবিধাও দিয়ে থাকে গ্যাস সংস্থা। পাশপাশি, বাণিজ্যিক সিলিন্ডারগুলি ডোমেস্টিক সিলিন্ডারের চেয়ে অনেক বেশি তাপ সহ্য করতে পারে। তাই দুর্ঘটনার ঘটার সম্ভবনা কিছুটা কম থাকে। এছাড়াও, বাণিজ্যিক সিলিন্ডার থেকে দুর্ঘটনা ঘটলে বিমা বাবদ একটি অঙ্কের টাকা ক্ষতিপূরণ দিয়ে থাকে কোম্পানিগুলি। দু’দিন আগেই ডোমকলের বক্সিপুরে মিষ্টির দোকানে গ্যাস লিক করে অগ্নিকাণ্ডে ঝলসে গিয়ে তিনজন মারা যায়। সেখানেও ব্যবসায়িক সিলিন্ডারের জায়গায় ডোমেস্টিক সিলিন্ডার ব্যবহার করা হচ্ছিল।
এদিন রানিনগর থানা এলাকার একটি গ্যাস এজেন্সির সঙ্গে কথা বলে জানা গেল, তাদের কয়েক হাজার ডোমেস্টিক সিলিন্ডারের গ্রাহক আছে। আর বাণিজ্যিক গ্যাসের সিলিন্ডারের গ্রাহক ৩০ থেকে ৩৫জনের মতো। অথচ পুরো রানিনগর থানা এলাকাজুড়ে কয়েক হাজার ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
গ্যাস এজেন্সিগুলির দাবি, এভাবে ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে ডোমেস্টিক গ্যাস ব্যবহার করতে গিয়ে বিপদ ডেকে আনছেন ব্যবসায়ীরা। ব্যবসার কাজে ব্যবহারের জন্য বাণিজ্যিক সিলিন্ডারের ক্ষেত্রে বিশেষ সুবিধাও দিয়ে থাকে গ্যাস সংস্থা। পাশপাশি, বাণিজ্যিক সিলিন্ডারগুলি ডোমেস্টিক সিলিন্ডারের চেয়ে অনেক বেশি তাপ সহ্য করতে পারে। তাই দুর্ঘটনার ঘটার সম্ভবনা কিছুটা কম থাকে। এছাড়াও, বাণিজ্যিক সিলিন্ডার থেকে দুর্ঘটনা ঘটলে বিমা বাবদ একটি অঙ্কের টাকা ক্ষতিপূরণ দিয়ে থাকে কোম্পানিগুলি। দু’দিন আগেই ডোমকলের বক্সিপুরে মিষ্টির দোকানে গ্যাস লিক করে অগ্নিকাণ্ডে ঝলসে গিয়ে তিনজন মারা যায়। সেখানেও ব্যবসায়িক সিলিন্ডারের জায়গায় ডোমেস্টিক সিলিন্ডার ব্যবহার করা হচ্ছিল।



