সুব্রত ধর, শিলিগুড়ি: শিলিগুড়ির ‘ভাত’ জোগাচ্ছে তিন জেলা। দুই দিনাজপুর ও জলপাইগুড়ি এখন ‘অন্নদাতা’। প্রশাসন সূত্রে খবর, বাণিজ্য নগরী শিলিগুড়ির রেশনে বার্ষিক সেদ্ধ চালের চাহিদা প্রায় ৩০হাজার মেট্রিক টন। যারমধ্যে সিংহভাগ প্রতিবেশী এই তিন জেলা থেকেই আমদানি করা হয়। সেদ্ধ চাল প্রস্তুতকারী মিলের অভাব থাকায় এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। এই সমস্যা ঘোঁচাতে উদ্যোগ নিয়েছে খাদ্য ও সরবরাহ দপ্তর। ইতিমধ্যে তারা রাইসমিল মালিকদের সেদ্ধ চাল প্রস্তুত করার পরামর্শও দিয়েছে।
Advertisement
এই ব্যাপারে জেলার খাদ্য নিয়ামক বিশ্বজিৎ বিশ্বাস বলেন, শিলিগুড়ির রেশন দোকানে সেদ্ধ চাল প্রতিবেশী জেলাগুলি থেকে সংগ্রহ করা হয়। ভবিষ্যতে যাতে তা করতে না হয়, সেজন্য এখানে সেদ্ধ চাল প্রস্তুতকারী মিল চালু করতে মিল মালিকদের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। এবার একটি সেদ্ধ চালের মিল চালু হয়েছে। আগামীতে এধরনের আরও কিছু মিল চালু হবে বলে আশা রাখছি।
শিলিগুড়ি মহকুমার বহু মানুষ রেশন পরিষেবার উপর নির্ভরশীল। রাজ্যের অন্যান্য প্রান্তের মতো এখানেও রেশনে সরবরাহ করা হয় সেদ্ধ চাল। প্রশাসন সূত্রের খবর, এখানে রেশন দোকানের সংখ্যা ১৯০টি। এতে গ্রাহকের সংখ্যা প্রায় ৬লক্ষ। এজন্য প্রতি মাসে রেশন দোকানে সেদ্ধ চালের প্রয়োজন প্রায় ২৫শো মেট্রিক টন। বছরে যা দাঁড়ায় প্রায় ৩০হাজার মেট্রিক টন। এই বিপুল পরিমাণ চাল এখানে উৎপাদিত হয় না। তাই উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর এবং জলপাইগুড়ি জেলা থেকে বছরে প্রায় ২০হাজার মেট্রিক টন সেদ্ধ চাল সংগ্রহ করতে হয়। খাদ্যদপ্তরের আধিকারিকরা বলেন, রাজ্য সরকারের নির্দেশ মতো সংশ্লিষ্ট জেলাগুলি থেকে প্রয়োজনীয় চাল আনা হয়। তিন মাস আগেই দুই দিনাজপুর থেকে এখানে চাল এসেছে। তা মজুতও রয়েছে।
মহকুমা থেকে সহায়কমূল্যে ধান সংগ্রহের পরও এমন পরিস্থিতি তৈরি হওয়ায় বিভিন্ন মহলে গুঞ্জন উঠেছে। খাদ্যদপ্তর সূত্রে খবর, মহকুমায় রাইস মিলের সংখ্যা ১৬টি। যারমধ্যে ১৪টি মিলে আতপ চাল প্রস্তুত করা হয়। এখন দু’টি মিলে সেদ্ধ চাল প্রস্তুত হচ্ছে।
এরমধ্যে একটি মিল অক্টোবরে চালু হয়েছে। তাছাড়া, এই মহকুমায় ধান উৎপাদন কমেছে। খাদ্য ও সরবরাহ দপ্তরের আধিকারিকরা বলেন, এবার সংশ্লিষ্ট দু’টি মিল থেকে প্রায় ১০হাজার মেট্রিক টন সেদ্ধ চাল তৈরি হবে। বাকি ৩০হাজার এমটি(মেট্রিকটন) চাল প্রতিবেশী জেলা থেকে সংগ্রহ করা হবে। বাকি মিলগুলি সেদ্ধ চাল উৎপাদন শুরু করলে সমস্যা কিছুটা মিটবে বলেই আশা করছি।শিলিগুড়ি মহকুমার বহু মানুষ রেশন পরিষেবার উপর নির্ভরশীল। রাজ্যের অন্যান্য প্রান্তের মতো এখানেও রেশনে সরবরাহ করা হয় সেদ্ধ চাল। প্রশাসন সূত্রের খবর, এখানে রেশন দোকানের সংখ্যা ১৯০টি। এতে গ্রাহকের সংখ্যা প্রায় ৬লক্ষ। এজন্য প্রতি মাসে রেশন দোকানে সেদ্ধ চালের প্রয়োজন প্রায় ২৫শো মেট্রিক টন। বছরে যা দাঁড়ায় প্রায় ৩০হাজার মেট্রিক টন। এই বিপুল পরিমাণ চাল এখানে উৎপাদিত হয় না। তাই উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর এবং জলপাইগুড়ি জেলা থেকে বছরে প্রায় ২০হাজার মেট্রিক টন সেদ্ধ চাল সংগ্রহ করতে হয়। খাদ্যদপ্তরের আধিকারিকরা বলেন, রাজ্য সরকারের নির্দেশ মতো সংশ্লিষ্ট জেলাগুলি থেকে প্রয়োজনীয় চাল আনা হয়। তিন মাস আগেই দুই দিনাজপুর থেকে এখানে চাল এসেছে। তা মজুতও রয়েছে।
মহকুমা থেকে সহায়কমূল্যে ধান সংগ্রহের পরও এমন পরিস্থিতি তৈরি হওয়ায় বিভিন্ন মহলে গুঞ্জন উঠেছে। খাদ্যদপ্তর সূত্রে খবর, মহকুমায় রাইস মিলের সংখ্যা ১৬টি। যারমধ্যে ১৪টি মিলে আতপ চাল প্রস্তুত করা হয়। এখন দু’টি মিলে সেদ্ধ চাল প্রস্তুত হচ্ছে।
এদিকে, দার্জিলিং ও কালিম্পং পাহাড়ে রেশনে সরবরাহ করা হয় আতপ চাল। খাদ্যদপ্তর সূত্রে খবর, দুই শৈল শহরে মাসে রেশন দোকানে প্রায় ৮হাজার এমটি আতপ চাল দরকার। তা শিলিগুড়ি থেকে সরবরাহ করা হয়।



